রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

যুক্তরাজ্যে ফিরতেই প্রিন্স হ্যারি-মেগানকে খোঁচা ট্রাম্পের



যুক্তরাজ্যে ফিরতেই প্রিন্স হ্যারি-মেগানকে খোঁচা ট্রাম্পের
যুক্তরাজ্যে ফিরতেই প্রিন্স হ্যারি-মেগানকে খোঁচা ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুশি’ হয়েছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে আবারও যুক্তরাজ্যে ফিরে যাওয়ায়। সেই সঙ্গে তিনি একরোখা মন্তব্য করে জানান, তিনি নিজে যদি ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হতেন, তবে তাদের কখনোই আর ফিরিয়ে নিতেন না। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্প এসব কথা বলেন। 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ছয় বছর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকার পর সম্প্রতি হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান, ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স, ব্রিটেন ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আগস্টের শেষে তারা ব্রিটেনে পৌঁছান। এর আগে ২০২০ সালে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে হ্যারি ও মেগান যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতে খুশি। আমি তাদের ভক্ত ছিলাম না।’ তিনি জানান, রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি হ্যারি ও মেগান ‘ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ’ করেছেন বলে তার মনে হয়েছে। 

প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রাজা চার্লস বর্তমানে ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মেগানের আচরণ নিয়েও সরাসরি সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি তার আচরণ পছন্দ করিনি। আমার মনে হয়েছে, সে ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ করেছে।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি যদি রাজপরিবারের সদস্য হতাম, তাহলে তাদের ফিরিয়ে নিতাম না।’

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে হ্যারি রাজপরিবারের বিরুদ্ধে তাদের অবহেলার অভিযোগ করেছিলেন। মেগানও অভিযোগ করেছিলেন, তাদের সন্তান জন্মের আগে রাজপরিবারের মধ্যে শিশুটির গায়ের রং কতটা কালো হতে পারে, তা নিয়ে ‘উদ্বেগ ও আলোচনা’ হয়েছিল।

হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম অবশ্য এসব অভিযোগের পর রাজপরিবারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা বর্ণবাদী নই।’

হ্যারি আরও বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত নজরদারি এবং তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ব্রিটিশ সরকারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকাও যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার অন্যতম কারণ। ব্রিটেনে ফিরে হ্যারি ও মেগান আপাতত রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত মাসে তাদের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য লন্ডনের বাইরে কোনো এলাকায় থাকার পরিকল্পনা করছেন তারা। তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি এবং প্রিন্সেস লিলিবেট ব্রিটেনেই স্কুলে পড়বে।

কেন হ্যারি-মেগান আবার ব্রিটেনে ফিরলেন, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে হ্যারি আগে জানিয়েছিলেন, তিনি চান তার সন্তানরা ব্রিটেনে আরও বেশি সময় কাটাক।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি

বিষয় : ডোনাল্ড ট্রাম্প হ্যারি-মেগান

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


যুক্তরাজ্যে ফিরতেই প্রিন্স হ্যারি-মেগানকে খোঁচা ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুশি’ হয়েছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে আবারও যুক্তরাজ্যে ফিরে যাওয়ায়। সেই সঙ্গে তিনি একরোখা মন্তব্য করে জানান, তিনি নিজে যদি ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হতেন, তবে তাদের কখনোই আর ফিরিয়ে নিতেন না। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্প এসব কথা বলেন। 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ছয় বছর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকার পর সম্প্রতি হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান, ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স, ব্রিটেন ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আগস্টের শেষে তারা ব্রিটেনে পৌঁছান। এর আগে ২০২০ সালে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে হ্যারি ও মেগান যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতে খুশি। আমি তাদের ভক্ত ছিলাম না।’ তিনি জানান, রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি হ্যারি ও মেগান ‘ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ’ করেছেন বলে তার মনে হয়েছে। 

প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রাজা চার্লস বর্তমানে ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মেগানের আচরণ নিয়েও সরাসরি সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি তার আচরণ পছন্দ করিনি। আমার মনে হয়েছে, সে ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ করেছে।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি যদি রাজপরিবারের সদস্য হতাম, তাহলে তাদের ফিরিয়ে নিতাম না।’

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে হ্যারি রাজপরিবারের বিরুদ্ধে তাদের অবহেলার অভিযোগ করেছিলেন। মেগানও অভিযোগ করেছিলেন, তাদের সন্তান জন্মের আগে রাজপরিবারের মধ্যে শিশুটির গায়ের রং কতটা কালো হতে পারে, তা নিয়ে ‘উদ্বেগ ও আলোচনা’ হয়েছিল।

হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম অবশ্য এসব অভিযোগের পর রাজপরিবারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা বর্ণবাদী নই।’

হ্যারি আরও বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত নজরদারি এবং তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ব্রিটিশ সরকারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকাও যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার অন্যতম কারণ। ব্রিটেনে ফিরে হ্যারি ও মেগান আপাতত রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত মাসে তাদের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য লন্ডনের বাইরে কোনো এলাকায় থাকার পরিকল্পনা করছেন তারা। তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি এবং প্রিন্সেস লিলিবেট ব্রিটেনেই স্কুলে পড়বে।

কেন হ্যারি-মেগান আবার ব্রিটেনে ফিরলেন, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে হ্যারি আগে জানিয়েছিলেন, তিনি চান তার সন্তানরা ব্রিটেনে আরও বেশি সময় কাটাক।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream