রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ইরানে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু-ট্রাম্পের মতভেদ

ইরানে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু-ট্রাম্পের মতভেদ

চলতি মাসের শুরুতে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু করতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, গত ১০ অক্টোবরের সপ্তাহান্তে ইরানে হামলা চালানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, শাসকগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, জ্বালানি কেন্দ্র এবং বেসামরিক অবকাঠামো।তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানায়, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ বা সংঘাত এড়াতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ কারণে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর বিষয়ে তিনি সম্মতি দেননি। সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে, এই পরিকল্পিত হামলাগুলো যদি বাস্তবায়িত হতো, তবে তা গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর পরিচালিত যৌথ হামলার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও তীব্র হতো। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলের এই সম্ভাব্য হামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যোগ দিত কি না- তা স্পষ্ট নয়। তবে এক সূত্র পত্রিকাটিকে জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহগুলোতে পুনরায় এই হামলা শুরু হওয়ার বিষয়টি একেবারেই ‘অযৌক্তিক কোনও দৃশ্যপট বা অনুমান নয়’। এক সূত্রের তথ্যমতে, অতীতে যেসব বেসামরিক অবকাঠামো স্পর্শ করা হয়নি, সেগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে ইসরায়েল এবার তাদের হামলার লক্ষ্যের নতুন তালিকা প্রস্তুত করেছে। অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে আইডিএফ-এর পরিকল্পিত হামলার এই উদ্যোগ আলোচনার একটি কৌশল বা কৌশলগত চালও হতে পারে। তবে যুদ্ধ বা লড়াই পুনরায় শুরু করার যেকোনও সিদ্ধান্ত মূলত ট্রাম্পের ওপরই নির্ভর করছে। বিষয়টি নিয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি বলে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সম্প্রতি গোপনে ইসরায়েল সফর করেন এবং ‘অঞ্চলের হুমকি’ নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। তার ওই গোপন সফরের ঠিক দুদিনের মাথায় এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ পেলো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর হামলা চালানোর জন্য চাপ দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত ৯ অক্টোবর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ওয়াশিংটন ইরানে কোনও হামলা চালাবে না। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েকদিন আগেই খবর বেরিয়েছিল, আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির তার মার্কিন সমকক্ষদের জানিয়েছেন— এ ধরনের হামলার কারণে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে। জেরুজালেমের অনুমান, মার্কিন হামলা হলে ইরান ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণের মাধ্যমে এর জবাব দিতে পারে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ গত সপ্তাহে জানিয়েছিল, নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছিলেন যাতে আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নির্বাচন এবং ৩ নভেম্বর মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জোরদার করা হয়।  সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, রুশ ডিজেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পকে ঘিরে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির ডেমোক্র্যাটরা জ্বালানির ক্রমবর্ধমান দাম এবং রুশ ডিজেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন। এ খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে। কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যদের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি গ্রেগরি মিকস পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ার জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, তার বিপর্যয়কর ইরান যুদ্ধ গ্যাস ও ডিজেলের দাম আকাশচুম্বী করেছে এবং আমেরিকানরা এর মূল্য দিচ্ছেন। শুক্রবার ট্রাম্পের রুশ জ্বালানি কেনার ঘোষণারও সমালোচনা করেন মিকস। তার ভাষ্য, রুশ জ্বালানির ক্রেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আইনে প্রেসিডেন্ট সই করার কয়েক সপ্তাহের মাথায় এ ঘোষণা এল। মিকস বলেন, আমি এই নীতি উল্টে ফেলার নিন্দা জানাই। ইউক্রেনে আগ্রাসনের জন্য পুতিনের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির বদলে ট্রাম্প তাকে তোষণ করেই যাচ্ছেন। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া অবিলম্বে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। নভেম্বর ও তার পরে আরও চালান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, রুশ ডিজেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পকে ঘিরে বিতর্ক

হরমুজ নিয়ে ‘খেলা’ চললে ট্রাম্পের হাতে সব বিকল্প: হেগসেথ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ে ‘খেলা’ চালিয়ে গেলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে প্রয়োজনীয় সব বিকল্পই রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ‘অটুট’ রয়েছে।  হেগসেথ শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালির মতো বিষয় নিয়ে গেম খেলতে চায়। এটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই, আমাদের নিয়ন্ত্রণে।’ তিনি আরও বলেন, তারা আক্ষরিক অর্থেই কিছুই পার করতে পারেনি। আমাদের অবরোধ অটুট রয়েছে এবং প্রতিরাতেই যুদ্ধের আগের সময়ের কাছাকাছি মাত্রায় এর মধ্য দিয়ে পণ্য পরিবহন হচ্ছে। হেগসেথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে তারা ‘খুব শক্তিশালী অবস্থানে’ রয়েছে। ইরানকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তা না হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে প্রয়োজনীয় সব বিকল্পই থাকবে। তিনি বলেন, তবে তিনি এসব বিষয় অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘায়িত হতে দেবেন না। তিনি জানেন মিশন কী এবং প্রয়োজন হলে আমরা তা সম্পন্ন করতে পারি। এদিকে ইরান যাতে কখনও পারমাণবিক অস্ত্র না পায়, সে বিষয়ে ট্রাম্প ‘দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ বলেও জানিয়েছেন হেগসেথ। তিনি বলেন, বার্তাটি খুবই সহজ: ইরান কখনোই কোনও পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে তাদের কাছে এটি নেই; থাকবেও না।

হরমুজ নিয়ে ‘খেলা’ চললে ট্রাম্পের হাতে সব বিকল্প: হেগসেথ

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের বিরুদ্ধে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৩৮ বিলিয়ন ডলার যা প্রায় ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা বাংলাদেশি মুদ্রায় ব্যয় হয়েছে। এই খরচ প্রতি মাসে আরও ৩ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা করে বাড়তে পারে বলে কংগ্রেসের নিরপেক্ষ হিসাব সংস্থা কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) জানিয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। সিবিওর হিসাব অনুযায়ী, আগস্ট পর্যন্ত যুদ্ধের ব্যয়ের তথ্য এতে রয়েছে। যুদ্ধের কারণে ২০২৭ সালের প্রথম তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ০.৫ শতাংশ বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। ক্রমবর্ধমান এই ব্যয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুতের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং জ্বালানির দাম বেড়েছে। এতে অন্য কোনো সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং দেশটির সরকারি বাজেট নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই ব্যয়ের পরিমাণ ২১ জুলাই সিনেটের শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের উল্লেখ করা ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলারের প্রায় সমান। সিবিও জানিয়েছে, দ্রুত গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে ব্যয়ের বড় একটি অংশ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে সংস্থাটি ধারণা করছে। আগস্টে রয়টার্স জানিয়েছিল, যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূরপাল্লার নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরোটাই ব্যবহার করেছে। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল অস্ত্রের ঘাটতির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, প্রয়োজন হলে প্রেসিডেন্ট যেখানে এবং যখন আঘাত হানতে চাইবেন, সেখানেই হামলা চালানোর মতো প্রয়োজনীয় অস্ত্র তাদের রয়েছে। সিবিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা বিভাগ এই হিসাব তৈরিতে কংগ্রেসের আর্থিক নিরীক্ষকদের সঙ্গে সহযোগিতা করেনি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলো ছিল ‘নির্ণায়ক’। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। ব্যয়ের এই হিসাব করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের বাজেট কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য পেনসিলভানিয়ার ব্রেন্ডন বয়েলের অনুরোধে। তিনি বলেন, এই যুদ্ধের কারণে মার্কিন করদাতাদের কয়েক হাজার কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে এবং সেই খরচ আরও বাড়ছে। ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। তবে সিবিওর প্রতিবেদনে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে সাম্প্রতিক হামলা এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার খরচ ধরা হয়নি। যুদ্ধের জন্য নেওয়া ঋণের সুদের খরচও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই খরচ যোগ হলে মোট ব্যয় আরও কয়েক হাজার কোটি ডলার বাড়তে পারে। সিবিওর হিসাবে, যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধসরঞ্জামের ঘাটতি পেন্টাগনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা কমাতে পারে। বিশেষ করে চীন ও তাইওয়ানকে ঘিরে সম্ভাব্য বড় সংঘাতের ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। জুলাইয়ে সিনেটের শুনানিতে হেগসেথ গোলাবারুদের মজুত পূরণ করতে প্রায় ৯০ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা জরুরি অর্থায়ন চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এই অর্থ না পেলে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের ঘাটতির মুখে পড়বে। পেন্টাগনের মহাপরিদর্শক চলতি সপ্তাহে জানিয়েছেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটির শত শত ভবন এবং যুদ্ধবিমান, জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ও ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করেছে। ১৯ জুন পর্যন্ত যুদ্ধের ব্যয় ৩৩.৪ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা বলে হিসাব করা হয়েছিল। এর মধ্যে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনার জন্য প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণও রয়েছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো, সেখানে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনায় হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। এতে ভোক্তা ও বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে। এদিকে আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ব্যয় দেশটির আর্থিক অবস্থার ওপর আরও চাপ তৈরি করতে পারে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের আট বছরব্যাপী যুদ্ধে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার। আর ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের হিসাবে, আফগানিস্তানে দুই দশকের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার।

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream