মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ হতে পারে, বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগ আইএমএফের

মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ হতে পারে, বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগ আইএমএফের

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি কমতে পারে। একই সঙ্গে বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ তাদের অক্টোবর ২০২৬-এর পূর্বাভাসে এ কথা জানিয়েছে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ২ শতাংশে নামতে পারে। গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে উঠে যেতে পারে। যে কারণে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার তো বটেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়েও তৈরি হতে পারে নতুন উদ্বেগ। চলমান বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের যৌথ বার্ষিক সভায় আজ সকালে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটির নাম ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। তাতে বলা হয়েছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ওই বছরের গড় মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমবে। সঙ্গে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়ার আশঙ্কা আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের হিসাবে, গত সেপ্টেম্বরে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। আইএমএফ বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের মতে, ২০২৬ সালে বিশ্বের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। ২০২৭ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হওয়ার কথা। ২০২৬ সালে বৈশ্বিক গড় মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে। এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। তবে আগের বিভিন্ন প্রতিবেদনে আইএমএফ বলেছে, প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের। অর্থনীতি দুর্বল হলে নতুন বিনিয়োগ ও কাজের সুযোগ কমে যায়। বেসরকারি বিনিয়োগ প্রত্যাশামতো না বাড়লে শিল্প উৎপাদন, ব্যবসার প্রসার ও আয় বাড়ার গতি ব্যাহত হতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা কমে যেতে পারে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream