শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চসহ ধারাবাহিক কর্মসূচির ওপর বিএনপি নজর রাখছে। একইসঙ্গে বিরোধী দলের এমন কর্মসূচির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে ক্ষমতাসীন দলটির নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, সংসদে ও রাজনৈতিক বক্তব্যে জবাব দিলেও তারা বিরোধী দলের এসব কর্মসূচিকে এখনই বড় কোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করছেন না।  এমনকি পাল্টা কোনো কর্মসূচির কথাও ভাবছেন না বলেও উল্লেখ করেন তারা। সরকারে থেকে বিরোধীদের কর্মসূচির পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার চেয়ে সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির নেতারা জানান, সরকার সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছে। তবে দলের নেতাদের একটি অংশ মনে করেন, জনসম্পৃক্ত ইস্যুতে বিরোধীরা ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকলে তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। জ্বালানি, বিদ্যুৎ–সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠের কর্মসূচি পালন করছে জামায়াতের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলো। লংমার্চসহ এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে তারা।  অপরদিকে বিএনপির কোনো পাল্টা কর্মসূচি নেই। এমতাবস্থায় বিরোধীদের তৎপরতাকে ক্ষমতাসীন দল কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, সেই প্রশ্নও রাজনৈতিক মহলে উঠেছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচিকে গণতান্ত্রিক চর্চার একটা অংশ হিসেবে দেখছি। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার অধিকার সবার আছে। আমরা এটাকে সেভাবেই দেখছি, এর বেশি কিছু না।’ তবে বিএনপির এই অবস্থানকে জামায়াতে ইসলামী ভিন্নভাবে দেখছে।  দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘বিরোধী দলের কর্মসূচিকে গুরুত্ব না দিলে কি সংসদে প্রতিক্রিয়া দেয়? আমরা মনে করি, সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার ক্যাপাসিটি নেই, বিএনপির আগের সেই নৈতিক অবস্থানও নেই।’ জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংকটের সমাধান, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১–দলীয় জোট ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ করে। আজ জোটের রংপুর অভিমুখে লংমার্চ। পর্যায়ক্রমে খুলনা ও সিলেটসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহর অভিমুখেও একই কর্মসূচি করার ঘোষণা রয়েছে জোটের। এর আগে, প্রথম দফা লংমার্চের বিভিন্ন পথসভা থেকে সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। একাধিক পথসভায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, দেশে বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, জ্বালানি তেল নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। চারদিকে নাই আর নাই শব্দ। ফেনীর মহিপালের পথসভায় সরকারকে আরও সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, এ সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না। আমরা যেখানে বাধা পাব, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’ বিরোধীদের এসব বক্তব্য ও কর্মসূচির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি এখন পর্যন্ত সংসদ ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যেই সীমিত থাকছে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও লংমার্চের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে জ্বালানিসংকটের সমাধানে লংমার্চ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেন, ‘আমরা দেখলাম, একটি বিশাল গাড়ির লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছিল। বাইরে বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল কি না? গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত, তাহলে আমরাই সবচেয়ে আগে লংমার্চের আয়োজন করতাম।’ পাশাপাশি বিরোধীদের লংমার্চের সমালোচনা করেছেন সরকারি দলের অন্য নেতারাও। তাদের বক্তব্যে মূলত এই কর্মসূচির যৌক্তিকতা, জ্বালানিসংকটের বাস্তবতা এবং সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়গুলো সামনে আসছে। বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতাদের ভাষ্য, বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক কর্মসূচির কারণে এখনই এমন কোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন না, যার জন্য দলকে পাল্টা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে হবে। বিরোধীদের কর্মসূচি নজরে রাখলেও রাজপথে একই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জবাব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন না তারা। দলটির নেতাদের ধারণা, কর্মসূচি পালন বিরোধী দলের রাজনৈতিক অধিকার। তবে কোনো কর্মসূচির মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে সরকার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ফলে আপাতত সরকারি কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে বিরোধীদের মোকাবিলার কৌশলেই থাকছে বিএনপি। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে রাজনৈতিক কর্মীদের অনেকে মনে করছেন, বিরোধীদের কর্মসূচিকে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে না ক্ষমতাসীন দল। দলটির নেতাদের একটি অংশেরও বক্তব্য, ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির রাজনৈতিক অগ্রাধিকার বদলেছে। প্রায় দুই দশক বিরোধী রাজনীতিতে থাকার সময় রাজপথের আন্দোলন ছিল দলের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার। এখন সরকার পরিচালনাই প্রধান দায়িত্ব। তাই বিরোধীদের কর্মসূচির জবাবে একই ধরনের কর্মসূচিতে যাওয়ার তাগিদ নেই। তবে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের মতো জনসম্পৃক্ত ইস্যুতে বিরোধীরা নিয়মিত কর্মসূচি দিতে থাকলে সরকারের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা জনগণের কাছে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন হতে পারে- বলে দলের ভেতরেই কেউ কেউ মনে করছেন। ক্ষমতায় আসার পর দলীয় সংগঠন কতটা সক্রিয় রয়েছে, সেই প্রশ্নও বিএনপির সামনে আসছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বড় অংশ ব্যস্ত মন্ত্রিসভা, সংসদ ও প্রশাসনিক কাজে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।  এদিকে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি কতটা সক্রিয় হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিরোধী দলগুলো নিয়মিত কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি জানান দেওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের সাংগঠনিক তৎপরতার বিষয়টিও আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।  

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রুহুল কবির রিজভী

সপ্তাহখানেকের মধ্যেই দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘দেশে চলমান বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই।’ গ্যাসের সরবরাহ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদী। সরকার ও দল হিসেবে বিএনপি একে অপরের সহযোগী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রিজভী বলেন, চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি দ্রুত সব ধরনের সংকটের সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রুহুল কবির রিজভী

বিএনপি কখনো জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেনি: রিজভী

বিএনপি এখন আগের চেয়েও জনপ্রিয় ও শক্তিশালী রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বুধবার (২৬ আগস্ট) আয়োজিত দলের যৌথ সভা শেষে নয়া পল্টন কার্যালয়ে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘সারা দেশে বিএনপি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। দলটি কখনো জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেনি। জনগণের অঙ্গীকার রক্ষা করে যাচ্ছে। বিএনপি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।’  তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের পর মানুষ ভয়ংকর রুদ্ধশ্বাস থেকে মুক্তি পেয়েছে। নির্বাচনের সব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলোচনা সমালোচনা উপেক্ষা করে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করায় প্রধানমন্ত্রী জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।’

বিএনপি কখনো জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেনি: রিজভী

রংপুরের হত্যাকাণ্ডে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রংপুরে সাবেক শিক্ষক ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা না হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হতো বলে মন্তব্য করেছেন। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, সবাইকে রংপুরের ঘটনা কাঁদিয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা না হলে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তিনি এ ঘটনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করে তা নির্মূল করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। অপরাধ করলেই তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে আরও উত্তরণ ঘটাতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, দেশের কোথাও কোনো ধরনের মাদক থাকা উচিত নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে মাদক কারবারীরা যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায়—এটাই সবার প্রত্যাশা। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তিনি বলেন, জাতীয় জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করলে মানবজীবনে সফলতা অর্জন সম্ভব। এর মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যাবে। রিজভী আরও বলেন, বর্তমান সরকার সব ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা গণমাধ্যম, জনগণ এবং তৃণমূলের সামনে জবাবদিহি করছেন।

রংপুরের হত্যাকাণ্ডে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী

দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষাই এখন মূল দায়িত্ব: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দলের নাম ভাঙিয়ে যারা অপকর্মে জড়িয়ে পড়বে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করাই এখন মূল দায়িত্ব।  তিনি সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন।  বর্তমান সরকারের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে জনগণের জন্য কাজ করছে। দল ও জনগণের জন্যও কাজ করছে। জনগণের মাঝে তারেক রহমান সরকার জনপ্রিয়তা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’ বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, হাজারো ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও দলটি তা মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ওপর থাকবে বলে জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। দলীয় প্রতীক না থাকায় এ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষাই এখন মূল দায়িত্ব: রিজভী

‘গুম-খুন আর ধ্বংসস্তূপের’ ওপর রাষ্ট্র গড়ার কাজ চলছে: রিজভী

বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গুম, খুন, অরাজকতা ও মেগা দুর্নীতির ‘ভগ্নস্তূপের’ ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের শাপলা হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ‘১৮০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।রুহুল কবির রিজভী বিগত সরকারের আমলের নৈরাজ্যের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা একটি ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে সরকার গঠন করেছি। নৈরাজ্যের এক ধূসর পরিবেশ আর চারদিকে ছিল অরাজকতা। কখন কে গুম হয়ে যাবে, কে কখন অদৃশ্য হবে-তার কোনো ইয়ত্তা ছিল না।’তিনি অভিযোগ করেন, মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা ওই সময়ে ছিল না। ভিন্নমত পোষণ করলেই মানুষকে গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হতে হতো। এমনকি একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে নৌকার মধ্যে পিটিয়ে হত্যার মতো নৃশংস ঘটনাও সেই দুঃশাসনের অংশ ছিল।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ সুগম হয় ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মাধ্যমে । যাতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ফিলিপাইনের ক্যাসিনোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮৫০ কোটি টাকা উধাও হয়ে চলে গেছে। সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক-একটির পর একটি ব্যাংক লোপাট হয়ে গেছে। মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা লুটপাট ও মেগা দুর্নীতি হয়েছে।তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম দিন থেকেই সক্রিয় রয়েছেন। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি এবং পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ অভিযানের মাধ্যমে সরকার সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।তিনি বলেন, দুর্যোগ ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতিকে কিছুটা মন্থর করলেও সরকার দমে যায়নি। সরকার তা অতিক্রম করে জনগণের স্বস্তি ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। সামাজিক সুরক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি রক্ষার চেষ্টা চলছে।সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।

‘গুম-খুন আর ধ্বংসস্তূপের’ ওপর রাষ্ট্র গড়ার কাজ চলছে: রিজভী

জনগণের স্বস্তির জন্য কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী

জনগণের স্বস্তি নিশ্চিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও দেশের বিরাজমান সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সরকারের ছয় মাসে (১৮০ দিনের) কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনুষ্ঠানে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রমুখ উপস্থিত আছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

জনগণের স্বস্তির জন্য কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream