শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
চিকিৎসা শেষে কারাগারে দুই ভারতীয় নাগরিক

চিকিৎসা শেষে কারাগারে দুই ভারতীয় নাগরিক

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের ককটেল ও শর্টগানের গুলিতে আহত দুই ভারতীয় নাগরিককে চিকিৎসা শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রংপুর মেট্রোপলিটন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক রফিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন। একই সাথে আগামী ২৭ অক্টোবর মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন, ভারতের আসাম রাজ্যের সুখচর থানার দক্ষিণ সালমারা মাইনকার চর বড়বালু গ্রামের আব্দুল করিম শেখের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫) ও আব্দুল মজিদ মন্ডলের ছেলে খাজা আব্দুল আলীম (৩৯)। জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর বিকালে ভারতের আসাম রাজ্যের নারায়নপুর স্থলবন্দর দিয়ে গরু পারাপার করছিল ভারতীয় ওই দুই নাগরিক। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে ককটেল ও শর্টগানের গুলি ছোঁড়ে। এতে গুরুতর আহত হন তারা। বিএসএফ বাহিনী তাদেরকে বাংলাদেশী ভেবে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরে সীমান্তবর্তী একটি চর এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পরে উলিপুরের যাত্রাপুর-আইলমারীর স্থানীয়রা ইসমাইল ও আলীমকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তারা সুস্থ হওয়ায় তাদের আদালতে পাঠানো হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমন জানান, আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আগামী ২৭ অক্টোবর মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা রয়েছে।  বিডি প্রতিদিন/আরকে

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে মাদক মামলার আসামি এনামুল হাসান (৩৫) নামের এক বন্দির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারাগার কর্তৃপক্ষের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, এনামুলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাকে আঘাত করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। নিহত এনামুল হাসান চুনারুঘাট উপজেলার আমতলী এলাকার মৃত আব্দুর রফিকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে। নিহতের ভাই মো. কামরুল হাসান জানান, প্রায় তিন মাস আগে গাঁজাসহ আটকের পর এনামুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবার থেকে দাবি করা হয়, তাকে সাজানো মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। গত মঙ্গলবারও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এনামুল, তখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার আদালতে তাঁর জামিন আবেদনের তারিখ নির্ধারিত ছিল। কামরুল হাসান অভিযোগ করেন, সকালে কারাগার থেকে ফোন করে এনামুলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তিনি ভাইয়ের শরীরে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন দেখতে পান। এতে তার ধারণা, কারাগারে কোনো আঘাতের ফলেই এনামুলের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে এ নিয়ে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। তবে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার বিলাল উদ্দিন জানান, আজ ভোর সাড়ে চারটার দিকে এনামুল হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে কার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিডি-প্রতিদিন/এআইএস

হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream