মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

অর্থনীতি

আইইউবিতে খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ৬ষ্ঠ জাতীয় কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত

আইইউবিতে খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ৬ষ্ঠ জাতীয় কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৬ ও বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুডের (বিএসএসএফ) খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ৬ষ্ঠ জাতীয় কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ক্যাব ইন্টারন্যাশনাল সহ-আয়োজক হিসেবে অংশগ্রহণ করে।  সেমিনারে খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।  প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ এনায়েত-ই-রাব্বী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) সভাপতি মশিউর রহমান।

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনদিন বাড়ছে। এই বাণিজ্য চালিয়ে যেতে মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বাড়ছে।  লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার আজ মঙ্গলবার বিনিময় হার:  বৈদেশিক মুদ্রা : বাংলাদেশি টাকা ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা ইউরো : ১৩৮ টাকা ২৫ পয়সা পাউন্ড : ১৬৫ টাকা ০৭ পয়সা কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ৩১ পয়সা অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৮২ পয়সা চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৫৫ পয়সা সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ৫৮ পয়সা ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ৩০ পয়সা মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩৮ পয়সা সৌদি রিয়াল : ৩৩ টাকা ১৬ পয়সা কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৯০ পয়সা কুয়েতি দিনার : ৩৯৯ টাকা ৬১ পয়সা আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৮১ পয়সা সূত্র: গুগল)  যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

তিন মাসে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ-অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের জন্য বিদেশি ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশকে মোট ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার ডলারের ঋণ ও অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিশ্রুত অর্থের মধ্যে ঋণ রয়েছে ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর অনুদান হিসেবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এসেছে ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার।বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বাড়ায় আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বৈদেশিক অর্থায়নের সুযোগ বাড়তে পারে। তবে প্রতিশ্রুত অর্থ কত দ্রুত পাওয়া যাবে, তা নির্ভর করবে অর্থছাড়ের সময়, প্রকল্পের প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণের ওপর। বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নেও বড় অঙ্কের বৈদেশিক অর্থায়নের উদ্যোগ রয়েছে। দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি) প্রায় ১০০ কোটি ডলারের অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ ধরনের অর্থায়ন বাস্তবায়ন হলে দেশের জ্বালানি পরিশোধন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হবে। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে মোট ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের বিদেশি সহায়তা ছাড় হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ছাড় হওয়া সহায়তার মধ্যে প্রকল্প সহায়তা ছিল ৬৫ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার। এর মধ্যে ঋণ ছিল ৫৪ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং অনুদান ছিল ১১ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এছাড়া খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১ কোটি ডলারের অনুদান ছাড় হয়েছে। এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে বাংলাদেশের ব্যয় হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সে হিসাবে এক বছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ইআরডির হিসাবে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বিদেশি ঋণের আসল হিসেবে ৮৫ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ বাবদ ব্যয় হয়েছিল ৮১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার। একই সময়ে সুদ পরিশোধের পরিমাণ ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার থেকে বেড়ে ৪৯ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি হচ্ছে উন্নয়ন সহযোগীদের ভবিষ্যৎ অর্থায়নের অঙ্গীকার, আর অর্থছাড় হলো প্রকল্প বা কর্মসূচির বিপরীতে বাস্তবে পাওয়া অর্থ। তাই নতুন প্রতিশ্রুতি বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিশ্রুত অর্থ সময়মতো ছাড় এবং উন্নয়ন প্রকল্পে তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

তিন মাসে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ-অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে

হারানো ঢাকাই মসলিন আবারও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে

সরকারের উদ্যোগ, বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ গবেষণা এবং প্রান্তিক নারী কারিগরদের দক্ষতায় আবারও ফিরে এসেছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই মসলিন। একসময় হারিয়ে যাওয়া এই কাপড় তৈরির পুরোনো প্রযুক্তি ও কাঁচামাল পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এখন বাণিজ্যিকভাবে বিশ্ববাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকাই মসলিন।সাদা মেঘের মতো স্বচ্ছ, শিশিরের মতো কোমল আর বাতাসের মতো হালকা—এমনই ছিল ঢাকাই মসলিনের বৈশিষ্ট্য। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ অব্দ থেকেই রোমান, গ্রিক ও আরব সাম্রাজ্যে এই কাপড়ের ব্যাপক কদর ছিল।মুঘল আমলে মসলিনের জনপ্রিয়তা ও আভিজাত্য আরও বেড়ে যায়। তখন এর সবচেয়ে উন্নত ধরন ‘মলমল খাস’ শুধু সম্রাটদের ব্যবহারের জন্য রাখা হতো।নকশা ও মানের ভিত্তিতে মসলিনের বিভিন্ন নাম ছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘আবে-রওয়ান’, যার অর্থ প্রবাহিত পানি। আর ‘শবনম’ অর্থ ভোরের শিশির।মসলিনের সূক্ষ্মতা নিয়ে প্রচলিত রয়েছে নানা গল্প। বলা হয়, একটি আস্ত শাড়ি দিয়াশলাইয়ের বাক্সে রাখা যেত। আবার ছোট একটি আংটির ভেতর দিয়েও অনায়াসে পার করা যেত এই কাপড়। এসব গল্প ঢাকাই মসলিনের অসাধারণ সূক্ষ্মতা ও বুননশিল্পের পরিচয় তুলে ধরে।প্রায় ১৭০ বছর আগে ১৮শ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ম্যানচেস্টারের মিলের তৈরি সস্তা কাপড়ের আগ্রাসন, দেশীয় তাঁতিদের ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক নির্যাতন (যেমন বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে দেওয়া) ও শাস্তিমূলক উচ্চ শুল্ক আরোপ এই শিল্পের টুঁটি চেপে ধরে।মসলিন তৈরির একমাত্র বিশেষ কাঁচামাল— মেঘনা নদীর অববাহিকায় জন্মানো ‘ফুটি কার্পাস’ তুলা গাছটি একপর্যায়ে প্রকৃতি থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়, যা এই শিল্পের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়। ১৮৫০ সালে লন্ডনের মহাপ্রদর্শনীতে শেষবারের মতো আদি ঢাকাই মসলিন প্রদর্শিত হয়েছিল, এরপর এটি কেবলই ইতিহাস হয়ে যায়।ঢাকাই মসলিন বুনন শুধু একটি সাধারণ কায়িক শ্রম ছিল না, এটি ছিল আবহাওয়ার সাথে জড়িত এক জটিল লোকজ বিজ্ঞান। ফুটি কার্পাসের অতি-মিহি সুতা শুকনো বাতাসে ভেঙে যায়। তাই মসলিনের সুতা কাটার জন্য ভোরের সূর্য ওঠার আগের ও সন্ধ্যার পরের আর্দ্র আবহাওয়া বেছে নেওয়া হতো।বিশেষ করে, শীতলক্ষ্যা নদীর অববাহিকার স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা এই সুতা কাটার জন্য প্রকৃতির এক অনন্য আশীর্বাদ ছিল। তুলা মাঠ থেকে সংগ্রহ করা, আঁশ ছাড়ানো, বিশেষ বোয়ালের চোয়ালের হাড় দিয়ে তুলা পরিষ্কার করা, অতি-সূক্ষ্ম তকলি ও চরকায় সুতা কাটা, সুতা ধোয়া ও বিশেষ নকশায় তাঁতে বুনন পর্যন্ত মোট ১৬টি সুনির্দিষ্ট ও কঠোর ধাপ পার করে তবেই একটি আসল ঢাকাই মসলিন তৈরি হতো।২০১৪ সালে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড মসলিন পুনরুদ্ধারে একটি উচ্চপর্যায়ের গবেষক দল গঠন করে। গবেষক দলটির এই দীর্ঘ যাত্রা ছিল কোনো বৈজ্ঞানিক থ্রিলার উপন্যাসের মতোই রোমাঞ্চকর।১৭৮৮ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াসের লেখা বইয়ের স্কেচ ও ঐতিহাসিক সূত্র ধরে গবেষকেরা কাপাসিয়া, গাজীপুর, বাঘাবাড়ী ও রাজশাহী অঞ্চল থেকে ৩৯টি বন্য তুলার জাত সংগ্রহ করেন।লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আদি মসলিনের সুতার নমুনার সাথে সংগৃহীত তুলার ডিএনএ সিকোয়েন্সিং ও জিনোম ম্যাচিং করে অবশেষে শতভাগ খাঁটি ‘ফুটি কার্পাস’ শনাক্ত ও চাষ করা হয়।মসলিন বোনার জন্য আদি ৫০টিরও বেশি বিশেষ তৈরি যন্ত্রপাতি আবার নতুন করে প্রস্তুত করতে হয়েছে।সাধারণ সুতির কাপড়ের কাউন্ট যেখানে ৪০ থেকে ৮০ হয়, সেখানে পুনরুজ্জীবিত ঢাকাই মসলিনের সুতা ৭৩১ থেকে ৭৫০ মেট্রিক কাউন্ট পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে, যা কাপড়টিকে শিশিরের মতো স্বচ্ছতা দেয়।২০২০ সালের ডিসেম্বরে ঢাকাই মসলিন বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে, যা আন্তর্জাতিক মহলে এর একক মালিকানা ও স্বত্ব নিশ্চিত করেছে।মসলিন এখন গবেষণাগারের বা প্রদর্শনীর বস্তু থেকে জীবন্ত বাণিজ্যিক শিল্পে রূপ লাভ করছে। প্রথম ধাপের সফলতার পর সরকার বর্তমানে ১৮.৫ কোটি টাকার (১৮৫ মিলিয়ন বিডিটি) দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সামাজিক দিক হলো, মসলিনের এই অতি-সূক্ষ্ম সুতা কাটার জন্য ৩শরও বেশি প্রান্তিক নারীকে সুনিপুণভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ স্পিনারে রূপান্তর করা হয়েছে, যারা গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনছেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের মতো বড় দেশগুলোর লাক্সারি ব্র্যান্ডগুলো এই পুনরুজ্জীবিত ঢাকাই মসলিন ক্রয়ে গভীর আগ্রহ দেখিয়েছে।ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৫০০ গজ মসলিন কাপড়ের একটি বড় অর্ডারও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবোতে নির্মিত ‘ঢাকাই মসলিন হাউস’-কে কেন্দ্র করে বর্তমানে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের কাছে এই প্রযুক্তি হস্তান্তরের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।সম্প্রতি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এক সেমিনারে ফুটি কার্পাসের জাত আরও উন্নত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কাঁচামালের ঘাটতি মেটাতে কাপাসিয়া, রাজশাহী ও কুমিল্লার গ্রামীণ চাষিদের সাথে চুক্তিবদ্ধ চাষাবাদের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।প্রথম দিকে একটি শাড়ির উৎপাদন খরচ ৩.৬০ লাখ টাকা হলেও ব্যাপকভিত্তিক উৎপাদনের মাধ্যমে তা ১ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। একটি সুনিপুণ মসলিন শাড়ি বুনতে ২ থেকে ৪ জন তাঁতির কয়েক মাস সময় লাগে।তাই এটি মূলত বিশ্ববাজারের উচ্চবিত্তদের জন্য একটি প্রিমিয়াম লাক্সারি ফ্যাশন হিসেবে স্থান করে নেবে। বাণিজ্যিক উৎপাদনের ফলে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তৈরি পোশাক খাতের বাইরে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে উচ্চ-মূল্যের আন্তর্জাতিক লাক্সারি রপ্তানি খাতে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রাথমিক পর্যায়ে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি হলেও, বেসরকারি খাতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের পর এবং ব্যাপকভিত্তিক চাষাবাদ শুরু হলে শাড়ির বাজারমূল্য সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

হারানো ঢাকাই মসলিন আবারও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে

সিলেটে সবজি, মাছ ও মুরগিসহ নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীন

 সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে সবজি মাছ ও মুরগির সহ নিত্যপণ্যের দাম। জিনিসের দাম বাড়লে, বাড়েনি মানুষের আয় বরং খরচে ব্যয়। সিলেটের বাজারে পেপে ও আলু ছাড়া ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। সবজি ছাড়াও মাছ, মুরগি ও ডিম কিনতে গিয়ে বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে স্বস্তি  নেই ক্রেতাদের।  বিশেষ করে সীমিত ও নির্দিষ্ট আয়ের পরিবার গুলোকে সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশি থাকায় কেউ কম পরিমাণে কিনছেন, কেউবা খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন মাছ-মাংসের মতো পণ্য। এ অবস্থায় বাজার তদারকি জোরদার ও পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা। রোববার  ও সোমবার নগরের লালবাজার, কাজিরবাজার ও রিকাবীবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেপে ও আলু ঠাড়া ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। বেশির ভাগ সবজিই বিক্রি হচ্ছে তুলনামূলক চড়া দামে। প্রতি কেজি বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং টমেটো ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পটল, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গার দাম কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। বরবটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৮০ টাকা ও ফুলকপি ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আগাম শীতকালীন সবজি নতুন শিমের দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। তবে আলু ৩০ টাকা ও পেঁপে ১৫  থেকে ২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।সবজির পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও ক্রেতাদের চাপে ফেলছে। আকার ভেদে বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, কাতলা ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। দেশি শিং, মাগুর ও চিংড়ির মতো মাছের দাম আরও বেশি। মাছের দাম বেশি থাকায় অনেক ক্রেতাকে পছন্দের মাছের বদলে তুলনামূলক কম দামের মাছ কিনতে হচ্ছে।মুরগি ও ডিমের বাজারেও খরচ কমানোর সুযোগ সীমিত। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৯০ থেকে ৩২০ টাকা এবং লাল লেয়ার মুরগি ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের লাল ডিমের ডজন ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। গরুর মাংস কেজিতে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।বাজার করতে আসা ক্রেতাদের মন্তব্য, আয়-রোজগার না বাড়লেও নিত্য দিনের ব্যয় বাড়ছে। ফলে একই পরিমাণ টাকা নিয়ে বাজারে গেলেও আগের মতো প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা যাচ্ছে না। মাছ কিনলে সবজির পরিমাণ কমাতে হচ্ছে, আবার মাংস কিনতে গেলে অন্য খরচে কাটছাঁট করতে হচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এ পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার বাসিন্দা নিলেন্দু ভট্টাচার্য  বলেন, “শীতকালীন সবজির মৌসুম চলছে, এই সময় তো সবজির দাম কম থাকার কথা। অথচ পেঁপে আর আলু ছাড়া ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। বেগুন, টমেটো, শিম কিনতে  গেলে দাম শুনেই মাথা ঘুরে যায়। আমাদের আয় তো বাড়েনি, কিন্তু বাজার খরচ প্রতিদিন বাড়ছে। তাহলে সাধারণ মানুষ চলবে কী ভাবে? বাজারে সিন্ডিকেট থাকলে ভাঙতে হবে, আর যারা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সিলেটে সবজি, মাছ ও মুরগিসহ নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীন

সোনার দামে স্বস্তি, এখনো অপরিবর্তিত

দেশে স্বর্ণের দাম প্রতিনিয়ত ওঠানামা করছে। তবে সর্বশেষ দাম কমানোর পর এখন পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়েছে সোনার দাম।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।রোববার (২৫ অক্টোবর) প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়। নতুন এ দাম ওই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস। আজ দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।

সোনার দামে স্বস্তি, এখনো অপরিবর্তিত

আবারও সস্তা হলো সোনা, ভরিপ্রতি যত হলো

সোনার দামে দুদিন পর ফের বড় দরপতন হলো। দেশের বাজারে আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৫০৮ টাকা, যা গত শুক্রবার ছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। অর্থাৎ ভরিতে কমেছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা। আজ সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তেজাবী সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। নতুন দামের তালিকায় আরও দেখা গেছে, ২১ ক্যারেটের সোনার গয়নার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির সোনার গয়নার প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা। সোনার দাম কমালেও রুপার গয়নার দামে পরিবর্তন আনেনি বাজুস। মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের রুপার গয়নার প্রতি ভরির দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার গয়নার প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার গয়নার প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানিয়েছেন, গয়নার নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রুপার গয়নার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে গয়না এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।

আবারও সস্তা হলো সোনা, ভরিপ্রতি যত হলো

স্বর্ণের পর কমল রুপার দামও

দেশের বাজারে সবশেষ শুক্রবার আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। আজ শনিবারও একইদামে বিক্রি হবে স্বর্ণ। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।  নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা।  এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের পর কমল রুপার দামও

চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক দরপতনের মুখে স্বর্ণ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে। জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে শুক্রবারও (২৩ অক্টোবর) স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত ছিল। এভাবে চলতে থাকলে গত চার মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক দরপতনের মুখে পড়বে মূল্যবান এই ধাতু।শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ১৩ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়ায়। দিনের লেনদেনের একপর্যায়ে দাম ২০ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম কমেছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত স্বর্ণের ফিউচার চুক্তির দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৮ ডলারে নেমেছে।ক্যাপিটাল ডটকমের বাজার গবেষণা বিভাগের প্রধান মন্টে সাফিয়েদ্দিন বলেন, বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ডলারের ওপরে ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। এই সীমার নিচে দাম নেমে গেলে দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি, বন্ডের উচ্চ মুনাফা এবং শক্তিশালী ডলারের প্রভাব বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।সৌদি আরবে হুথিদের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় শুক্রবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার দীর্ঘ সময় বেশি রাখবে—এমন ধারণা জোরালো হচ্ছে।স্বর্ণ থেকে নিয়মিত সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ কমতে পারে। এর প্রভাব পড়ছে স্বর্ণের বাজারেও।মন্টে সাফিয়েদ্দিনের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়বে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত পিছিয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি স্বর্ণের বাজারের জন্য নেতিবাচক।বিনিয়োগকারীদের নজর এখন আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠকের দিকে। পাশাপাশি আগামী সপ্তাহে প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচকের তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির মূল্যস্ফীতি পরিমাপের অন্যতম প্রধান সূচক এটি।বাজারের অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করছেন, আগামী সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। তবে ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ বলে বাজারের পূর্বাভাসে উঠে এসেছে।এদিকে, বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তন ও বিনিয়োগকারীদের সম্পদ বিক্রির প্রবণতার কথা উল্লেখ করে এইচএসবিসি ২০২৬ সালে প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের গড় দামের পূর্বাভাস কমিয়েছে।শুক্রবার স্পট মার্কেটে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রুপার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৩ দশমিক ৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে হয়েছে ১ হাজার ৫৫৯ দশমিক ৭৬ ডলার। আর প্যালাডিয়ামের দাম প্রায় অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৫৩ দশমিক ৪১ ডলারে রয়েছে।স্বর্ণের পাশাপাশি চলতি সপ্তাহে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও কমার পথে রয়েছে।

চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক দরপতনের মুখে স্বর্ণ

এক টাকায় মিলছে চার লাউ!

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় লাউয়ের বাজারে দেখা দিয়েছে মারাত্মক দরপতন। বর্তমানে পাইকারি হাটে এক টাকায় মিলছে চার-চারটি লাউ—যা যেন শায়েস্তা খাঁর আমলকেও হার মানায়। উৎপাদন খরচের চরম লোকসান গুনতে না পেরে বাধ্য হয়ে অনেক কৃষক মনের কষ্টে নিজেদের লাউয়ের বাগান কেটে ফেলছেন কিংবা গবাদিপশুকে খাওয়াচ্ছেন।চাষিদের তথ্যমতে, এক কেজি মোটা চাল কিনতে হলে কৃষককে অন্তত ২০০টি লাউ বিক্রি করতে হচ্ছে। আর বাজারে ৭৫০ টাকা দরের এক কেজি গরুর মাংস কিনতে প্রয়োজন হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার লাউ! অথচ স্থানীয় খুচরা বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের এখনও প্রতি পিস লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।দুলাল ইসলাম (মির্জাপুর ইউনিয়ন, তেলিপাড়া): ৪০ শতক জমিতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ করে লাউ চাষ করেছিলেন। তবে পুরো মৌসুমে লাউ বিক্রি করে পান মাত্র ৩ হাজার টাকা, যা দিয়ে ক্ষেতের শ্রমিক খরচও ওঠেনি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “২ থেকে ৩ হাজার পিস লাউ বিক্রি করেও এক কেজি গরুর মাংস কেনা যায় না। তাই ক্ষোভে-কষ্টে বাগান কেটে ফেলেছি এবং লাউ গরুকে খাওয়াচ্ছি। আমরা দাম না পেলেও বাজারে ঠিকই ২০-৩০ টাকায় লাউ বিক্রি হচ্ছে।”আনসারুল ইসলাম (ঝলঝলি উলারচাপ এলাকা): দিনমজুরের দৈনিক হাজিরা ৬০০-৭০০ টাকা আর সার-কীটনাশকের দাম আকাশচুম্বী হলেও লাউ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১ থেকে ৫ টাকায়। লোকসানের মুখে তিনি ১০ দিন ধরে বাগানের পরিচর্যা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর মতে, এভাবে লোকসান হতে থাকলে মানুষ কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।স্থানীয় ব্যবসায়ী সলেমান আলী জানান, চলতি মৌসুমে এলাকায় লাউয়ের বাম্পার ফলন ও ফলন ভালো হয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া এবং বহিরাগত পাইকারি বাজারে সঠিক সমন্বয় না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে দরপতন ঘটেছে।উৎপাদন খরচ ও বাজারের পাইকারি-খুচরা মূল্যের বিশাল ফারাক দূর করে প্রান্তিক চাষিদের সুরক্ষায় সরকারের কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকেরা।

এক টাকায় মিলছে চার লাউ!

আবারও কমলো স্বর্ণের দাম

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) সকালে বাজুসের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। একই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর করা হয়েছে।স্বর্ণের ক্যাটাগরি অনুযায়ী নতুন মূল্য তালিকা (ভ্যাটসহ):ক্যারেট/ক্যাটাগরিপ্রতি ভরির (১১.৬৬৪ গ্রাম) নতুন দাম২২ ক্যারেট২,২৪,১৮২ টাকা২১ ক্যারেট২,১৪,০৯৩ টাকা১৮ ক্যারেট১,৮৩,৮৮৩ টাকাসনাতন পদ্ধতি১,৫০,২৩২ টাকাবিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে খাঁটি বা তেজাবি স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হলো।

 আবারও কমলো স্বর্ণের দাম

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রয়কৃত প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টন উচ্চমানের গম সফলভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। সরকারি পর্যায়ে কেনা মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন গমের চালানের অংশ হিসেবে এই পরিমাণ খাদ্যশস্য সম্প্রতি দেশে পৌঁছায়।বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।মার্কিন দূতাবাস জানায়, পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এই উচ্চমানের গম বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন চুক্তিকৃত গমের মধ্যে বড় অংশটি ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছানোয় বাকি অংশও প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শীঘ্রই দেশে আসবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

দক্ষিণ আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা

প্রচলিত বাজারের বাইরে রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে মোট ১৯ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এ অঞ্চলে বাংলাদেশের পণ্যের অন্যতম বড় বাজার হয়ে উঠেছে ব্রাজিল, চিলি ও পেরু।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্রাজিলে সবচেয়ে বেশি ৭ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চিলিতে রপ্তানির পরিমাণ ৫ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, পেরুতে রপ্তানি হয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য। এ ছাড়া কলম্বিয়ায় ১ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার, উরুগুয়েতে ১ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার এবং আর্জেন্টিনায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার প্রচলিত বাজারের বাইরে দক্ষিণ আমেরিকায় রপ্তানি সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। তৈরি পোশাক এখনো এ অঞ্চলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস হলেও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, গৃহসজ্জার সামগ্রী, হস্তশিল্প ও জীবনযাপন-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজার সম্প্রসারণেরও সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ লক্ষ্যে গত ১১ থেকে ১৩ আগস্ট ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত ‘হোম শো ব্রাজিল ২০২৬’ প্রদর্শনীতে অংশ নেয় বাংলাদেশ। ইপিবির আর্থিক সহায়তায় এবং ব্রাসিলিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ, মাদার ট্যানারি, রেইনবো জুট ও ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস। প্রদর্শনীতে পাঁচটি বুথে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য তুলে ধরে। প্রদর্শনীতে পাটজাত পণ্য, ব্যাগ, চামড়াজাত সামগ্রী, প্রাকৃতিক তন্তুর তৈরি ঝুড়ি, গৃহসজ্জার উপকরণ, বাঁশের পণ্য, টেরাকোটা, মাটির তৈরি সামগ্রী ও নকশিকাঁথা প্রদর্শন করা হয়। বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্য ও সম্ভাবনাময় খাত সম্পর্কে বিদেশি ক্রেতাদের জানাতে ইপিবি ও বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকেও একটি প্রচারমূলক বুথ স্থাপন করা হয়। প্রদর্শনী চলাকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। সম্ভাব্য ক্রেতারা বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শন করে প্রদর্শিত পণ্যের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের গৃহসজ্জা ও জীবনযাপন-সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি নিয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে ব্রাজিলের ব্যবসায়ী সংগঠন ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং উদীয়মান আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ইপিবি কাজ করছে। এজন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আরও পরিকল্পিত ও পেশাদারভাবে অংশ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং অল্প কয়েকটি রপ্তানি বাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের রপ্তানি আয়কে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ কারণে নতুন পণ্য ও নতুন বাজার খুঁজে বের করা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। মোহাম্মদ হাসান আরিফ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বাজারের চাহিদা, ভোক্তার পছন্দ, পণ্যের দাম, প্রতিযোগিতা ও ব্যবসায়িক রীতিনীতি সম্পর্কে আগাম গবেষণা করা প্রয়োজন।  এতে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুফল বাড়বে। একই সঙ্গে জাতীয় প্যাভিলিয়নের ব্র্যান্ডিং জোরদার, রপ্তানিকারকদের প্রস্তুতি উন্নত করা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সুযোগে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে। ইপিবির পণ্যভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো মূলত তৈরি পোশাকনির্ভর। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ওভেন কাপড়ের পোশাক ও পোশাকের আনুষঙ্গিক পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার। একই সময়ে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ১০ লাখ ডলারের। এ দুই শ্রেণির পণ্য মিলিয়ে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা ওই ১১টি দেশে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭৯ দশমিক ২ শতাংশ। এ সময়ে ওষুধ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জুতা ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানি থেকে এসেছে প্রায় ৫৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। এছাড়া অন্যান্য বস্ত্রপণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী ও ভ্রমণসামগ্রীও রপ্তানি তালিকায় রয়েছে। এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দক্ষিণ আমেরিকায় বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়িতে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ রয়েছে। রপ্তানির হিসাবে ব্রাজিল ও চিলি একত্রে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ জোগান দিয়েছে। দেশ দু’টিতে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ফলে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় ব্রাজিল ও চিলি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। পাশাপাশি পেরু ও কলম্বিয়ায় ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়িয়েও বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

দক্ষিণ আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা

রংপুরে শিল্পের বিকাশে বড় বাধা অর্থায়ন ও জ্বালানিসংকট

রংপুরের ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল খাত কোনগুলো? এমদাদুল হক: রংপুরের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল ভিত্তি হলো কৃষি ও কৃষিনির্ভর বিভিন্ন খাত। ধান, আলু, ভুট্টা, শাকসবজি ও তামাকের মতো কৃষিপণ্যের উৎপাদন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি নার্সারি ও উদ্যানভিত্তিক ব্যবসারও প্রসার ঘটছে। রংপুরের ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্প ও হস্তশিল্পের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শতরঞ্জির কথা উল্লেখ করা যায়। বিদেশেও এর বাজার আছে। এ ছাড়া চাল, সার, কীটনাশক, পাট, ভোজ্যতেল, কৃষি যন্ত্রপাতি ও তামাকের পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখছে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আবাসন, পরিবহন ও আর্থিক সেবা খাতের প্রসার ঘটছে। বর্তমানে রংপুরের ব্যবসা-বাণিজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি কেমন? এমদাদুল হক: রংপুরের যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে। নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন। মূল্যস্ফীতি, ঋণ পাওয়ার সীমাবদ্ধতা ও নানা দুর্বলতার কারণে ব্যবসায়ীরা এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন। উদ্যোক্তাদের প্রধান সমস্যাগুলো কী? এমদাদুল হক: প্রথমত, অর্থায়নের সংকট। ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ, কঠিন শর্ত ও ঋণ বিতরণে জটিলতার কারণে অনেক উদ্যোক্তা প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে পারছেন না। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে ধীরগতি রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত না হওয়ায় বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তৃতীয়ত, ১৯৭৮–৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুর বিসিক শিল্পনগরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুরবস্থা, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, নিরাপত্তার ঘাটতি এবং জায়গার সংকট রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দ্বিতীয় একটি বিসিক শিল্পনগর প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছেন উদ্যোক্তারা। চতুর্থত, জ্বালানি ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাবে শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও অর্থায়ন সমস্যায় শিল্প কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে? এমদাদুল হক: নানা সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠান পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের হিসাবে, ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ কারখানা আংশিক সক্ষমতায় উৎপাদন করছে। আর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কারখানা বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় রয়েছে। রংপুরে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কিছু শিল্প ইউনিটসহ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া অটো রাইস মিল, প্লাস্টিক ও কৃষিপণ্য প্যাকেজিং কারখানা ও হিমাগার আছে। ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের মধ্যে শতরঞ্জি, হস্তশিল্প, বেকারি, আটা-ময়দার মিল ও অ্যালুমিনিয়ামজাত পণ্য উৎপাদনের মতো শিল্প উল্লেখযোগ্য। খেলাপি ঋণ, লোকসান ও ব্যবসায়িক সংকটের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণের অবস্থা কী? এমদাদুল হক: এ অঞ্চলে আলু, ভুট্টা, ধান, আমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়। তবে সেই তুলনায় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে। বর্তমানে এ অঞ্চলে চালকল, কিছু হিমাগার ও অল্পসংখ্যক পাটকল রয়েছে। রংপুরে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। এ কারণে আমরা ১০ বছরের কর অবকাশ এবং শিল্প, কৃষি ও অবকাঠামো খাতে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছি। রংপুর বিভাগে চারটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল। এগুলো বাস্তবায়নে আপনাদের পরামর্শ কী? এমদাদুল হক: আমাদের প্রস্তাব, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তত একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল দ্রুত প্রস্তুত করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করা হোক। সেখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পরিষেবা নিশ্চিত হলে বিনিয়োগকারীরা শিল্প স্থাপনে আগ্রহী হবেন। বিনিয়োগ ও উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো কার্যকরভাবে চালু হলে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, খাদ্যশিল্প, হালকা প্রকৌশল, প্লাস্টিক ও অন্যান্য উৎপাদনশিল্পে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নারী ও তরুণ উদ্যোক্তারা কোন কোন খাতে এগিয়ে আসছেন? এমদাদুল হক: রংপুর অঞ্চলে নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। তাঁরা মূলত হস্তশিল্প, শতরঞ্জি, বুটিকস, ই-কমার্স, ক্যাটারিং, রেস্তোরাঁ এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো খাতে কাজ করছেন। এসব উদ্যোগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন বাজার তৈরিতে ভূমিকা রাখছে।

রংপুরে শিল্পের বিকাশে বড় বাধা অর্থায়ন ও জ্বালানিসংকট

স্বর্ণের দাম কমল

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় স্বর্ণের দামে সামান্য পতন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) পরবর্তী সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত পেতে আগামী সপ্তাহের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ৯ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ১২০ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার মূল্যও ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৯ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়ায়। অ্যাকটিভট্রেডসের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা বলেন, ‘উচ্চ জ্বালানি মূল্যের কারণে মূল্যস্ফীতির স্থায়ী চাপ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ফেডারেল রিজার্ভের আরও কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণের প্রত্যাশা জোরালো হচ্ছে।’ মঙ্গলবার তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি ছিল। সৌদি আরবের অবকাঠামোতে হুথিদের হামলা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজে হামলার খবরের কারণে বাজারে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির আশঙ্কা বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা তেলের দামে সেই ঝুঁকির প্রভাব হিসাব করছেন। ইভানজেলিস্তা আরও বলেন, ‘অক্টোবরে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাই ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে ফেডের দিকনির্দেশনার ওপরই মূলত নজর থাকবে।’ ফেডের কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে মুদ্রানীতি আরও কঠোর করার বিষয়ে তাড়াহুড়োর ইঙ্গিত না থাকায় ২৭ ও ২৮ অক্টোবরের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা কিছুটা কমেছে। তবে সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের হিসাবে এ সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়। কারণ, বিনিয়োগকারীরা তখন সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায়—এমন সম্পদের দিকে বেশি ঝোঁকেন। এদিকে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় মূল্যসূচক (পিসিই) প্রকাশ করা হবে। মূল্যস্ফীতি পরিমাপের ক্ষেত্রে ফেডের পছন্দের এই সূচকের তথ্য থেকেও সুদের হারসংক্রান্ত ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের বিষয়ে ধারণা পেতে চাইছেন বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কাজুও উয়েদা বলেছেন, দেশটিতে অন্তর্নিহিত মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার বেশ কাছাকাছি রয়েছে। তার এ বক্তব্যে জাপানে আরও সুদের হার বাড়ানোর সুযোগ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৭ দশমিক ১৯৩১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিপরীতে প্লাটিনামের দাম ০.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমেছে। প্যালাডিয়ামের দাম কমেছে ০.৯ শতাংশ; প্রতি আউন্সের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১০ দশমিক ০৬ ডলার।

স্বর্ণের দাম কমল

আবারও ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারে উঠল তেলের দাম

আবার ১১০ ডলার হলো আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানি তেলের দাম। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারে ওঠে। এই অপরিশোধিত তেলের দাম তিন–চার দিন ধরেই বাড়তি আছে। গত সপ্তাহেও তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছিল। পরে অবশ্য ১০৬-১০৭ ডলারে নেমে আসে। মে মাসের পর ব্রেন্টের দাম এই পর্যায়ে ওঠেনি। গত ১৯ মে ব্রেন্টের দাম ছিল ১১১ দশমিক ২৮ ডলার। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম আজ ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ৮১ ডলার হয়েছে। বাজার এখনো চলমান। অয়েলপ্রাইসডটকম থেকে এই তথ্য জানা গেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চলছে। যুদ্ধের প্রথম দিকে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। পরে যুদ্ধবিরতির খবরে দাম কমলেও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সংবাদে দেখা যায়, চলতি বছরের মে মাসে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১১ ডলারের ওপরে থাকলেও জুনের শেষে তা কমে ৭৩ ডলারে নেমে আসে। এপ্রিলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। তখন বাজারে প্রত্যাশা তৈরি হয়, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তবে জুলাই থেকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। দাম আবার বাড়তে থাকে। তেলের বাজারে প্রকৃত সরবরাহের পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির বড় প্রভাব রয়েছে। হরমুজ প্রণালি ও সৌদি আরবের অবকাঠামোতে হামলার ঝুঁকিতে থাকলে তেলের দাম আরও বাড়তে থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আবারও ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারে উঠল তেলের দাম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream