বিএনপির মহাসচিব হচ্ছেন রুহুল কবির রিজভী
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন—এমন আলোচনা রাজনীতিতে এখন তুঙ্গে। তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে সমাসীন হলে দলের পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন, তা নিয়ে বিএনপির ভেতরে-বাইরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই পদের জন্য সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান এবং হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দিকেই পাল্লা ভারী। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলে তিনি দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।মহাসচিব পদের দৌড়ে রিজভী: জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে থেকে দীর্ঘদিন তৃণমূলের সংগঠক ও রাজপথের সক্রিয় নেতা হিসেবে রুহুল কবির রিজভী দল পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্থান না পেলেও পরবর্তীতে তাকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হয়।দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া: ২০১১ সালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তৎকালীন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে প্রথমে ‘ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব’ করা হয় এবং পরবর্তীতে ২০১৬ সালের কাউন্সিলে তিনি পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হন। রিজভী আহমেদের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়ায় প্রথমে ভারপ্রাপ্ত ও পরে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।পরবর্তী মহাসচিব পদ নিয়ে আলোচনার বিষয়ে রুহুল কবির রিজভী জানান, এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। তিনি বলেন, “আমি দলের প্রতি শতভাগ আনুগত্য প্রকাশ করেই কাজ করছি। দল আমাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে, সেটা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের নীতিনির্ধারকরাই ঠিক করবেন।”