শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের সহযোগিতা চাইলেন রুনির ভাই

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের সহযোগিতা চাইলেন রুনির ভাই

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে আবেদন করেছেন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান। আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আবেদনটি জমা দেন তিনি। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, পিবিআই মামলাটির তদন্ত করছে। ট্রাইব্যুনালের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে যদি সাগর-রুনি হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায় তবে অবশ্যই তা পিবিআইকে দিয়ে সহযোগিতা করা হবে। তবে ট্রাইব্যুনালের আইনে তদন্ত সংস্থা বা প্রসিকিউশন এই মামলা তদন্ত করতে পারে না। অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সাগর রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাবেক একজন সেনা কর্মকর্তা ও একজন নাট্যকর্মীর কথোপকথন পেয়েছেন বলেও জানান তিনি। জুলাই আগস্টের ঘটনায় চট্টগ্রামের একটি মামলায় সাক্ষীদের ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এসব করে ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি। পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। চার দিন পর তদন্তভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন র‍্যাবের তদন্তেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরে হাইকোর্ট মামলাটির তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে দিয়ে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। টাস্কফোর্সকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। এরপর ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। পিবিআইয়ের প্রধানকে ওই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ থাকলেও পিবিআই তা দাখিল করতে পারেনি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করে দিয়েছেন। এ পর্যন্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯ বার পিছিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় টাস্কফোর্সকে বেশ কয়েক দফায় সময় দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট এই টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন।

জুলাই হত্যা মামলা ঘিরে কাঠগড়ায় ৩ সাংবাদিক

সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে আন্দোলনবিরোধী বক্তব্য ও প্রচারণার মাধ্যমে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে আসামি করা হচ্ছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ২৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির করতে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত টকশো বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। এ ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে এরই মধ্যে এই তিন সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাই।শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করে আগামী ২৪ আগস্ট হাজিরের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

জুলাই হত্যা মামলা ঘিরে কাঠগড়ায় ৩ সাংবাদিক
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream