এমবাপ্পের চোখ এখন ব্যালন ডি’অরে
ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে নিজের দাবিটা কিলিয়ান এমবাপ্পে জোরালোভাবেই তুলে ধরলেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও আলো ছড়িয়েছেন ফরাসি তারকা। তিনি সব মিলিয়ে এ বছর নিজের পারফরম্যান্সকে ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য যথেষ্ট মনে করছেন।
ফ্রান্স ফুটবলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে বলেছেন, ব্যালন ডি’অর এমন একজন খেলোয়াড়কে দেওয়া উচিত, যিনি অন্যদের চেয়ে আলাদা কিছু করেছেন। তাঁর মতে, দলীয় সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি মূলত ব্যক্তিগত পুরস্কার। আর এ বছর তিনি নিজেও তেমন কিছু করে দেখিয়েছেন।
এমবাপ্পে বলেন, ‘আমার সবসময়ই মনে হয়েছে, ব্যালন ডি’অর এমন একজন খেলোয়াড়কে দেওয়া উচিত, যিনি অন্যদের চেয়ে আলাদা। অবশ্যই দলগত বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ফুটবল একটি দলীয় খেলা। কিন্তু এটি একটি ব্যক্তিগত পুরস্কার। ব্যালন ডি’অর নিয়ে আমার ধারণাটা মেসি ও রোনালদোর যুগের মতো। আমরা কখনো সাধারণ মানের কোনো খেলোয়াড়কে এটি দিই না, বরং এমন খেলোয়াড়কে দিই, যিনি অন্যদের চেয়ে আলাদা। আর আমি মনে করি, এ বছর আমি এমন কিছু করেছি, যা আলাদা। তাই আমি মনে করি, এটি আমি জিততে পারি।’
গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৪ ম্যাচে ৪২ গোল করেছিলেন এমবাপ্পে। এরপর উত্তর আমেরিকায় হওয়া বিশ্বকাপে ১০ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
নিজের সম্ভাবনা নিয়ে এমবাপ্পে বলেন, ‘কিলিয়ান এমবাপ্পে কি চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ব্যালন ডি’অর ছাড়াই ক্যারিয়ার শেষ করার কথা ভাবতে পারে? হ্যাঁ। মাঠেই সবকিছু অর্জন করতে হয়। অবশ্য ব্যালন ডি’অরের ক্ষেত্রে ভোটও আছে। কিন্তু ১০ বছর পর কী হবে, সেটা দেখার আগে আমাদের এখনকার দিকে তাকাতে হবে। এ বছর ব্যালন ডি’অর জেতার দারুণ সুযোগ আমার আছে।’
এখনো ব্যালন ডি’অর জেতা হয়নি এমবাপ্পের। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দীর্ঘ আধিপত্য তাঁর অপেক্ষাকে আরও দীর্ঘ করেছে বলে মনে করেন তিনি, ‘হ্যাঁ, কিন্তু ১০ বছর আগে তো আমরা বলিনি যে মেসি ৩৯ বছর বয়স পর্যন্ত খেলবে এবং আরও তিন বছর ধরে পুরস্কারটি জিতবে। ক্রিস্টিয়ানোর ক্ষেত্রেও তারা খুব বেশি সুযোগ ছাড়েনি। আবার এমন সময়ও গেছে, যখন ভোট দেওয়া হয়েছে সেরা দলের সেরা খেলোয়াড়কে, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়কে নয়।’