শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার দ্রুত শুনানির জন্য আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার দ্রুত শুনানির জন্য আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

রাজধানীর পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার দ্রুত শুনানি চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া আট আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিষয়ে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয় এবং ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ডের সাজা পরিবর্তন করা হয়। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদার। মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু। অন্যদিকে মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিচারিক আদালতের দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা থেকে খালাস পান এএইচএম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা। তবে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না করায় বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য ১১ আসামির সাজা বহাল থাকে। তারা হলেন খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন। ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮-দলীয় জোটের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলায় ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক আট আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা তাদের সাজা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেন।

রাতের নিরাপত্তায় সুপ্রিম কোর্টে নতুন নির্দেশনা

রাতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে অপ্রত্যাশিত ব্যক্তিদের প্রবেশ ঠেকাতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে আবশ্যিকভাবে পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্টার মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট দেশের বিচার অঙ্গনের সর্বোচ্চ স্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন ভবনের কোর্ট রুমে বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকেন। ফলে প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগণ, মামলা পরিচালনায় নিয়োজিত আইনজীবীগণের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ইতোপূর্বে  সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রবেশকালে স্ব স্ব পরিচয়পত্র বহনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় রাতে অপ্রত্যাশিত ব্যক্তিবর্গ প্রবেশ করছেন, যা নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাত ১১ থেকে সকাল ৬ টার মধ্যে  সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে স্ব স্ব পরিচয়পত্র সাথে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে এই সময়ে কেউ সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় প্রবেশ করলে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা বা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এনআইডি কার্ড বা অফিসিয়াল পরিচয়পত্র প্রদর্শন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

রাতের নিরাপত্তায় সুপ্রিম কোর্টে নতুন নির্দেশনা

ডাকভোট নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনায় সুপ্রিম কোর্টের বাধা

আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ সীমিত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া উদ্যোগে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বড় ধাক্কা দিয়েছেন। বিতর্কিত এ পরিকল্পনা স্থগিত রাখার আদেশ প্রত্যাহারে ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এ রায়ে সুপ্রিম কোর্টের নয় সদস্যের বেঞ্চের ছয় রক্ষণশীল বিচারপতির মধ্যে দুজন ভিন্নমত পোষণ করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে একমত হয়ে দেওয়া পৃথক রায়ে বিচারপতি ব্রেট কাভানা বলেন, দীর্ঘ মেয়াদে ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি আইনসম্মত হতে পারে। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তা বাস্তবায়নের জন্য অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পর্যাপ্ত সময় নেই। ইতোমধ্যে নর্থ ক্যারোলাইনাসহ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটারদের ডাকযোগে ভোট দেওয়ার জন্য ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে। ফলে নির্বাচনের ঠিক আগে ডাকযোগে ভোটের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন আনলে তা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। গত মার্চে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ সীমিত করতে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। সে সময় কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই তিনি ডাকযোগে ভোটে জালিয়াতির ঝুঁকি রয়েছে বলে দাবি করেন। আদেশটি জারির পরপরই এর বিরুদ্ধে একাধিক আইনি চ্যালেঞ্জ আসে। ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কয়েকটি অঙ্গরাজ্য ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে। তাদের যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাপক নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে রয়েছে, ফেডারেল সরকারের হাতে নয়। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোটের বিধিনিষেধ কার্যকর করার ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চলমান আইনি লড়াইয়ে সুপ্রিম কোর্টের এ সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: এএফপি

ডাকভোট নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনায় সুপ্রিম কোর্টের বাধা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream