অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক শরীফুলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ
ম্যাকাইতে বাংলাদেশ দুই দিনে হেরে গেলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে শরীফুল ইসলামের জন্য ম্যাচটা কাটল স্বপ্নের মতোই। অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনের বিপক্ষেই করলেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং; ৪৮ রানে ৭ উইকেট। স্বাগতিকদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স তাই এই বাঁহাতি পেসারের প্রশংসায় কার্পণ্য করলেন না।
শরীফুলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে গুটিয়ে গিয়েও ম্যাচে টিকে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটাররা মুখ থুবড়ে পড়ায় আর শেষ রক্ষা হয়নি। ইনিংস হারের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে অতিথিদের।
শরীফুলের বোলিং নিয়ে কামিন্স বলেন, ‘সে (শরিফুল) অনেক ভালো বল করেছে। কিছু রানও করেছে। দারুণ সুইং করিয়েছে। বাতাসও ছিল এখানে। সব মিলিয়ে দারুণ ছিল তার বোলিং।’
দুই ইনিংসেই বাংলাদেশের ব্যাটাররা মুখ থুবড়ে পড়ায় ম্যাকাই টেস্ট শেষ হয়েছে মাত্র দুই দিনেই। কামিন্সের মতে, প্রথম ইনিংস শেষেই ম্যাচের লাগাম নিয়েছিল তাঁর দল, ‘এভাবে ভেবে তো আর খেলা শুরু করা যায় না। উইকেট বেশ ভালো ছিল। সবকিছু যেভাবে কাজে লেগেছে তাতে দারুণ খুশি। তবে মিচেল স্টার্ক শুরুর দিকেই আমাদের জন্য ম্যাচটা সহজ করে দিয়েছিল। তার গড়ে দেওয়া ভীতের উপর ভর করেই আমরা এগিয়েছি। শুরুতে বড় লিড পেয়ে গেলে (অনেকটা এগিয়ে যাবেন)। শুরুর অর্ধেই আমরা বাংলাদেশের কাছ থেকে ম্যাচটা ছিনিয়ে নিতে পেরেছিলাম।’
বাংলাদেশের ব্যাটারদের টানা ব্যর্থতা প্রসঙ্গে কামিন্স বলেন, ‘আসলে সঠিক জানি না। বেশ ভালো বোলিং হয়েছে আজকে। ভালো ব্যাটিং উইকেট তবে ফাস্ট এবং বাউন্সি ছিল অনেকটাই। যেটা তাদের হোম কন্ডিশনের চেয়ে ভিন্ন। ফলে দুই কারণই (বাজে শট এবং উইকেট) এখানে কাজ করেছে সম্ভবত।’
প্রতিবারই বাংলাদেশকে ১০০ রানের আগেই আটকে রাখায় নিজেদের বোলারদের প্রশংসা করেছেন কামিন্স। তিনি বলেন, ‘২০ উইকেট নিতে পেরেছেন মানেই দারুণ শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিং হয়েছে। এখানে কন্ডিশন একেবারেই ভিন্ন ছিল। বাউন্সব্যাক করতে পেরে ভালো লাগছে। আগের ম্যাচে কিছুটা হতাশ ছিল। এখানে লেন্থে কিছুটা উন্নতি করেছি আমরা। সবকিছু দেখে আমি দারুণ খুশি। আশা করছি এই সিরিজ থেকে কিছুটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরের সিরিজে যেতে পারব।’