শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: গণতন্ত্র ও দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: গণতন্ত্র ও দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর

মোহাম্মদ মাসুদ মজুমদার:জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আহমেদ আযম খান এমপি গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত মোকাবিলায় দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জনাব মো. আবুল হাশানাত হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব ইশরাক হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক জনাব আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি জনাব ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এবং ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব ইলিয়াছ খান।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এমপি বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতার অন্যতম মূল অঙ্গীকার ছিল গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পথে নানা বাধা সৃষ্টি হয়েছে এবং এ দেশের মানুষ নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল-জুলুম ও গুমের শিকার হয়েছে। এমন এক সংকটময় ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ইতিহাসের প্রয়োজনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী দেশকে রক্ষায় এগিয়ে আসে।মন্ত্রী বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু দেশের স্বাধীনতা রক্ষাই করেননি, ক্রান্তিলগ্নে দেশের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ এবং জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুসংহত অগ্রগতির মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর রাষ্ট্রচিন্তা, দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।মন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় জীবনে বিভাজন ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন সব অপতৎপরতা মোকাবিলা করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে হবে। একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও জাতীয় সংহতির কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জনাব মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্যান্য অতিথিরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর তাৎপর্য এবং গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় সংহতি প্রতিষ্ঠায় দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।আলোচনা সভা শুরুর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমন্ত্রিত অতিথি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream