বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
এআইয়ের জাদুতে আশির দশকে ফিরছেন নেটিজেনরা

এআইয়ের জাদুতে আশির দশকে ফিরছেন নেটিজেনরা

আকর্ষনীয় একটি ছবিতে খুব পরিপাটি বেশে নারী অথবা পুরুষ। পরনে আশির দশকের পোশাক। চুলের স্টাইলও সেই সময়ের। ব্যাকগ্রাউন্ডে কৈশর বা যৌবনের তপ্ত সময়ের ফেলে আসা রাস্তা। ছবিটির রঙও কিছুটা ফিকে। দেখলে মনে হবে, চার দশক আগে কোনো এক বিকেলে ক্যামেরায় বন্দি হয়েছিল মুহূর্তটি।  কিন্তু ছবিটি আসলে তোলা হয়নি আশির দশকে। এমনকি সেই সময় ছবিতে থাকা মানুষটির জন্মই হয়নি হয়তো। ছবিটি বানিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। স্যোশালমিডিয়ায় এখন এমন ছবির ছড়াছড়ি। বিশেষ করে ফেসবুকে নিজেদের ছবি দিয়ে আশির দশকের আবহ তৈরি করে প্রোফাইল ছবি কিংবা পোস্ট হিসেবে শেয়ার করছেন অনেকে। কেউ নিজেকে দেখছেন তরুণ বয়সের পোশাকে। কেউ ফিরছেন পুরোনো পরিচিত রাস্তায়। কেউ আবার বন্ধু, ভাই-বোন কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তৈরি করছেন এমন ছবি, যার কোনো বাস্তব অস্তিত্বই ছিল না। প্রযুক্তির ভাষায় এটি একটি এআই জেনারেটেড ইমেজ। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাষায় এটি যেন ‘হারানো সময়কে ফিরে পাওয়া’। কেন আশির দশক? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে নস্টালজিয়ার কাছে যেতে হয়। আশির দশক মানে অনেকের কাছে ক্যাসেট, ভিসিআর, ফিল্ম ক্যামেরা, বড় চুল, রঙিন শার্ট, পুরোনো সিনেমার পোস্টার, পাড়ার দোকান আর দীর্ঘ আড্ডা। সেই সময়ের প্রযুক্তি ছিল সীমিত, কিন্তু তার দৃশ্যমান সংস্কৃতির একটি আলাদা চরিত্র ছিল। বর্তমানের অত্যন্ত পরিষ্কার, নিখুঁত ও ডিজিটাল ছবির বিপরীতে আশির দশকের ছবির কৃত্রিম ‘অসম্পূর্ণতা’ও এখন আকর্ষণের অংশ। ছবিতে সামান্য গ্রেইন, পুরোনো ক্যামেরার আলো কিংবা বিবর্ণ রঙ এসবই এআই দিয়ে করা যাচ্ছে। আর এখানেই তৈরি হচ্ছে নতুন এক ধরনের নস্টালজিয়া। মজার বিষয় হলো, এই নস্টালজিয়া শুধু আশির দশকে বেড়ে ওঠা মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা নেই- এমন তরুণরাও রেট্রো সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অর্থাৎ এখানে শুধু স্মৃতি কাজ করছে না; কাজ করছে কল্পিত স্মৃতিও। এআই কীভাবে ‘পুরোনো’ ছবি বানায়? এআইকে একটি ছবি এবং নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়। যেমন- আশির দশকের পোশাক, পুরোনো ফিল্ম ক্যামেরার লুক, সেই সময়ের রাস্তা, ঘরের সাজ, আলো বা রঙের ব্যবহার। এরপর এআই মানুষের মুখের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ধরে রেখে আশপাশের দৃশ্য ও পোশাককে নতুনভাবে তৈরি করে। ফলে একজন মানুষকে এমন একটি সময়ে বসানো সম্ভব হয়, যখন তিনি বাস্তবে সেখানে ছিলেন না। এটি অনেকটা ডিজিটাল সময়ভ্রমণের মতো। ছবি কি আর প্রমাণ? একসময় ছবি ছিল ঘটনার প্রমাণ। কোনো ঘটনা ঘটেছিল, তার সবচেয়ে শক্তিশালী দৃশ্যমান দলিলগুলোর একটি ছিল ছবি। কিন্তু জেনারেটিভ এআই সেই ধারণা বদলে দিচ্ছে। এখন এমন একটি ছবি তৈরি করা সম্ভব, যেখানে মানুষটি সত্যিই ছিলেন না, ঘটনাটিও ঘটেনি। অথচ ছবিটি দেখতে এতটাই বাস্তব হতে পারে যে সাধারণ চোখে পার্থক্য করা কঠিন। এই কারণেই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত ও লেবেল করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। মেটা তাদের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডসে এআই-তৈরি ছবি শনাক্ত হলে ‘AI Info’ লেবেল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন একটি নতুন প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে- ছবিটি সুন্দর কি না, তার পাশাপাশি ছবিটি সত্য কি না।

শিক্ষার্থী সিফাতের মুক্তি দাবি ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে

বিরোধী দলনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি ও প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করায় গ্রেপ্তার কলেজ শিক্ষার্থী সিফাত আবদুল্লাহর অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন। মতিঝিলে আজ শনিবার ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম ‘লংমার্চ’ শুরুর আগে আয়োজিত উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এই দাবি জানান। ‘তাকে মুক্তি দিন। শান্তিপূর্ণভাবে মুক্তি দিন। যদি তা না করেন, তবে মনে রাখবেন যে নূর হোসেন, ইয়াসমিন এবং ড. মিলনের মতো অনেকেই ক্ষমতার আসনে থাকা অনেকের বিরুদ্ধেই পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছিলেন। কেউ বলতে পারে না কখন পচা শামুকের ওপর পা দিয়ে তার পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে’ বলেন জামায়াত আমির  বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, সিফাতকে থানায় নিয়ে গিয়ে দলীয় কর্মীরা হেনস্তা করেছে। তিনি বলেন, ওই শিক্ষার্থীকে এমনভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যেন তার মন্তব্য ‘বাংলাদেশকে ওলটপালট করে দিতে পারে’। ‘সিফাত যে ভাষা ব্যবহার করেছে তাকে সমর্থন না করলেও, যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ সিফাতের মতোই গর্জন করবে’, যোগ করেন শফিকুর রহমান। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ছয় দফা দাবিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এই লংমার্চ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। তবে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় শফিকুর রহমান এতে সপ্তম দাবি হিসেবে ‘চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের প্রত্যাখ্যানের’ ঘোষণা যুক্ত করেন। সমাবেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে রাজপথে নামিনি, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য নেমেছি। রাজপথ, মহাসড়ক কিংবা জাতীয় সংসদ— সবখানেই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।’ সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ দাবি করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অলি আহমদ বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ লংমার্চে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। জনগণের দাবি মেনে না নিলে সরকারকে পদত্যাগ করা স্বৈরাচারদের পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।’ অন্যদিকে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু অভিযোগ করেন, সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন সংস্কার এজেন্ডা ও প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল ও লোডশেডিং থামেনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক সরকারকে সতর্ক করে বলেন, ‘সরকার যদি দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করতে চায়, তবে আমরা বারণ করব। কিন্তু তাতেও কাজ না হলে কঠোর অবস্থান নিতে আমরা দ্বিধা করব না।’ মতিঝিলের সমাবেশ শেষে হাজার হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে জোটের লংমার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর এবং আগামী মাসে খুলনা ও সিলেটে অনুরূপ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

শিক্ষার্থী সিফাতের মুক্তি দাবি ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে

প্রেস কনফারেন্সের ঘর এখন ইতিহাসের পাঠশালা: ফারুকী

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও  নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, একসময় যে ঘরে হতো নানা ‘প্রেস কনফারেন্স’, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সেই ঘরই এখন পরিণত হয়েছে ইতিহাসের পাঠ নেওয়ার জায়গায়। বর্তমানে সেখানে চলছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও ভিড় করছেন জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে। জাদুঘরের দুই সময়ের দুটি ছবি একই কক্ষের স্যোশাল মিডিয়ায় সোমবার (২৪ আগস্ট)  শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিগুলোর মাধ্যমে কক্ষটির অতীত ও বর্তমানের পরিবর্তন তুলে ধরেছেন তিনি। ফারুকী লেখেন, ‘এক সময় এই ঘরে প্রেস কনফারেন্স নামে সেই অদ্ভুত জিনিসগুলো হইতো। তারপর আসলো ৩৬ জুলাই। আমরা ঘরটা এই রকম পাইলাম। জনতার ক্ষোভের দাগ সর্বত্র।’ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কক্ষটিরও পরিবর্তন হয়েছে। ফারুকীর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এর নাম ‘মুনসুন থিয়েটার’। সেখানে প্রতিদিন চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে গত ১৬ বছরের ইতিহাস। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আর এখন এটার নাম মুনসুন থিয়েটার। এখানে প্রতিদিন চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে ১৬ বছরের ইতিহাস দেখেন দর্শনার্থীরা। অনেকগুলা শো হয়।’ শুধু বড়দের নয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও নজর কেড়েছে ফারুকীর। সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত একটি প্রদর্শনীর ছবি পোস্ট করে তিনি জানান, নির্ধারিত শনিবারের বাইরেও স্কুলশিক্ষার্থীরা জাদুঘর দেখতে আসছে। ফারুকী লিখেছেন, ‘ছবিতে অনেক স্কুল ছাত্রদের দেখা যাচ্ছে। তার মানে স্কুল ছাত্রদের জন্য নির্ধারিত শনিবারের বাইরেও তারা যাচ্ছে। ভেরি ইন্সপায়ারিং।’ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তার তত্ত্বাবধানেই শুরু হয়েছিল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের কাজ।

প্রেস কনফারেন্সের ঘর এখন ইতিহাসের পাঠশালা: ফারুকী

খালেদা জিয়ার সাজে ক্যামেরার সামনে চমক

অভিনেত্রী, মডেল ও ভ্লগার রুকাইয়া জাহান চমক সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ করে চমকে দিয়েছেন। প্রয়াত এই সাবেক সরকার প্রধানকে নিয়ে ভ্লগ সিরিজের নতুন একটি পর্বে তার আলোচনার বিষয় ছিল। সেখানে বেগম জিয়ার সাজে ক্যামেরার সামনে আসেন অভিনেত্রী; যা দেখে নেটিজেনরা প্রশংসায় ভাসছেন চমক। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’ নামের ভ্লগ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের ১৯তম পর্ব প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। ‘বেগম খালেদা জিয়া’ শিরোনামের ওই ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, এটি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর গল্প; যিনি গণতন্ত্রের মা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আপসহীন নেত্রী।  ঢাকার জিয়া উদ্যানসহ স্টুডিওতে ধারণ করা ওই ভিডিও; সেখানে চমককে হালকা রঙের প্রিন্টের শাড়ি, গলায় মুক্তার মালা ও চোখে সানগ্লাস পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়, যা অবিকল বেগম জিয়ার পরিচিত উপস্থিতিকে মনে করিয়ে দেয়।  ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মন্তব্যের ঝড় ওঠে। অনেকেই তার নিখুঁত সাজ ও সাবলীল উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন।  কমেন্ট বক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন, চমক আসলেই একজন প্রতিভাবান শিল্পী, পুরো খালেদা জিয়ার মতোই লাগছে। কেউ কেউ বলেছেন, এই প্রথম কেউ তাকে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করল।  আবার কারও মতে, ভিডিওটি দেখে মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল যেন সত্যিই বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে চলতি বছরে কুষ্টিয়ার একটি আসন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য বিএনপির হয়ে মনোনয়ন ফরম কিনেও বেশ আলোচনায় এসেছিলেন চমক। সে সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।  রুকাইয়া জাহান চমক ২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে শোবিজে পা রাখেন। এরপর তিন বছরের বিরতি নিয়ে ২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয় শুরু করেন।  ‘হায়দার’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ এবং ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো জনপ্রিয় সব নাটক ও ওয়েব সিরিজে কাজ করে অল্প দিনেই দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে ভ্লগিং নিয়েও ব্যস্ত দেখা যায় তাকে।

খালেদা জিয়ার সাজে ক্যামেরার সামনে চমক
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream