শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা মৃত্যু নিয়ে নতুন দাবি

ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা মৃত্যু নিয়ে নতুন দাবি

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে চলমান ইরান যুদ্ধে পেন্টাগনের প্রকাশ্যে স্বীকার করা তথ্যের তুলনায় বাস্তবে অনেক বেশি মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ছয় কর্মকর্তার পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তথ্যের বরাতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এই খবর জানানো হয়েছে। ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে পাঁচজন জানান, যুদ্ধে অন্তত ২২ জন সেনা সদস্য মারা গেছেন, যা পেন্টাগনের প্রাতিষ্ঠানিক ডাটাবেজ ‘ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালিসিস সিস্টেম’ বা ডিসিএএস-এ প্রদর্শিত সংখ্যার চেয়ে চারটি বেশি। অন্য এক কর্মকর্তা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েল যৌথভাবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২৩ জন মার্কিন সেনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত তিনজন মার্কিন ঠিকাদার প্রাণ হারিয়েছেন। পেন্টাগনের প্রকাশ্য ডাটাবেজে ১৮ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর কথা বলা হলেও চারজনের তথ্য বাদ দেওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মৃতের সংখ্যা আড়াল করার ফলে নিহত সেনাদের স্বজনরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। পেন্টাগন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। রয়টার্স-ইপসোস জরিপ অনুযায়ী ট্রাম্পের ইরাননীতির প্রতি মার্কিন জনগণের অনিচ্ছা ও অসন্তোষ বাড়ছে। এর মধ্যেই রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা যুদ্ধ বন্ধে ও তথ্য বিকৃতি রুখতে নানা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এমনকি যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে আইনি জটিলতার অভিযোগে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের অভিশংসন দাবি করেছেন একজন রিপাবলিকান প্রতিনিধি। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এক নথি অনুযায়ী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয়েছে প্রায় ৪৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং আটশরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই মস্তিষ্কে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

সুদানে সোনার খনিতে ভয়াবহ ধস, নিহত ৬০

একটি সোনার খনি ধসে সুদানে অন্তত ৬০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া দুই খনি শ্রমিক। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলের এল-নাহুদ শহরের কাছে আল-জারা সোনার খনিতে একের পর এক খনির সুড়ঙ্গ ধসে পড়তে শুরু করে। পরদিন সকাল পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে খনির ভেতরে আরও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা এখনো জানা যায়নি। নিখোঁজ শ্রমিকদের অনেকেই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বেঁচে যাওয়া শ্রমিক খায়ের আল-সাইয়েদ জাবারা এএফপিকে বলেন, ‘রাতভর সহকর্মী শ্রমিকদের সঙ্গে তারা উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন। খনি থেকে সোনা উত্তোলনে যে সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, সেগুলো দিয়েই তারা উদ্ধারকাজ চালান।’ উদ্ধারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ বা জীবিত কাউকে উদ্ধারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। তবে পাথর ও মাটি সরানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ জন্য ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এই সংঘাতে দুই পক্ষের যুদ্ধ পরিচালনার অর্থের একটি বড় অংশ সোনা শিল্প থেকে আসে। পাশাপাশি তারা বিদেশি সহায়তাও পেয়ে থাকে।দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত সুদানের আগে থেকেই দুর্বল অর্থনীতিকে আরো বিপর্যস্ত করেছে। দেশটির বিপুলসংখ্যক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় অনেকেই জীবিকার সন্ধানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে সোনা উত্তোলনের কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। সুদান থেকে পাচার বা রপ্তানি হওয়া সোনার প্রায় পুরোটাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মাধ্যমে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আরএসএফকে ব্যাপকভাবে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউএই।আল-জারার মতো পরিত্যক্ত খনি বা অনানুষ্ঠানিক এলাকায় স্থানীয় ও ক্ষুদ্র পরিসরে সোনা উত্তোলনের কাজ হয়। দেশটিতে উত্তোলন করা সোনার বেশিরভাগই এই ধরনের ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনি থেকে আসে। আল-জারা খনির বাইরে মঙ্গলবার কাজ করছিলেন আরেক শ্রমিক আল-আমিন সুলাইমান। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এখানকার সবগুলো খনির সুড়ঙ্গ একে অপরের খুব কাছাকাছি। একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়লে পাশের সুড়ঙ্গগুলোও ধসে পড়ে।’  তিনি বলেন, ‘এখানেও সেটিই ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গতকাল থেকে আরো অনেকে মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন। তারা বেঁচে আছেন বলে আমার মনে হয় না।’ পশ্চিম কর্দোফান বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকায় সেখানে বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এর পাশের দারফুর অঞ্চলও আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে সেখানে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। আরএসএফ একটি সমান্তরাল সরকার গঠনের ঘোষণা দিলেও তাদের প্রশাসনিক সক্ষমতা এখনও সীমিত। ফলে পশ্চিম সুদানের মানুষ বেঁচে থাকার জন্য মূলত মানবিক সহায়তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল।

সুদানে সোনার খনিতে ভয়াবহ ধস, নিহত ৬০

চীনে নোঙর করে থাকা জাহাজে আগুন, নিহত অন্তত ২৫

চীনের পূর্বাঞ্চলীয় কিংদাও বন্দরে মেরামতের জন্য নোঙর করে থাকা লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজে আগুন লেগে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। জাহাজটিতে ৪২ জন মানুষ ছিলেন। চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দর কিংদাওয়ের বেইহাই শিপবিল্ডিং কোম্পানিতে জাহাজটির মেরামতের কাজ চলছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া প্রকাশিত একটি ছবিতে জাহাজটিকে ‘ওশান মেলোডি’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ভেসেলফাইন্ডারের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি লাইবেরিয়ার পতাকার অধীনে চলাচল করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার কিছু পর জাহাজটিতে আগুন লাগে। দুপুর আড়াইটার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। জাহাজটি থেকে ১২ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, জাহাজে থাকা কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। গত ৩১ আগস্ট জাহাজটি মেরামতের জন্য কিংদাও বন্দরে পৌঁছায়। এর আগে এটি জিয়াংসু প্রদেশ থেকে উত্তরের দিকে যাত্রা করেছিল। আগামী রোববার জাহাজটির কিংদাও ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং জাহাজে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে জরুরি ভিত্তিতে অভিযান চালানোর জন্য বিরল এক ‘গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা’ দিয়েছেন। তিনি ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা পুরোপুরি বাস্তবায়ন’ এবং ‘বড় ও ভয়াবহ দুর্ঘটনা দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ’ করার ওপরও জোর দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চীনের নেতৃত্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি ও প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলোকে ‘আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে এবং আহতদের চিকিৎসায়’ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ‘দ্বিতীয় পর্যায়ের বিপর্যয়’ ঠেকানোর নির্দেশও দিয়েছেন। তিনি চীনের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষকে কর্মক্ষেত্রে থাকা ঝুঁকিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করার এবং এ ধরনের আরও দুর্ঘটনা ঠেকাতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বেইহাই শিপবিল্ডিং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশনের অংশ। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। বেইহাই শিপবিল্ডিংয়ের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ব্যবসার মধ্যে জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ মেরামত রয়েছে। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে চীনের কোনো জাহাজ নির্মাণ কারখানায় এটি দ্বিতীয় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এর আগে গত ১৩ আগস্ট দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের একটি জাহাজ নির্মাণ কারখানায় বিস্ফোরণে একজন দমকলকর্মী নিহত হন। তাইওয়ান প্রণালির অপর পারে অবস্থিত ফুজিয়ান প্রদেশটি গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত তাইওয়ানের বিপরীতে অবস্থিত। প্রদেশটি চীনের জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ মেরামত শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

চীনে নোঙর করে থাকা জাহাজে আগুন, নিহত অন্তত ২৫

ময়মনসিংহে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ৪

ময়মনসিংহ নগরীতে ট্রাকের সাথে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে সোনিয়া নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক শিশুসহ অটোরিকশাতে থাকা আরো চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার  সকাল ১১টার দিকে আকুয়া বাইপাস মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সোনিয়া ময়মনসিংহের ফুলবাড়ী জোরবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে বাইপাস সড়ক দিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাতে থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে সোনিয়ার ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেয়। পরে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। আহতদের তাৎক্ষণিক পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

ময়মনসিংহে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ৪

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মোলায়েম হোসেন (৪৮) নামে এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।   আজ বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের কালীশংকরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খাঁন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত মোলায়েম হোসেন ভায়না ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি এবং চরমপন্থী দলের সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি কালীশংকরপুর গ্রামের আবুল মণ্ডলের ছেলে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোলায়েম হোসেন পার্শ্ববর্তী আব্দালপুর গ্রাম থেকে দুই বন্ধুর সঙ্গে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হরিশংকরপুর গ্রামের স্কুলের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। মোটরসাইকেল থামানোমাত্রই তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মোনায়েমের স্ত্রী শিল্পী খাতুন বলেন, আমার স্বামী বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। গ্রামের স্কুলের পিছনে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তার সারা শরীরে অন্তত ২০টি কোপের চিহ্ন রয়েছে। তার স্বামী আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও জানান শিল্পী। এদিকে ওসি মাসুম খাঁন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্য মোনায়েম হোসেনকে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা গেছেন। বর্তমানে নিহতের মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ড্রোন হামলায় রক্তাক্ত কলম্বিয়া, নিহত ৩ সেনা

ড্রোন হামলায় কলম্বিয়ায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে গেরিলাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে কর্তৃপক্ষ জানায়, কমপক্ষে দু’জন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন হামলায়। ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (ইএলএন) বিদ্রোহীদের এ হামলার জন্য দায়ী করা হয়েছে। গত শুক্রবার এ হামলা কাতাতুম্বো অঞ্চলে চালানো হয়। ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার নির্দেশে সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। অঞ্চলটির একজন সামরিক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানান, বিস্ফোরকবোঝাই কমপক্ষে ২০টি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়। প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘ইএলএনকে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, তোমরা যত পুলিশ কর্মকর্তা বা সেনাকে হত্যা করবে, রাষ্ট্রের পূর্ণ ও বৈধ শক্তি ততবার তোমাদের ওপর নেমে আসবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোর্হে মোরা শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত, নিরাপত্তা জোরদার, ইএলএন ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা ও এসব হামলার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করতে সামরিক ও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। কলম্বিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার সাথে লড়াই করছে। দে লা এসপ্রিয়েলা এক মাসেরও কম সময় আগে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বোমা হামলা ও স্থল অভিযান জোরদার করেছেন। কলম্বিয়া ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এও যোগ দিয়েছে। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর একটি কার্টেলবিরোধী জোট। এতে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর ও এল সালভাদরও রয়েছে। দে লা এসপ্রিয়েলা আগামী সপ্তাহে ক্যারিবীয় উপকূলীয় শহর বারানকিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্বাগত জানাবেন। সূত্র : বাসস

ড্রোন হামলায় রক্তাক্ত কলম্বিয়া, নিহত ৩ সেনা

ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেসনো শহরে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো দুজন। এএনআই এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সিয়েরা স্কাই পার্ক বিমানবন্দরের কাছে ব্লাইথ এভিনিউ এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ফ্রেসনো ফায়ার বিভাগের বরাত দিয়ে এএনআই নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। ফ্রেসনো ফায়ার বিভাগ জানায়, আহত দুজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে বিমানটি কী কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে সেটি তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফ্রেসনো পুলিশ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় এবং নর্থ সেন্ট্রাল ফায়ার বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দুর্ঘটনার কারণে আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক গ্যাস অ্যান্ড ইলেকট্রিক কম্পানি (পিজিই) ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎবিভ্রাটের মানচিত্র অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়। হতাহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি মার্কিন কর্তৃপক্ষ। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণও জানা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২

কিয়েভে রাশিয়ার টানা ষষ্ঠ দিনের হামলা, নিহত ৯

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার বিমান হামলায় আজ মঙ্গলবার ৯ জন নিহত এবং প্রায় ডজন খানেকের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। কিয়েভে রুশ হামলার এটি টানা ষষ্ঠ দিন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ মহাদেশে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই সংঘাতের অবসানে সমাধান খুঁজতে যখন প্রচেষ্টা চলছে, তখন ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশেই হামলা অব্যাহত রয়েছে। মস্কোর পূর্ণমাত্রার সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই যুদ্ধ শুরু হয়। ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা বিভাগ টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে জানিয়েছে, কিয়েভে আটজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন শিশু। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আগুনও ছড়িয়ে পড়ে। কিয়েভ অঞ্চলের বরিসপিল শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এক আবাসিক ভবন এবং একটি ব্যবসায়িক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর একজন নিহত এবং আরও নয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে বলে টেলিগ্রামে জানিয়েছেন কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো। কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার প্রতিদিনের হামলায় লাখো মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে ইউক্রেনের বেশিরভাগ এলাকায় বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। রাশিয়া ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর পাশাপাশি দেশটির জ্বালানি ও সরবরাহ-লজিস্টিক অবকাঠামোতেও হামলা বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার নতুন করে চালানো এক হামলার কারণে দানিউব নদীর তীরে রোমানিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের ওরলিভকা সীমান্ত পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। রোমানিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদস্য। অন্যদিকে রাশিয়াতেও হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনে এক ড্রোন হামলায় দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি কেন্দ্র উস্ত-লুগার বন্দর এলাকায় আগুন ধরে যায়। একই সময়ে মস্কোতে ড্রোন প্রতিহত করা হচ্ছিল। মস্কো থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সামারা অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় তেল শোধনাগার রয়েছে। সেখানে একটি বিমান হামলায় বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় গভর্নর টেলিগ্রামে জানিয়েছেন। রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশই বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার কথা অস্বীকার করেছে। হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদনগুলো রয়টার্স স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গতকাল সোমবার জানিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে একটি ‘বিস্তারিত ও গঠনমূলক’ ফোনালাপ করেছেন। শান্তি প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে তাদের ইউক্রেন সফরের তারিখ চূড়ান্ত করার জন্য দুই পক্ষ কাজ করছে বলেও জানান তিনি। একই দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেন, মানবতার স্বার্থে যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন। এর জবাবে ক্রেমলিনের নেতা বলেন, মস্কো ‘এই পথে এগিয়ে যাচ্ছে’। এই সংঘাত ন্যাটোর কয়েকটি সদস্য দেশকে, বিশেষ করে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশগুলোকে, নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন-সংক্রান্ত ঘটনা বাড়তে থাকার পর এই পদক্ষেপ আরও জোরদার হয়েছে। বাল্টিক অঞ্চলে ন্যাটোর আকাশসীমা নজরদারি মিশনের অংশ হিসেবে লাটভিয়ায় অল্প সময়ের জন্য যুদ্ধবিমান সক্রিয় করা হয়। একই সময়ে ফিনল্যান্ড রাশিয়ার কাছাকাছি এলাকায় বিমান ও সামুদ্রিক চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী পৃথকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ তথ্য জানিয়েছে। এ সময় রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের আকাশে ড্রোন উড়ছিল। উস্ত-লুগা বন্দর এই লেনিনগ্রাদ অঞ্চলেই অবস্থিত। এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্গুস সাহকনা মঙ্গলবার দেশটির আকাশপথে হামলার হুমকির সতর্কতাও জারি করেছিলেন। তিনি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ন্যাটোকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ন্যাটো ‘দ্রুত এবং ঠিক যেভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল সেভাবেই’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠিয়েছে।

কিয়েভে রাশিয়ার টানা ষষ্ঠ দিনের হামলা, নিহত ৯

তিব্বতে ভূমিধস-বন্যায় ৩ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৫৫৮

তিব্বতে তিনজন নিহত হয়েছেন হিমালয় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায়। ৫৫৮ জন নিখোঁজ। এমন তথ্য জানিয়েছে বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া। অপরদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেপালে নিখোঁজ হয়েছেন তাদের ১০০ নাগরিক।‘শিজাং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল’ নামে চীনে তিব্বত পরিচিত। সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানকার একটি বন্দরে ভূমিধসের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত তিনজন নিহতের তথ্য জানা গেছে। নিখোঁজ ৫৫৮ জনের মধ্যে দুজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা স্থানীয় একটি গ্রামের বাসিন্দা।এএফপি জানিয়েছে, বুধবারের ওই বন্যায় তিব্বতের বাণিজ্যকেন্দ্র গিরংয়ে কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত ভবনগুলোর ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ২৬০ জন বিদেশিসহ ৫৫৮ জন নিখোঁজ হন।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে পর্যটক ও তীর্থযাত্রী আছেন। উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান চলছে। নিখোঁজের তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।এ সময় লিন আরও জানান, দুর্যোগকবলিত নেপালের অংশে নিখোঁজ চীনা নাগরিকের সংখ্যা প্রায় ১০০ জন। কাঠমান্ডুর কর্তৃপক্ষের কাছে আরও যাচাইকৃত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

তিব্বতে ভূমিধস-বন্যায় ৩ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৫৫৮

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৫, ৩৮৪ পর্যটক নিখোঁজ

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলে সংঘটিত ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আরও ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।বুধবার (২৬ আগস্ট) নেমে আসা এ বন্যায় নেপালের রসুয়া, নুয়াকোট ও ধাদিং জেলার বিভিন্ন এলাকা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। পানির প্রবল স্রোতে রাস্তাঘাট, সেতু, বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বহু স্থাপনা ভেসে গেছে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের দেওয়া তথ্যমতে, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটকের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক এবং ৯৩ জন নেপালি। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় এবং ১২ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক বলে চিহ্নিত করা গেছে।ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভোতেকোশি নদীর পানি আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়। সীমান্তঘেঁষা তিব্বত অঞ্চল থেকে প্রবল বেগে নেমে আসা পানির ঢল এ বন্যার তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া রসুয়া জেলায় নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ সদস্য এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ৭ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার তৎপরতায় নেমেছে নেপাল সেনাবাহিনী। দুর্গত এলাকাগুলোতে হেলিকপ্টার ও বিশেষ উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন একই সাথে উদ্ধার অভিযান ও ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিজন ভক্ত কায়স্থকে উদ্ধৃত করে জানানো হয়, প্রাথমিক তদন্তের ধারণা অনুযায়ী একটি বরফধসের ফলে লেন্দে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সৃষ্ট পানির তীব্র চাপের কারণে লেন্দে নদীর উপনদী ভোতেকোশিতে এই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়।চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, নেপাল সীমান্তবর্তী তিব্বত অঞ্চলেও বড় ধরনের ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে জিরং বন্দর ও শিগাতসে এলাকায় সড়ক যোগাযোগ, টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল দেশের পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, একটি ভূকম্পনের কারণে পাহাড় বা তুষারধসের সূচনা হতে পারে, যা পরবর্তীতে এই আকস্মিক বন্যার রূপ নেয়। নেপাল ও চীন—উভয় দেশের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, দুর্গম এলাকায় উদ্ধার কাজ অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৫, ৩৮৪ পর্যটক নিখোঁজ

এক ঢলে নিখোঁজ প্রায় ৪০০, শোকে স্তব্ধ নেপালের রসুয়া

আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪০০ জন। নিখোঁজদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকসহ ১০৫ জন অন্তত ২৯১ জন বিদেশি ও ৯৩ জন নেপালি নাগরিক রয়েছেন। আজ বুধবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরাঞ্চলীয় রসুয়া জেলায় ভোরের দিকে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নেপাল পর্যটন বোর্ড জানায়, এলাকায় ভ্রমণরত পর্যটক ও স্থানীয়দের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। পর্যটন বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, নিখোঁজ ২৯১ জন বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় রয়েছেন—১০৫ জন ভারতীয়, ৩৭ জন প্রবাসী ভারতীয় (এনআরআই), ১৭ জন মালয়েশিয়ান, ১২ জন ব্রিটিশ, ৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ৩ জন আমেরিকান, ১ জন অস্ট্রেলিয়ান, ১ জন ডাচ নাগরিক এবং আরও ১১১ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক, যাঁদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। পরবর্তীতে ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই ঘটনায় নেপালের পাশাপাশি সংলগ্ন চীন অংশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং উভয় দেশ যৌথভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে নেপালের ২৬ জন পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের একাধিক কর্মকর্তাও নিখোঁজ রয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে রসুয়া ও নুয়াকোট জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়ে গেছে অবকাঠামো, সড়ক যোগাযোগ, সেতু, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা। উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এক ঢলে নিখোঁজ প্রায় ৪০০, শোকে স্তব্ধ নেপালের রসুয়া

বিমান হামলায় মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে নিহত ১৪

সামরিক বাহিনী মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের মিয়াউং শহরে একটি বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলা চালিয়েছে।  এতে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন।  স্থানীয় উদ্ধারকর্মী ও বিরোধী যোদ্ধারা জানিয়েছেন নিহতরা সবাই বয়স্ক নাগরিক বলে। বিহারটিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বর্ষাবাস উপলক্ষে ধ্যানের আয়োজন চলছিল। এ সময় সেখানে জড়ো হওয়া লোকজনের ওপর বিমান হামলা চালানো হয়। বিবিসি বলছে, দুই দফা বিমান হামলা চালানো হয়  স্থাপনাটিতে বলে স্থানীয় এক উদ্ধারকর্মী বিবিসি বার্মিজকে জানিয়েছেন। বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাগাইং অঞ্চলের মিয়াউং শহরে গত শুক্রবার হামলাটি চালানো হয়। মান্দালয় শহর থেকে  প্রায় ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে এলাকাটি। ওই বিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বর্ষাবাস উপলক্ষে ধ্যানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বেসামরিক লোকজন জড়ো হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। তবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী হামলার বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি। গণতন্ত্রপন্থি বিদ্রোহী নুয়ে উ মিয়াউং এএফপিকে জানান, নিহতদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। তাদের মধ্যে পাঁচজন একই গ্রামের বাসিন্দা। বাকি ৯ জন পাশের একটি শহরের বাসিন্দা। নুয়ে উ মিয়াউং বলেন, ‘বয়স্ক লোকজন ধ্যানকেন্দ্রগুলোতে গিয়েছিলেন’। নিহতদের বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে বলেও জানান তিনি। নাম প্রকাশ না করা আরেক বিরোধী যোদ্ধা জানান, হামলার পর জীবিতদের উদ্ধারে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন মানুষকে উদ্ধারের চেষ্টা করছিলাম, তখন বিমানটি আবার এসে দ্বিতীয় দফায় বোমা হামলা চালায়।’

বিমান হামলায় মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে নিহত ১৪

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৪ জন এবং এখনও ৪৯৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল বুধবার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েয়া এই তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে, ভূমিকম্পের পর প্রায় চাঁর দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান চলছে।। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটির পর বুধবার উদ্ধার অভিযান ৭২ ঘণ্টার গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমার কাছাকাছি পৌঁছায়। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের উদ্ধারের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ওই সময়সীমা পেরিয়েও জীবিতদের উদ্ধারের নজির রয়েছে। কালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের গতকাল বুধবার বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করছি। এর অর্থ এই নয় যে এরপর আর কোনো জীবিত মানুষকে পাওয়া যাবে না, তবে তখন তা আরও কঠিন হয়ে যাবে।’ ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি চলতি শতাব্দীতে কলম্বিয়ায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে ৯ হাজার ৫৫০ টির বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। কফি উৎপাদন অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পেরেইরা শহরে ৮৩ জন এবং দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পেরেইরায় উদ্ধারকারীরা একটি ধসে পড়া বেকারির ধ্বংসস্তূপে অভিযান চালাচ্ছেন। সেখানে সোমবারের ভূমিকম্পের পর আটকে পড়া এক রাস্তার বিক্রেতা এখনও জীবিত থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কম্পন শনাক্ত করতে সক্ষম বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে সম্ভাব্য প্রাণের সংকেত পেয়েছেন। এতে আটকে থাকা পাবলো লোয়াইজার স্বজনেরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁর ১৬ বছর বয়সী ভাতিজি সারা লোয়াইজা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘তারা আমাদের বলছে, এটা হয়তো তিনিই। আমার হৃদয় যেন বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসছে।’ স্বজনেরা জানান, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা ব্যক্তিকে দুবার, এরপর তিনবার শব্দ করার অনুরোধ করলে তিনি সাড়া দিয়েছেন বলে মনে হয়েছে। কালিতে উদ্ধারকারীরা তৃতীয় রাতেও ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবনের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তারা খালি হাত, ক্রেন ও প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করছেন। শব্দ শনাক্ত করার জন্য নিয়মিত কাজ থামিয়ে পুরো এলাকা নীরবও করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকর্মী জোহানা সানচেজ এএফপিকে বলেন, ‘প্রতি আধা ঘণ্টায় আমরা সবাইকে চুপ থাকতে বলি, যাতে জীবিত মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় কি না, তা শোনা যায়। এখন পর্যন্ত তিনজনকে জীবিত এবং তিনজনকে মৃত অবস্থায় বের করে আনা হয়েছে।’ কালির দক্ষিণাঞ্চলের তোরেস দেল লিমোনার আবাসিক কমপ্লেক্সে বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপ সরাতে হাতে হাতে মালামাল পৌঁছে দেওয়ার মানবশৃঙ্খল তৈরি করেছেন। সৈন্য, মেয়রের কার্যালয়ের কর্মী ও অন্যরা ধ্বংসস্তূপের স্তূপ থেকে একে অপরের হাতে তা তুলে দিচ্ছেন।

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি চালালে মোহাম্মদ তারা মিয়া (২০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।শনিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তসংলগ্ন ভারতের মাগুরুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মদা ইউনিয়নের মুরইছড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে তারা মিয়াসহ কয়েকজন বাংলাদেশি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফের একটি টহল দলের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে তারা মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন।তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান বলে বিজিবি জানিয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, তারা মিয়াসহ কয়েকজন যুবক ভারতীয় ‘নাসিরপাতার’ বিড়ি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সীমান্তের প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে মাগুরুলী এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানেই বিএসএফের গুলির ঘটনা ঘটে।বিজিবি-৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, রাতে সীমান্ত এলাকায় গুলির শব্দ শোনার পর বিজিবি দ্রুত বিএসএফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি।

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

সিরাজগঞ্জের বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুইজন নিহত

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নলকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন।শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা ওভারপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন বাসচালক রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি যাত্রীবাহী বাস শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার নলকা ওভারপাসের নিচ দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাক নলকা ওভারপাসে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সংঘর্ষে বাসচালকসহ দুইজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় বাসের আরও অন্তত আট যাত্রী আহত হন।দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে নিহতদের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।যমুনা সেতু পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রঞ্জন দেবনাথ বলেন, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নলকা ওভারপাসের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় সিরাজগঞ্জ শহর থেকে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাক ওভারপাসে ওঠার সময় বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসচালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।তিনি আরও জানান, নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জের বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুইজন নিহত

হিমাচলে বাস খাদে পড়ে নিহত ৮, আহত ১০

ভারতের হিমাচল প্রদেশের চাম্বা জেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস সড়ক থেকে নিচের আরেকটি সড়কে পড়ে উল্টে গেছে। এতে অন্তত ৮ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাসটির চালক ও কন্ডাক্টরও রয়েছেন। খবর এনডিটিভির।শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে বৈরাগড়-তিসা সড়কের দেবীকোঠি এলাকার চালুঞ্জ মোড়ের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।কর্মকর্তারা জানান, শর্মা বাস সার্ভিসের বাসটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বৈরাগড় থেকে চাম্বার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় তিন কিলোমিটার যাওয়ার পর বাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ১৮ জন যাত্রী ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি প্রথমে সড়কের ওপর উল্টে যায়। পরে সেটি নিচের আরেকটি সড়কে গিয়ে পড়ে। এতে কয়েকজন যাত্রী বাসের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন।যাত্রীদের চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), পুলিশ, হোমগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও রাজস্ব বিভাগের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।আহত ১০ জনের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চাম্বার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।চাম্বা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

হিমাচলে বাস খাদে পড়ে নিহত ৮, আহত ১০
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream