পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিক গ্রেপ্তার, ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন
পিরোজপুর প্রতিনিধি: রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. অনিরুজ্জামান অনিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটের সময় ভাটারা থান বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জি ব্লকের ৩ নাম্বার সড়ক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অনিরুজ্জামান অনিক (৩৫)পিরোজপুর পৌরসভার খামকাটা এলাকার পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আকতারুজ্জামান ফুলু'র ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘জি’ ব্লকের ৩ নম্বর সড়ক থেকে অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভাটারা থানাধীন কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি বিস্ফোরক দ্রব্যাদি নিয়ে কুড়িল বিশ্বরোডের দিকে মিছিল নিয়ে আসছে। পুলিশের অভিযোগ, তারা নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল। সংবাদ পেয়ে পুলিশ দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে কুড়িল সাহারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে গেলে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। এর আগে দুপুর ১টা ৫ মিনিটের দিকে কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে দেওয়া আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, আসামির সঠিক নাম-ঠিকানা যাচাই এবং ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে অনিককে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ কারণে তার পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করা হয়েছে।অনিকের ভাই অভিরুজ্জামান অভিক জানান, রাতে ভাটারা থানর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একদল লোক মব সৃষ্টি করে অনিককে মারধর করে। তাদের দাবি দেওয়া পূরণ করতে না পারায় তারা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশ মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। ভাটারা থানার এসআই আব্দুল কাদের জানান, গ্রেপ্তার অনিরুজ্জামান অনিকের পিসিপিআর (পুলিশ ক্রিমিনাল পেট্রোল রেকর্ড) যাচাই করে তার বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তার বিষয় আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।