শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
প্রধান শিক্ষক নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা শুরু ১ অক্টোবর

প্রধান শিক্ষক নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা শুরু ১ অক্টোবর

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে। আজ বুধবার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) ড. মোহাম্মদ মনজুরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অষ্টম এনটিআরসিএ নিয়োগ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) পরীক্ষা-২০২৬ এর এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ১ অক্টোবর সকাল ৯টা হতে শুরু হবে। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগে দেওয়া মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান জানিয়ে দেওয়া হবে। আরও বলা হয়, মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাগজপত্রের মূল কপি এবং প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত এক সেট ফটোকপি নিয়ে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে নির্ধারিত তারিখ এবং নির্ধারিত সময়ের ত্রিশ মিনিট আগে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো। এ ছাড়াও প্রার্থীদের সাত ধরনের কাগজপত্র সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। কাগজপত্রগুলো হলো শিক্ষাগত যোগ্যতার সমর্থনে সকল সনদপত্র ও নম্বরপত্র; অভিজ্ঞতার সনদপত্র; সকল যোগদানপত্র ও নিয়োগপত্র; এমপিওভুক্তি ও এমপিও সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র; প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সনদপত্র; জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ; এমসিকিউ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র। উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপারের ১২ হাজার ৯৫১টি পদে নিয়োগে পরীক্ষা হয়। ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী আবেদন করলেও পরীক্ষায় বসেন ৪৮ হাজার ১৪৬ জন। গত ২২ এপ্রিল এ লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ১৪ হাজার ৯৪২ পরীক্ষার্থী।

অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বন্ধ

অনির্দিষ্টকালের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ‎নতুন শিক্ষক পদায়নের জন্যে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সচিবালয়ে ‎আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। ‎ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, ‘যে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁদের পদায়নের জন্য অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষক বদলি স্থগিত করা হয়েছে।’ চলতি বছর ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর ফল প্রকাশ করা হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত সুপারিশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বন্ধ

আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, বলে বুঝাতে পারবো না: ঢাবি শিক্ষক মোনামি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি ছাত্রদল ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।  সোমবার বিকালে দেওয়া ওই পোস্টে ঢাবি শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি উল্লেখ করেন, তিনি তার ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার একটি ছবি ও পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। কিন্তু তার সেই ছবি শেয়ার করে যে ধরনের অমার্জিত পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি পোস্টে লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ভালো ভাবার কোনো কারণ তিনি দেখেন না। তার মতে, তথাকথিত সুশীল সমাজের একাংশ বিশেষ রাজনৈতিক দল ও নির্দিষ্ট শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সহানুভূতিশীল হলেও অন্য শিক্ষকদের বেলায় উদাসীন থাকে। এছাড়া নিজের ওপর ‘জামায়াত ট্যাগ’ দেওয়ার প্রবণতা নিয়েও তিনি হতাশা ব্যক্ত করেন। পোস্টটিতে ডাকসুর পর থেকে ছাত্রদল ও বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীর আচরণ নীরব দর্শকের মতো সহ্য করে যাওয়ার কথা জানান এই শিক্ষক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের উদ্ধত আচরণ করে ব্যক্তিগত জীবনে কেউ খুব বেশি দূর এগোতে পারে না। পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার মানসিকতাই এমন আচরণের জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি। ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা মন্তব্য করেন। তার সেই কমেন্টের জবাবে শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক ছাত্র নেত্রীকে সহায়তা করার একটি পুরোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বামের এক বড় নেত্রীর অনেক বড় একটা সাহায্য করেছিলাম। সকল দরজা যখন তার জন্য বন্ধ, তখন প্রক্টর অফিসে এসে কেঁদেছিলো, ব্যবস্থা না করলে ওর পড়ালেখা হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। আমি ওর জন্য কত দৌড় ঝাপ দিলাম। অবশেষে ওকে সাহায্য করতে পারলাম। ওকে বল্লামও, সবকিছুর পাশাপাশি এবার পড়াশোনাটা শেষ করো কিন্তু। আমাকে জড়িয়ে ধরলো। সেই সেম মেয়ে কিছুদিন পর রাজুতে দাঁড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভাষণ দিলো। আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, আমি বলে বুঝাতে পারবো না।   

আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, বলে বুঝাতে পারবো না: ঢাবি শিক্ষক মোনামি
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream