সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
লিড হারিয়ে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের বাজিমাত

লিড হারিয়ে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের বাজিমাত

রিয়াল মাদ্রিদ দুই গোলের লিড ধরে রাখতে পারেনি। ৯১তম মিনিটে শেষ পর্যন্ত কার্লোস এস্পির গোলে লা লিগায় এলচেকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। ম্যাচের শেষ দিকে একসঙ্গে একাধিক আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় মাঠে নামিয়ে বড় ঝুঁকি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রিয়াল কোচ জোসে মরিনিও। প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। আরদা গুলের ফ্রি কিক এলচের গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। এরপর ইয়ান দিয়োমান্দের ক্রস থেকে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে দুটি গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরায় এলচে। এরপর মরিনিও কার্লোস এস্পি ও এন্দ্রিককে মাঠে নামান। এমবাপ্পে, জুড বেলিংহাম, দিয়োমান্দে ও ব্রাহিম দিয়াজের সঙ্গে যোগ দেন এই দুই ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত সেই ঝুঁকিই কাজে দেয়। বেলিংহামের পাস থেকে এমবাপ্পে বল পেয়ে ক্রস করেন। সেই ক্রস থেকে ৯১তম মিনিটে গোল করেন এস্পি। ম্যাচ শেষে মরিনিও বলেন, ‘শেষ দিকে পরিবর্তনগুলো করার সময় আমি সবকিছুই ঝুঁকিতে রেখেছিলাম। আমরা জিতেছি, তবে হেরেও যেতে পারতাম। আমাদের এটা করতেই হতো, কারণ ড্র যথেষ্ট ছিল না।’ এস্পির প্রশংসাও করেছেন মরিনিও। চলতি মৌসুমে এবার দ্বিতীয় ম্যাচে শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ গোল করলেন এই ফরোয়ার্ড। এর আগে এস্পানিওলের বিপক্ষেও শেষ মুহূর্তে গোল করেছিলেন তিনি। রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে দুর্দান্ত বাইসাইকেল কিক থেকে সমতাসূচক গোল করলেও সেটি বাতিল হয়েছিল। এস্পি সম্পর্কে মরিনিও বলেন, ‘সে (এস্পি) ভালো করছে, দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তার সামনে এমন একজন খেলোয়াড় আছে, যিনি স্বাভাবিক কোনো খেলোয়াড় নন (এমবাপ্পে)। দুজনকে একসঙ্গে খেলানো সহজ নয়।’ তবে দুই গোলের লিড নষ্ট করায় রিয়ালের সমস্যাটাও স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করেন মরিনিও। ম্যাচ শেষ করার মতো একাধিক সুযোগ পেয়েও দল সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি বলে জানান তিনি, ‘যেসব ম্যাচ দেখে মনে হয় সব শেষ, সেসব ম্যাচে আমরা তিন, চার, পাঁচটি সুযোগ পাই ম্যাচটা শেষ করে দেওয়ার। কিন্তু তা করি না।’ মরিনিও আরও যোগ করেন, ‘আমরা গোল করতে পারিনি, ৩ বা ৪-০ করে ম্যাচটা শেষ করতে পারিনি। যখন বিষয়টা সহজ মনে হয়, তখনই আপনি এমন সুযোগ দিয়ে বসেন, বিশেষ করে প্রতিপক্ষের মাঠে এবং এমন সব স্টেডিয়ামে। ওরা একটি গোল করে এবং ম্যাচটা উন্মুক্ত হয়ে যায়। ভালো বিষয় হলো, কঠিন পরিস্থিতিতে দল প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং জিতে যায়।’

এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে রিয়ালের হোঁচট

মৌসুমের দারুণ শুরুর পর হোঁচট খেল রিয়াল মাদ্রিদ। কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হারের ম্যাচে যোগ করা সময়ে। ফরাসি ফরোয়ার্ডের শট ঠেকিয়ে দেন বেতিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস। ফিরতি বলও ক্লিয়ার করে দেন মার্ক বার্ত্রা। তবে পেনাল্টি মিস বিতর্কের কেন্দ্রে নয়, বরং বার্ত্রার আগেভাগে বক্সে ঢুকে পড়া। রিয়াল সমর্থকদের দাবি, পেনাল্টি নেওয়ার আগে বার্ত্রা বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন। ফিরতি বল থেকে এমবাপ্পেকে গোলের আরেকটি সুযোগ না দেওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী পেনাল্টি পুনরায় নেওয়া উচিত ছিল। ভিএআর পর্যালোচনার পর অবশ্য রেফারি পেনাল্টি পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেননি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, পেনাল্টি নেওয়ার আগে বার্ত্রা বক্সে ঢুকেছিলেন ঠিকই, কিন্তু এমবাপ্পে শট নেওয়ার মুহূর্তে তার কোনো পা মাটিতে ছিল না। এ কারণেই সেটিকে নিয়মভঙ্গ হিসেবে ধরা হয়নি। ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, পেনাল্টি কিক নেওয়ার সময় অন্য খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট অবস্থান মেনে চলতে হয়। তবে কোনো খেলোয়াড় আগেভাগে বক্সে ঢুকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেনাল্টি পুনরায় নিতে হবে, এমন নয়। ওই খেলোয়াড়ের অবস্থান ও পরবর্তী ঘটনায় তার প্রভাবও বিবেচনা করা হয়। তাই বার্ত্রার আগাম প্রবেশ থাকলেও, তার অবস্থানকে শাস্তিযোগ্য অনুপ্রবেশ হিসেবে না দেখায় এমবাপ্পেকে দ্বিতীয়বার পেনাল্টি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই হারের ফলে রিয়ালের টানা তিন জয়ের শুরু থেমে গেল। ৪ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। ৩ ম্যাচে সমান ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। ম্যাচে রিয়াল একাধিক সুযোগ পেয়েছিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লাগে। এমবাপ্পের দুটি প্রচেষ্টা রুখে দেন নাতান ও বার্ত্রা, আরেকটি শট লাগে ক্রসবারে। ৮৭ মিনিটে কার্লোস এস্পির বাইসাইকেল কিক থেকে গোল হলেও অফসাইডের কারণে ভিএআরে সেটি বাতিল হয়। বেতিসের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ট্রয় পারট। ম্যাচ শেষ হওয়ার নয় মিনিট আগে নেলসন দেওসার হেড কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে গোল করেন পারট। হারের পর রেফারিং নিয়ে অভিযোগ করেননি রিয়াল কোচ হোসে মরিনিও। তার মতে, দল যথেষ্ট সুযোগ তৈরি করেছিল এবং জয়ের যোগ্যও ছিল। তবে সুযোগ তৈরি করলেই যে জয় নিশ্চিত হয় না, সেটিও স্বীকার করেছেন তিনি।

এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে রিয়ালের হোঁচট

বিশ্বকাপের সেই এমবাপ্পে, এবার রিয়ালের জার্সিতে হ্যাটট্রিক

বিশ্বকাপের ফর্মটাই কিলিয়ান এমবাপ্পে টেনে এনেছেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়েও। নতুন মৌসুমে স্প্যানিশ ক্লাবের হয়েই করে ফেললেন হ্যাটট্রিক। রিয়াল কোচ জোসে মরিনিও চান, এমবাপ্পে যেন তাঁর ক্ষুধার্ত মনোভাব ধরে রাখেন ক্লাবের জার্সিতেও।এমবাপ্পে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপে গোল ও অ্যাসিস্ট করে রেকর্ড বই ওলট পালট করে দেন। গতকাল রিয়াল মাদ্রিদ জিতেছে ৪-১ গোলে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তাঁর হ্যাটট্রিকে লা লিগায় রিয়াল সোসিয়াদাদের বিপক্ষে। এমবাপ্পের প্রশংসা করতে গিয়ে মরিনিও তাঁর বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের কথাও উল্লেখ করেছেন। সোসিয়াদাদকে হারানোর পর রিয়াল মাদ্রিদ কোচ বলেন, ‘সে একজন ঐতিহাসিক খেলোয়াড়। বিশ্বকাপে তার রেকর্ড চিরকাল অমলিন থাকবে। রিয়াল মাদ্রিদেও ইতিহাস গড়তে সে ভীষণ ক্ষুধার্ত।’এমবাপ্পে গতকাল রিয়াল মাদ্রিদের তিন ফুটবলারের অবদানে যে তিনটি গোল করেছেন। ৪০ মিনিটে এমবাপ্পে ফেদেরিকো ভালভের্দের পাস রিসিভ করে বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করেন। প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপ্পে আরও বেশি ক্ষুধার্ত হয়ে ওঠেন। ফরাসি ফরোয়ার্ড ৬০ মিনিটে গোল করেন জুড বেলিংহামের অ্যাসিস্টে। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পাস রিসিভ করে ৮০ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এমবাপ্পে।মরিনিও শিষ্যদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে গিয়ে বারবার এমবাপ্পের কথাই বলেছেন। ৪-১ গোলে জয়ের পর রিয়াল কোচ বলেন, ‘খেলায় সে খুবই সক্রিয় থাকে। আপনি যখন এমন মানের (এলিট) খেলোয়াড়দের কোচিং করান, তখন তাদের কী করতে হবে, সেটা শেখানোর প্রয়োজন হয় না। পুরো দলকে একটি ইউনিট হিসেবে কোচিং করাতে হবে আপনাকে।’২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুটের পুরস্কার জেতেন এমবাপ্পে। গোলের পাশাপাশি চারটি অ্যাসিস্টও করেন তিনি। ২২ গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন ফরাসি ফরোয়ার্ড। গতকাল রাতে রিয়াল সোসিয়াদাদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করা এমবাপ্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মরিনিও বলেন, ‘সে শুধু একজন গোলদাতা নয়। পুরো দলকে সুযোগ তৈরি করে দিতে অপেক্ষা করবে এবং তারপর শুধু গোল করবে—বিষয়টা এমনও নয়।’টানা দুইবার বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতেন এমবাপ্পে। ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপে করেছিলেন ৮ গোল। যার মধ্যে ছিল ফাইনালে হ্যাটট্রিকও। সেবার ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ৩৬ বছর পর জিতেছিল বিশ্বকাপ। আর সদ্য সমাপ্ত ফুটবল বিশ্বকাপে এমবাপ্পের দল হয়েছে চতুর্থ।রিয়াল মাদ্রিদের হয়েও এমবাপ্পের সময়টা দারুণ যাচ্ছে। দুই বছরে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ১০৫ ম্যাচে ৮৯ গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট রয়েছে ১২ গোলে। তবে ২০২৪-২৫, ২০২৫-২৬—তিনি আসার পর এই দুই মৌসুমে রিয়াল কোনো শিরোপাই জিততে পারেনি। সদ্য শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ মৌসুমে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। দুই ও তিনে থাকা রিয়াল বেতিস ও সেভিয়ারও পয়েন্ট ৬। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সবার ওপরে মরিনিওর রিয়াল।

বিশ্বকাপের সেই এমবাপ্পে, এবার রিয়ালের জার্সিতে হ্যাটট্রিক

ভিনিসিয়ুসকে আল্টিমেটাম দিল রিয়াল মাদ্রিদ

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নতুন চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডকে আল্টিমেটাম দিয়েছে রিয়াল। এর মধ্যেই ইনস্টাগ্রাম থেকে নিজের সব পোস্ট মুছে দিয়ে এবং কিছু সময়ের জন্য প্রোফাইল ছবিও সরিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভিনিসিয়ুস।ভিনিসিয়ুসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। তবে রিয়াল মাদ্রিদ সেটি ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়াতে চায়। এ নিয়ে বুধবার (৫ আগস্ট) ক্লাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিনিসিয়ুসের প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান রক নেশনের বৈঠক হয়। বৈঠকে কিছু অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তবে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে দলে রাখতে আগের প্রস্তাব আরও উন্নত করেছে রিয়াল। নতুন প্রস্তাবে তাকে বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ ইউরো নেট বেতন এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত নতুন চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।তবে ভিনিসিয়ুস বছরে প্রায় ৩ কোটি ইউরো আয় করতে চান। যদিও সাম্প্রতিক আলোচনায় নিজের সেই দাবিতে কিছুটা ছাড় দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। বেতনের সঙ্গে বিভিন্ন পারফরম্যান্সভিত্তিক বোনাস যুক্ত করার মাধ্যমে ব্যবধান কমানোর পথ খোলা রেখেছেন তিনি।চুক্তির আরেকটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে নবায়ন বোনাস ও স্বত্ব থেকে পাওয়া আয়। বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ ও ভিনিসিয়ুসের মধ্যে ছবিস্বত্বের আয় সমান ৫০ শতাংশ ভাগ হয়। নতুন চুক্তিতে নিজের অংশ আরও বাড়াতে চান ভিনিসিয়ুস। ফলে বেতন ছাড়াও এসব বিষয় এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে। এর মধ্যেই নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে সব পোস্ট মুছে দিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। চুক্তি নবায়ন নিয়ে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই এমন পদক্ষেপ নেওয়ায় অনেকেই এর সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার যোগসূত্র খুঁজছেন।ভিনিসিয়ুসের সঙ্গে সমঝোতা না হলে তাকে নিয়ে আগ্রহী ক্লাবগুলোর সংখ্যা বাড়তে পারে, এমন বাস্তবতা মাথায় রেখেই দ্রুত সিদ্ধান্ত চায় রিয়াল মাদ্রিদ। তবে দুই পক্ষে টানাপড়েনের সুযোগটা নিতে চাইছে আর্সেনাল। ভিনিসিয়ুসকে দলে ভেড়াতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আর্সেনালের ক্রীড়া পরিচালক আন্দ্রেয়া বের্তা ইতোমধ্যেই ভিনিসিয়ুসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। রিয়াল ও ভিনিসিয়ুসের আলোচনা যত দীর্ঘ হবে, ইংলিশ ক্লাবটির জন্য ততই সুযোগ তৈরি হবে।

ভিনিসিয়ুসকে আল্টিমেটাম দিল রিয়াল মাদ্রিদ
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream