বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পুতিনের দরজায় ট্রাম্পের দূত

ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পুতিনের দরজায় ট্রাম্পের দূত

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে মস্কোতে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ‘রুদ্ধদ্বার’ বৈঠক করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ দুই প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। ট্রাম্পের প্রতিনিধিরা এমন একটি সময়ে রাশিয়া গেছেন, যার ঠিক এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময় আগে সিআইএর প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ ‘বিরল এক সফরে’ মস্কো যান। তবে বৈঠকে ঠিক কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো পক্ষই পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি। রাশিয়ার সাথে বৈঠক শেষে রোববার কিয়েভে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন প্রতিনিধি দলটির। গত শনিবার ক্রেমলিন থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে রুশ প্রেসিডেন্টকে মার্কিন প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাতে দেখা গেছে। পুতিনকে সেসময় বলতে শোনা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতি ‘খুব একটা সহজ নয়’। তিন দিনের জন্য একে অপরের রাজধানীতে হামলা বন্ধ রাখার বিষয়ে ইউক্রেনের সাথে রাজি হওয়ায় পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উইটকফ। পুতেনের সাথে দেখা করার পর রোববার মার্কিন প্রতিনিধি দলটির সদস্যরা কিয়েভে যাবেন। যুদ্ধ অবসানে আলোচনার জন্য ইউক্রেনের রাজধানীতে এটিই তাদের প্রথম সফর। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রচেষ্টা চালিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। সবশেষ গত শুক্রবার ট্রাম্প জানান, উইটকফ ও কুশনার ‘যুদ্ধ শেষ করার একটি প্রস্তাব নিয়ে আসছেন।’ গত শনিবার ক্রেমলিনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় পুতিন বলেছেন, ‘যা-ই ঘটুক না কেন, এ ধরনের যোগাযোগ নিঃসন্দেহে সবসময়ই উপকারী।’ তিনি শান্তি স্থাপনের প্রচেষ্টার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান তিনি। মার্কিন প্রতিনিধিদের সাথে কাজ করতে ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন’ বলেও মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে আমাদের দিক থেকে আমরা অবশ্যই বেশ উচ্চমাত্রায় আস্থা রাখছি।’ রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মস্কোতে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সরকারি বাসভবনে আয়োজিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে এবং দু’পক্ষ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছে কি-না, সেবিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। তবে রুশ প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ ওই বৈঠককে ‘গঠনমূলক এবং অত্যন্ত খোলামেলা’ বলে বর্ণনা করেছেন। ইউরি উশাকভ বলেন, ‘আলোচনা শুধু ইউক্রেন সঙ্কট সমাধানের বিষয়ে মতবিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং অর্থনৈতিক বিষয় এবং সম্ভাব্য বড় ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক রুশ-মার্কিন প্রকল্পগুলো নিয়েও বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।’ ‘যুদ্ধক্ষেত্রে রুশ সেনাবাহিনীর দৃশ্যমান অগ্রগতির বিষয়টি আমলে নেয়া হয়েছে’ মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, চলমান ওই সঙ্ঘাতের ‘মূল কারণগুলো’ সমাধানের জন্য আরো আলোচনায় প্রয়োজন রয়েছে। কিয়েভসহ ইউক্রেনের শহরগুলোতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও এই যুদ্ধের বেশিভাগ সময় জুড়ে রুশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত ধীর গতিতে অগ্রসর হতে দেখা গেছে। এতে তারা ব্যাপক হতাহতের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে রাশিয়া। গত শনিবার পুতিনের সাথে মার্কিন প্রতিনিধি দলের বৈঠকের আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, তিনি ইতোমধ্যেই ট্রাম্পের দূতদের সাথে কথা বলেছেন। মস্কোর সাথে বৈঠক শেষে রোববার একই ইস্যুতে কিয়েভের সাথে বৈঠক করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদের। জেলেনস্কি বলেন, ‘স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি এবং একটি ফলপ্রসু আলোচনার জন্য প্রস্তুত আছি।’ বৈঠক চলাকালে, অর্থাৎ গত শনিবার থেকে শুরু করে সোমবার পর্যন্ত রাশিয়া এবং ইউক্রেন একে অপরের রাজধানীতে হামলা বন্ধ রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এ বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ইতোমধ্যেই তিন দিনের জন্য কিয়েভে হামলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে রুশ গণমাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে পুতিন জানিয়েছেন, কিয়েভের বাইরে ইউক্রেনের অণ্য অঞ্চলের জন্য সাময়িক ওই যুদ্ধবিরতির নির্দেশনা কার্যকর হবে না। যুদ্ধ অবসানের আলোচনাকে এগিয়ে নিতে এবং মধ্যস্থতাকারী মার্কিন প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ট্রাম্পের দূত কুশনার এবং উইটকফ এর আগেও বেশ কয়েকবার রাশিয়া সফর করেছেন। তবে রোববার তারা প্রথমবারের মতো ইউক্রেনে আলোচনা করতে যাচ্ছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় মস্কো থেকে মার্কিন প্রতিনিধিরা কিভাবে কিয়েভে যাবেন, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। এদিকে, গত শনিবারের বৈঠকের আগে রাশিয়া রাতভর কিয়েভ ও বোরিসপিলের বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে বলে জানান জেলেনস্কি। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন এবং রাশিয়া আলাদাভাবে ইঙ্গিত দিয়েছিল, যুদ্ধ শেষ করতে একটি শান্তি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্ররাও প্যারিসে আলোচনায় বসেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি ছাড়াই সেটি শেষ হয়। গত কয়েক মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়ই পাল্টা-পাল্টি বিমান হামলা আরো জোরদার করেছে। এর মধ্যেই রাশিয়া তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এতো বেশি বৃদ্ধি করেছে যে, প্রতিহত করতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে ইউক্রেন। তারপরও তারা রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র : বিবিসি

রাশিয়া-ইউক্রেনের হামলায় নিহত ১৩

শনিবার পর্যন্ত রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি বিভিন্ন হামলায় অন্তত ১৩ নিহত হয়েছে। এদিকে রাশিয়ার হামলা বেড়ে যাওয়ায় ফ্রান্স ইউক্রেনকে নতুন করে মিসাইল প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নিহতদের মধ্যে ইউক্রেনে সাতজন, রাশিয়ায় চারজন এবং রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় দুজন রয়েছেন বলে জানা গেছে।  বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা গত সাড়ে চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে রুশ হামলায় মস্কোর আগ্রাসন শুরুর কয়েক মাস পরের তুলনায় এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শহরে উদ্ধারকর্মীরা সর্বশেষ প্রাণঘাতী হামলার সময় ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের ক্রিভি রিগ একটি আংশিক ধসে পড়া শপিং সেন্টারের ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। এর একদিন আগে রুশ ড্রোন হামলায় সেখানে ১৬ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়। সোমবার বৈঠকে বসবে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের নেতৃত্বাধীন ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এর সদস্য ইউক্রেনের মিত্র দেশগুলো। মস্কোর ওপর রাশিয়াকে আগ্রাসন বন্ধে বাধ্য করতে কিভাবে আরো চাপ বাড়ানো যায়, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি কয়েক দফা আলোচনা হলেও কূটনৈতিক তৎপরতা এখন থমকে আছে। ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে ওয়াশিংটনের মনোযোগ সেদিকে চলে গেছে। এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সহজেই এই সংঘাতের সমাধান করা সম্ভব হবে বলে আগে দাবি করেছিলেন, বাস্তবে তা না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রও হতাশ হয়েছে। নতুন মিসাইল প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি জানান, রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে ইউক্রেনকে তার আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সক্ষমতা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া ইউক্রেনে, বিশেষ করে রাজধানী কিয়েভে, ব্যাপকভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। অত্যন্ত দ্রুতগতির এসব ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করা কঠিন। লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে এগুলোর মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। ফলে কিয়েভের বাসিন্দাদের পক্ষে সময়মতো ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। শনিবার রাশিয়ার দক্ষিনাঞ্চলের একটি বাড়িতে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় দুই শিশু নিহত এবং তাদের বাবা-মা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কোন্দ্রাতিয়েভ। তিনি বলেন, সকালে ইয়েস্ক জেলায় বেসামরিক অবকাঠামো ও আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে দুই শিশু নিহত এবং দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে শনিবার দুপুরে কিয়েভের দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া। ওই সময় ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের জন্য জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কিয়েভে ছিলেন। শহরের পূর্ব প্রান্তের বোরিসপিল এলাকায় ওই হামলায় দুজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে। এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কিয়েভের কাছে দূরপাল্লার ড্রোন পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত ট্রাক এবং কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী ওডেসা অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর সাথে যুক্ত কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। ওডেসা অঞ্চলের গভর্নর ওলেহ কিপের জানিয়েছেন, একটি বাড়ি ও শস্য সংরক্ষণাগারে দীর্ঘস্থায়ী ও সমন্বিত হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীও রয়েছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ধারাবাহিক হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। ইউক্রেন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উন্নত মিসাইল প্রতিরোধী ব্যবস্থার তীব্র সঙ্কটে রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইউক্রেনের নিজস্ব অস্ত্রব্যবস্থা রাশিয়ার নিক্ষেপ করা উচ্চগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর অনেকগুলো ঠেকাতে সক্ষম নয়। জেলেনস্কির নিজ শহর ক্রিভি রিগে শুক্রবার বিকেলে একটি ব্যস্ত শপিং সেন্টারে রুশ ড্রোন হামলার পর এখনো তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর। এ হামলায় এ পর্যন্ত ১৬ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১০০ জনের বেশি। হামলায় শপিং সেন্টারে আগুন ধরে যায়। রক্তাক্ত আহত মানুষ প্রাণ বাঁচাতে বাইরে বেরিয়ে আসার প্রায় আধা ঘণ্টা পর সেখানে দ্বিতীয় একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এই ‘দ্বৈত হামলাকে’ ‘অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও জঘন্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা শনিবার শপিং সেন্টারের বাইরে ঘাসের ওপর ফুল ও চিঠি রেখে একটি অস্থায়ী স্মৃতিসৌধ তৈরি করেন। এএফপির এক সাংবাদিক জানান, তিনি সেখানে ধ্বংসপ্রাপ্ত ও আগুনে পোড়া ধাতব কাঠামোর স্তূপ দেখতে পেয়েছেন। আগুনে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া পণ্যভর্তি সুপারমার্কেটের তাকগুলো ধসে পড়া ছাদ ও ভেঙে যাওয়া জানালার নিচে পড়ে ছিল। সাড়ে চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে সর্বশেষ এসব হামলা সংঘাতকে আরো তীব্র করে তুলেছে। জাতিসঙ্ঘ জানিয়েছে, চলতি বছরে ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সূত্র : বাসস

রাশিয়া-ইউক্রেনের হামলায় নিহত ১৩
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream