সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
একক মঞ্চে বাপ্পা মজুমদার, অপেক্ষায় শ্রোতারা

একক মঞ্চে বাপ্পা মজুমদার, অপেক্ষায় শ্রোতারা

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা গানের নন্দিত এক শিল্পী বাপ্পা মজুমদার সুর-গায়কীর ইন্দ্রজালে মুগ্ধ করে রেখেছেন শ্রোতাদের। দীর্ঘ ক্যারিয়ার হলেও একক কনসার্ট করেছেন খুব কম। ২০২২ সালে প্রথমবার একক কনসার্ট করেন, এরপর ২০২৪-এর ফেব্রুয়ারিতে করেন দ্বিতীয় শো। গত বছরের জুলাইতেও একটি একক শো করেছেন বাপ্পা। তবে সেটি ছিল ছোট পরিসরে। প্রায় আড়াই বছর পর ফের বড় পরিসরে একক কনসার্ট নিয়ে আসছেন বাপ্পা মজুমদার। ‘মুনলাইট মেলোডিজ’ শীর্ষক এই কনসার্ট হবে ৯ অক্টোবর, রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে। গতকাল (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছেন শিল্পী নিজেই। পোস্টার প্রকাশ করে ভক্তদের জানিয়েছেন, তারিখটি মনে রাখতে। জানা গেছে, কনসার্টটির আয়োজন করছে ম্যাভিক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তবে এই কনসার্টের টিকিট বিক্রি এখনো শুরু হয়নি। শিগগিরই তা শুরু হবে, তখনই জানা যাবে টিকিটের মূল্য এবং অন্যান্য নিয়ম-শর্ত। অবশ্য বাপ্পা মজুমদার একক শো করবেন, এ খবর শুনেই তার ভক্তরা উচ্ছ্বসিত। অনেকেই তার ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। কনসার্টে উপস্থিত থাকার কথা বলছেন। উল্লেখ্য, ক্যারিয়ারের তিন দশক পেরিয়ে এখনো নিয়মিত গান করে যাচ্ছেন বাপ্পা মজুমদার। নতুন গান যেমন প্রকাশ করে চলেছেন, তেমনি কনসার্ট আর নানা ইনস্ট্রুমেন্টাল দিয়েও শ্রোতাদের সঙ্গে সখ্য বজায় রাখছেন শিল্পী।

‘যখনই মঞ্চে দাঁড়াই, মনে হয় সবাই আগেরই শ্রোতা': জেমস

আজ এত বছর পরও সমানতালে মঞ্চ মাতিয়ে যাচ্ছেন জেমস। দেশের জনপ্রিয় সংগীত তারকা জেমস। কালের পরিক্রমায় ব্যান্ড নগরবাউল দিয়ে শুরু করে তিনি হয়ে ওঠেন ভক্তদের প্রিয় ‘গুরু’।  ইউরোপে তিনি সংগীত সফরে রয়েছেন প্রায় দুই মাস ধরে। পর্তুগাল, ইংল্যান্ড, সাইপ্রাস ও ইতালি ঘুরে জেমস এখন অবস্থান করছেন সুইডেনে। জেমস ৬ সেপ্টেম্বর সুইডেনের প্রবাসীদের গান শোনাবেন।  এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গানটাই গেয়ে যেতে চান। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্যও দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু বার্তা। আশির দশকের শুরুর দিকে চট্টগ্রামে ফিলিংস ব্যান্ডের গিটারিস্ট ও ভোকাল হিসেবে সংগীতে পথচলা শুরু জেমসের। ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয় ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম ‘স্টেশন রোড’। সেই থেকে সুরের জাদুতে মাত করে রেখেছেন কয়েকটি প্রজন্মকে। সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গ উঠতেই জেমসের স্বভাবসুলভ উত্তর, ‘যখনই মঞ্চে দাঁড়াই, মনে হয় সবাই আগেরই শ্রোতা।  এর মধ্যে যে সময় বয়ে যাচ্ছে, জেনারেশন চেঞ্জ হচ্ছে—এটা খেয়ালই করিনি। এখন মনে হয় অনেকগুলো জেনারেশনকে হয়তো গান শোনাতে পারছি।’ জেমস জানান, কোনো কিছু পাওয়ার আশায় তিনি গান করেননি। গেয়েছেন কেবল ভালোবেসে, নিজের আবেগ ও প্যাশন থেকে। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের প্রতিও তার একই পরামর্শ—কোনো কিছু পাওয়ার আশা নিয়ে সংগীতে না আসার। জেমস বলেন, ‘কোনো কিছু পাওয়ার জন্য সংগীত করার কোনো মানে হয় না। গান করতে হবে একদম প্যাশন থেকে, নেশা থেকে। কোনো প্রাপ্তির আশায় যদি কেউ মিউজিক করে, তবে আমি বলব—এখনই বন্ধ করে দাও। আমি মনে করি, কোনো কিছু পাওয়ার জন্য মিউজিক করা ঠিক না। মিউজিক করতে হবে নিজের প্রশান্তির জন্য। এর মাধ্যমে যদি কিছু অর্জন হয়, সেটা ভিন্ন কথা। আজ যদি আমি কোনো কিছু নাও পেতাম, তাহলেও গানই করে যেতাম।’ জেমস বলেন, ‘সংগীত নিয়ে আলাদা কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই। গান গেয়ে যাব, শেষ পর্যন্ত গাইতেই চাই। এমনকি শেষে গিয়ে যদি দেখি মাত্র একজন দর্শকও আছে, আমি তার জন্যও গান গেয়ে যাব।’ সুইডেনের কনসার্ট দিয়েই শেষ হবে জেমসের দীর্ঘ ইউরোপ সফর। এরপর তিনি উড়াল দেবেন অস্ট্রেলিয়া। সেখানে ১২ সেপ্টেম্বর নিউ সাউথ ওয়েলসে আয়োজিত একটি বিশেষ কনসার্টে জেমসের পাশাপাশি এক মঞ্চে গাইবেন পশ্চিমবঙ্গের ফসিলস ব্যান্ডের রূপম ইসলাম।  

‘যখনই মঞ্চে দাঁড়াই, মনে হয় সবাই আগেরই শ্রোতা': জেমস

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় আটকে পড়েছেন সঙ্গীতশিল্পী তাসরিফ খান

নেপালে ভয়াবহ বন্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সংগীতশিল্পী তাসরিফ খানের ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। দেশটির উত্তরাঞ্চলে তিব্বত-চীন সীমান্তসংলগ্ন রাসুয়া জেলায় ফ্ল্যাশ ফ্লাডের মধ্যে তাসরিফ ও তার দলের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নিরাপদ থাকার খবর জানিয়েছেন তিনি। তাসরিফ জানান, তারা এখনও নেপালেই আছেন এবং আল্লাহর রহমতে এখন পর্যন্ত নিরাপদ। এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য দোয়াও করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, আমরা নেপালেই আছি এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে এখন পর্যন্ত নিরাপদ আছি। নেপালের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই দুর্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, উত্তরাঞ্চলের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যায় বহু পর্যটক নিখোঁজ ও হতাহত হয়েছেন। তাসরিফ বলেন, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদগ্রস্ত সকল মানুষের জন্য মন থেকে দোয়া করছি। আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন, বিপদগ্রস্ত মানুষদের দ্রুত নিরাপদে ফিরিয়ে আনুন। সবশেষে নিজের ও দলের জন্যও ভক্তদের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। সংগীত ও মানবসেবা দিয়ে নজর কাড়া তাসরিফ খান আপাতত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিরাপদে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। তাদের সুরক্ষার বিষয়ে নিশ্চিত খবর পেয়ে অবশেষে আশ্বস্ত হয়েছেন চিন্তিত শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় আটকে পড়েছেন সঙ্গীতশিল্পী তাসরিফ খান
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream