মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে ‘না’ বলছে নিউজিল্যান্ড

১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে ‘না’ বলছে নিউজিল্যান্ড

১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের নিউজিল্যান্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন জানিয়েছেন, তাঁর দল এই বিষয়ে সংসদে একটি বিল উত্থাপন করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোকে আইন অমান্য করলে তাদের বৈশ্বিক আয়ের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রস্তাবিত বিলে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ে ‘যৌক্তিক পদক্ষেপ’ নিতে হবে। এ জন্য বিদ্যমান অ্যাকাউন্টের তথ্য, মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল পরিচয়পত্র ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এক বিবৃতিতে সোমবার (২৪ আগস্ট) লাক্সন বলেন, নিউজিল্যান্ডের একটি প্রজন্মের শিশুদের যে ক্ষতি হচ্ছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। তিনি মত দেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিশুদের ক্ষতিকর কনটেন্ট, আসক্তি তৈরি করা প্রযুক্তি এবং এমন নানা চাপের মুখে ফেলছে, যা সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুতি তাদের নেই। এর প্রভাব তাদের পারিবারিক জীবন, মানসিক স্বাস্থ্য, ঘুম ও শিক্ষার ওপর পড়ছে। তবে বিলটি সংসদে পাস হওয়ার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন পাবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। লাক্সনের জোটসঙ্গী নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি ইতিমধ্যে প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছে। দলের নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স বলেছেন, এই ধরনের আইন দেশকে ভুল পথে নিয়ে যেতে পারে। শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখার দায়িত্ব মূলত অভিভাবকদের বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গত ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করে। তবে লাক্সন স্বীকার করেছেন, সব শিশুকে পুরোপুরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। তারপরও বিষয়টি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে এ উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে নিউজিল্যান্ড

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার লড়াইয়ে তীব্র ধাক্কা দিয়ে এবার প্রকাশ্যে তার বিরোধিতা শুরু করেছে নিউজিল্যান্ড। বাণিজ্যিক মালিকানা বিক্রির বিতর্ক ও পরবর্তীতে বাতিল হওয়া পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে দেশটি। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের মহাদেশীয় সংস্থা ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশনের (ওএফসি) অবস্থানের গ্রাহ্য না করে অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত মেগা বিশ্বকাপে ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে একমাত্র যোগ্যতা অর্জনকারী দল নিউজিল্যান্ড অনাস্থা প্রকাশ করায় ইনফান্তিনোর ওপর চাপ আরও বহুগুণ বেড়ে গেল। ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব পর্যালোচনা এবং মেগা টুর্নামেন্টে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার প্রক্রিয়া নিয়ে ইউরোপের উয়েফা, এশিয়ার এএফসি এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কনকাকাফ ইতিমধ্যেই তার বিরুদ্ধে সরাসরি বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। আগামী বছর মার্চ মাসে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসে চতুর্থ মেয়াদের জন্য নির্বাচনে লড়বেন ইনফান্তিনো। ফিফার মোট ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে এই তিনটি বিদ্রোহী কনফেডারেশনের অধীনেই রয়েছে ১৩৬টি ভোট।নিউজিল্যান্ড ফুটবলের (এনজেডএফ) প্রধান নির্বাহী অ্যান্ড্রু প্র্যাগনেল রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন যে, ফিফা নেতৃত্বের ওপর আস্থা চরমভাবে হ্রাস পাওয়ায় তারা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন। প্র্যাগনেল ফিফার নিজস্ব তড়িঘড়ি কোনো তদন্তের পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট নিরপেক্ষ ও স্বাধীন পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গোপন প্রক্রিয়া উন্মোচিত হয়। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠান 'থ্রাইভ ক্যাপিটাল' কীভাবে এই বাণিজ্যিক চুক্তিতে মূল ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছিল এবং কার কার সম্পৃক্ততা ছিল, তা স্বচ্ছতার সাথে জনসম্মুখে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।নিউজিল্যান্ডের এই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে তাদের নিজস্ব কনফেডারেশন ওএফসি অবশ্য ইনফান্তিনোর প্রতি সতর্কতা মিশ্রিত সমর্থন বজায় রেখেছে। ওএফসি এক বিবৃতিতে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে যে, গত এক দশকে ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে ওশেনিয়া অঞ্চলে ফুটবলের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে, তাই যে কোনো প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য এই পর্যালোচনাকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।

 ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে নিউজিল্যান্ড
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream