বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
সিলেটে ৩ খু*ন: বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

সিলেটে ৩ খু*ন: বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

সিলেটে গৃহকর্মীর প্রেমের বলি বাড়ির মালিক দম্পতি। সূত্রে জানা যায়, গৃহকর্মীর সঙ্গে ‘শারিরীক সম্পর্কের  চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে বাড়ির মালিক-সহ ৩ খুন দাবি পুলিশের গৃহকর্মীর সঙ্গে ‘শারিরীক সম্পর্কের’ চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে বাড়ির মালিক-সহ ৩ জন খুন হন। তারা হলেন  বাড়িওয়ালা আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম। ইতিমধ্যে সিলেট নগরেতে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী খুনের ঘটনায় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগষ্ট ২০২৬ইং) বিকাল ৩টার দিকে নগরীর রায়নগর এলাকা থেকেই বাবুল মিয়া (৪০) নামের ওই যুবককে আটক করা হয়।পুলিশ বলছে, গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বাবুল মিয়ার। দ্রুততার সঙ্গে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে বলেও দাবি পুলিশের। বাবুল রায়নগরের রাজবাড়ী এলাকার আক্তার মিয়া কলোনির মৃত নূর মিয়ার ছেলে। তিনি রংমিস্ত্রির কাজের পাশাপাশি কসাইয়ের কাজও করতেন।সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বলেছেন, ঘটনার পর সন্দেহ ভাজন হিসেবে বাবুল মিয়াকে আটক করা হয়। সে বাসার রংমিস্ত্রির কাজ করত, মাঝে মাঝে কসাইয়ের কাজও করত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, ওই বাড়িতে কাজ করত। সে সুবাদে কাজের মেয়ে তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে বাবুল ওই বাসাতে প্রবেশ করে। তাহমিনা তাকে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকায়। তারপর দরজা বন্ধ করে দেয়।পুলিশ কমিশনার বলেন, পরে বাবুল গৃহকর্মীকে নিয়ে একটি কক্ষে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন নিয়ে কথা কাটা-কাটি হয়। এর জেরে এক পর্যায়ে বাবুল ছুরি দিয়ে মেয়েটিকে আঘাত করে।তিনি বলেন, শব্দ পেয়ে আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। তাদের চিৎকার শুনে গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তার এগিয়ে আসেন। তখন তাকেও ছুরি মেরে হত্যা করে বাবুল। পরে সে বারন্দা দিয়ে পালিয়ে যায়।তিনি আরও জানান, বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাশের একটি ঝোপঝাড় থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এর আগে সকালে রায়নগরের মিতালী ১১১ নম্বর বাসা থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে মহানগর পুলিশ। তারা হলেন- বাড়ির মালিক আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও তাদের কাজের মেয়ে তাহমিনা (১৮)।আব্দুস সাত্তার সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি রায়নগরে নিজের বাসায়ই থাকতেন। এই দম্পত্তির চার সন্তারে মধ্যে দুই সন্তান লন্ডনে ও দুই সন্তান আমেরিকায় থাকেন।