শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
সেঞ্চুরি ছাড়াই বিরল রেকর্ড ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজে

সেঞ্চুরি ছাড়াই বিরল রেকর্ড ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজে

টেস্ট সিরিজে সেঞ্চুরি ব্যাটসম্যানদের সাফল্যের সবচেয়ে বড় মাপকাঠিগুলোর একটি। কিন্তু  সেই সেঞ্চুরিই দেখা গেল না ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের সদ্য শেষ হওয়া তিন টেস্টের সিরিজে। বরং তিন ম্যাচে একটি শতরান না হয়েও এমন এক রেকর্ড হয়েছে, যা টেস্ট ইতিহাসে আগে কখনো দেখা যায়নি। দুই দলের ২৭ ব্যাটসম্যান মিলে ১১২টি ইনিংসে করেছেন দুই হাজার ৪৬০ রান। এসেছে ২০টি ফিফটি, কিন্তু কেউই তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। অর্থাৎ এতো রান ও এতো ফিফটি হওয়ার পরও একটি সেঞ্চুরি না থাকার দিক থেকে এটি টেস্ট ইতিহাসের নতুন রেকর্ড। সেঞ্চুরির সবচেয়ে কাছে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের সৌদ শাকিল। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ৯৭ রানে থেমে যান তিনি। তৃতীয় টেস্টে এজবাস্টনে শান মাসুদ করেন ৯৫। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসটি হ্যারি ব্রুকের—হেডিংলিতে ৯১ রান। তিন টেস্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান এসেছে এজবাস্টনে শেষ ম্যাচে। ম্যাচটিতে দুই দলই একবার করে ৪০০ পেরিয়েছে এবং মোট রান হয়েছে এক হাজার ১৬৫। এই ম্যাচেই এসেছে সিরিজের ২০ ফিফটির ১১টি—ইংল্যান্ডের সাতটি ও পাকিস্তানের চারটি। আইসিসির তথ্যেও তৃতীয় টেস্টে পাকিস্তানের হয়ে শান মাসুদ, আজান আওয়াইস, বাবর আজম ও রাজাউল্লাহর ফিফটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে সেঞ্চুরি ছাড়া কোনো সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান ও ফিফটির রেকর্ড ছিল ১৯৯৩ সালের পাকিস্তান–জিম্বাবুয়ে সিরিজে। সেই সিরিজে দুই হাজার ২১৩ রান ও ১৮টি ফিফটি হয়েছিল। এবার ৩৩ বছর পর সেই রেকর্ড পেছনে ফেলল ইংল্যান্ড–পাকিস্তান সিরিজ। সেঞ্চুরিবিহীন সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান ও ফিফটির তালিকায় এখন শীর্ষে ইংল্যান্ড–পাকিস্তান মধ্যকার এই সিরিজ। ব্যাট হাতে দুই দলের এমন অদ্ভুত সিরিজের পরও ফলাফলে অবশ্য কোনো দ্বিধা ছিল না। তিন টেস্টেই জিতে পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে ইংল্যান্ড।

ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের সামনে ছিল বড় সুযোগ: স্টুয়ার্ট ব্রড

ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড মনে করেন ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দেখানো বাংলাদেশের সামনে ম্যাকাই টেস্টে আরো বড় সুযোগ ছিল। তার মতে, বাংলাদেশ টস জিতে আগে বোলিং করলে অস্ট্রেলিয়াকে ৬০ রানেই গুটিয়ে দিতে পারত।ম্যাকাই টেস্ট নিয়ে ফোর লাভ অব ক্রিকেট পডকাস্টে কথা বলার সময় এমন মন্তব্য করেন ব্রড। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ বড় সুবিধা নিতে পারত। সেই সামর্থ্য বাংলাদেশের ছিলও বলে বিশ্বাস করেন তিনি।টস জিতে বাংলাদেশের আগে বোলিং করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ টস জিতে আগে বোলিং করলে অস্ট্রেলিয়াকে ৬০ রানের মধ্যেই অলআউট করে বড় বিপদে ফেলতে পারত। এটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, কারণ উইকেটে বল অনেক বেশি সিম ও মুভ করেছে।’ব্রড অস্ট্রেলিয়ার জয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে, তবে তাদের নিয়েও কিছু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। স্টার্ক আবারো দুর্দান্ত ছিলেন, বল সুইং করিয়েছেন।’তিবি বলেন, ‘তবে উইকেটে ছিল প্রচুর সিম ও বাউন্স। মনে হচ্ছে, এ বছর উইকেটের চরিত্রে বেশ বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে। ফলে দলগুলোকে সব সময় স্পিনারদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে না।’ম্যাকাইয়ের উইকেট নিয়ে নিজের অবস্থান আরো পরিষ্কার করে ব্রড বলেন, ‘আমার মতে, কোনো দল যদি মনে করে ম্যান-টু-ম্যান বিবেচনায় তারা প্রতিপক্ষের চেয়ে ভালো, তাহলে তাদের তুলনামূলক ফ্ল্যাট উইকেটে খেলা উচিত।’উল্লেখ্য, ম্যাকাই টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ২১০ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং আবারো ভেঙে পড়ে—৯৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৫১ রানে ম্যাচ হারে তারা।মাত্র ১২৫ ওভারের মধ্যেই ৩০ উইকেট পড়ে এই টেস্টে। দুই ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক।

ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের সামনে ছিল বড় সুযোগ: স্টুয়ার্ট ব্রড
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream