মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যকে সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনার অনুরোধ বিপিএসএর

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যকে সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনার অনুরোধ বিপিএসএর

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের দেওয়া বক্তব্যের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএসএ)। বিবৃতিতে আইজিপির বক্তব্যকে পুলিশের সক্ষমতা সুদৃঢ় করতে একটি সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করার অনুরোধ জানানো হয়। বিবৃতিতে বিপিএসএ বলেছে, আইজিপির বক্তব্যকে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্যের মূল তাৎপর্য হলো আইনের সীমার মধ্যে থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন স্বাক্ষরিত এই বিবৃতি আজ গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। গতকাল সোমবার এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, ‘যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে, আমরা সেটাই করব।’ একই অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অর্থ না পেয়ে পুলিশের সমালোচনা করার অভিযোগও তোলেন। এই বক্তব্যের পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন আইজিপি। আজকে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’ এমন পরিস্থিতিতে বিপিএসএর দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি দেশের পরিবর্তিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব কালচার এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের আইন প্রয়োগে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। পুলিশের আইনানুগ কঠোরতাকে একদিকে নেতিবাচকভাবে দেখা এবং অপর দিকে অপরাধ দমনে নিষ্ক্রিয়তাকে দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের ওপর হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ৪ জন সদস্য নিহত এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ বাস্তবতা পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা ও তাঁদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে। তাই পুলিশ সদস্যদের এমন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি, যেখানে তাঁরা আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে নির্ভয়ে, নিরপেক্ষভাবে এবং পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। পুলিশ দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সর্বদা অবিচল ও অঙ্গীকারবদ্ধ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, অপরাধ দমনে পুলিশ যদি তার আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হয়, তবে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে। এতে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আইজিপির বক্তব্যকে তাই জননিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করার একটি সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এদিকে আইজিপির বক্তব্যকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে বিপজ্জনক বার্তা হিসেবে দেখছে মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠনগুলো। বক্তব্য প্রত্যাহার, সরকারের ব্যাখ্যা এবং আইজিপির জবাবদিহি দাবি করেছে তারা। নিন্দা জানিয়েছে কয়েকটি রাজনৈতিক দলও। সাংবাদিকদের সম্পর্কে বলা বক্তব্যের প্রতিবাদও জানিয়েছে সাংবাদিক সংগঠনগুলো। সমালোচনার মুখে গতকাল রাতে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয় পুলিশ সদর দপ্তর। ব্যাখ্যায় বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে গিয়ে তিনি ক্রসফায়ার শব্দটি আক্ষরিক অর্থে উল্লেখ করেছেন। পরে আবার এই ব্যাখ্যা সংশোধন করে ‘আক্ষরিক’ শব্দের পরিবর্তে ‘রূপক’ অর্থে ব্যবহার করার কথা বলা হয়। সাংবাদিকদের সম্পর্কে করা মন্তব্যের বিষয়ে বলা হয়, ‘তিনি সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনো মন্তব্য করতে চাননি, এটি অসাবধানতাবশত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী ফিরলে আইজিপির ক্রসফায়ার বক্তব্য নিয়ে সিদ্ধান্ত

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জাপান সফর শেষে দেশে ফেরার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে উপদেষ্টা জানান, আইজিপি ইতোমধ্যে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।উপদেষ্টা জানান, গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) আইজিপির বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বা বিচারপ্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়াকে বোঝাননি।পরে পুলিশ সদর দপ্তর আরেকটি বিবৃতি দিয়ে আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা সংশোধন করে। এতে বলা হয়, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার বোঝাতেই আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার করেছিলেন। তবে এর মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যা বা বিচারপ্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার কথা বোঝানো হয়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। উপদেষ্টা বলেন, আইজিপি আসলে তার বক্তব্যে যেটা বোঝাতে চেয়েছেন, সে বিষয়টি মিস কমিউনিকেশন হয়েছে। তিনি এটা ওন করেন না। তিনি বিষয়টার ক্ল্যারিফিকেশন দিয়েছেন।  এসময় ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আইজিপির ব্যাপারে যদি অন্য সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর বিবেচনা করবেন।’ দিনের শুরুর দিকে ঢাকায় একটি ব্যাংকের শাখা উদ্বোধনে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘প্রয়োজনে সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতে পুলিশ দ্বিধা করবে না।’ গণমাধ্যমে আসার পর তার এই মন্তব্য ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, 'তার জানাজা ও দাফন ঘিরে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড দুঃখজনক। একজনের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ কারও পছন্দ হয়নি।' ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ তুলে গতকাল রংপুরে এক যুবকের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা নিয়েও উপদেষ্টা কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে চরমপন্থীরা গায়ের জোর দেখাচ্ছে। তবে এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে এই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়লে যে কারও বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে জাহেদ বলেন, 'ভারত থেকে তার এভাবে অনলাইনে ভাষণ দেওয়ার বিষয়টিতে বাংলাদেশ অসন্তুষ্ট। তার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান অপরিবর্তিত।' বিরোধী দলকে সংবিধান সংস্কার কমিটিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের যে বিষয়গুলোতে ভিন্নমত বা আপত্তি রেকর্ড করা হয়েছিল, সরকার সেগুলোর ওপরও কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী ফিরলে আইজিপির ক্রসফায়ার বক্তব্য নিয়ে সিদ্ধান্ত

আইজিপিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হাসনাত আবদুল্লাহর

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনগণের কাছে ক্ষমা চান—এমন দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মুগদায় এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আইজিপিকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।তিনি আরও বলেন, আইজিপি বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে ধরে নিতে হবে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। আর তারেক রহমানের নির্দেশে এমন বক্তব্য না দিয়ে থাকলে, আইজিপিকে অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে হবে। হাসনাতের অভিযোগ, আইজিপির মন্তব্যে পুরো পুলিশ বাহিনীকে অপমান করা হয়েছে। পুলিশ জনগণের বাহিনী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলেও আইজিপি বাহিনীটিকে আবার লাঠিবাহিনী, ক্রসফায়ারের বাহিনী ও চাঁদাবাজদের বাহিনীতে পরিণত করতে চাইছেন। পুলিশের নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রিয় পুলিশ ভাই-বোনেরা, আপনাদের অনুরোধ করব—এই আইজিপির কথা আপনাদের শোনার দরকার নেই। এই আইজিপি আসবে-যাবে। নিম্নপদস্থ পুলিশ সদস্যদের ব্যবহার করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেন। তাদের রক্ত ও পোশাক বিক্রি করে কর্মকর্তারা বিদেশে বাড়িঘর তৈরি করেন। আমরা আহ্বান জানাব, আপনারা এই আইজিপির স্বার্থের বলি হবেন না এবং কোনো অবৈধ আদেশ মানবেন না। জনগণ যখন ঘুরে দাঁড়ায়, তখন লাঠি বা বারুদ দিয়ে জনতা ঠেকানো যায় না। সমাবেশে আইজিপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগও তোলেন এনসিপির এই নেতা। তার দাবি, আইজিপির অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে বক্তব্যে কোনো দাপ্তরিক প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হাসনাত বলেন, এ কেমন বাংলাদেশে এসে আমরা পড়লাম? যেখানে জনগণের ভয়, কোনো নিরাপত্তা নেই। পুলিশের নিরাপত্তা নেই, মন্ত্রীর নিরাপত্তা নেই। এটা আবার কেমন বাংলাদেশ, যেখানে মন্ত্রীরাও অস্ত্র নিয়ে বের হন, চাঁদাবাজরা অস্ত্র নিয়ে বের হয়, ডাকাতরা অস্ত্র নিয়ে বের হয়? প্রশ্ন আসে—চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরাই কি মন্ত্রী হয়েছে, নাকি মন্ত্রীরা সন্ত্রাসী হয়েছে? জনগণ আজ বিভ্রান্ত। রাত ৯টার পর ঢাকা শহরে কেউ আর বের হতে সাহস পায় না। বের হলে জামাকাপড় খুলে রেখে দেওয়া হয়। খুলনায় নিরাপত্তার অভাবে পুলিশও বের হতে ভয় পায়। রাজনীতিতে পারিবারিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির সমালোচনা করে হাসনাত বলেন, কোনো ব্যক্তি মন্ত্রী হলে তার পরিবারের সদস্যদের ব্যবসা, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি পাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। মন্ত্রীদের সন্তানদের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার বক্তব্য, মন্ত্রীরা যদি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ওপর আস্থা না রাখেন, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা কীভাবে তৈরি হবে? একইভাবে দেশের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবার প্রতি তাদের আস্থার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে মুগদার বাসিন্দাদের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পক্ষে সমর্থন চান। তার দাবি, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারবেন। এ সময় তিনি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জনতার প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগও তোলেন। বিএনপির অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার সমালোচনা করে হাসনাত বলেন, ২০০৬ সালে বিচারপতিদের অবসরের বয়স বাড়িয়ে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ বাংলাদেশকে দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছিল। এর দায় বিএনপির ওপর বর্তায় বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালে বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা ছাড়তে পারেনি এবং তাদের শাসনামলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন এনসিপির এই নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, সালাহউদ্দিনের পরামর্শে আবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেখানে স্পিকারকে প্রধান করার প্রস্তাব রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বক্তব্যের পক্ষে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেননি তিনি।

আইজিপিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হাসনাত আবদুল্লাহর
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream