শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
পূজার আগে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

পূজার আগে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

আসন্ন দুর্গাপূজার ছুটি সামনে রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। পূজার ছুটি টানা পাঁচ দিন নিশ্চিত করতে আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত অফিস করতে হবে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) এক দিনের অতিরিক্ত সরকারি ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন। সরকারের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমীতে সরকারি ছুটি রয়েছে। এর পরদিন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত ছুটি দেওয়া হয়েছে। এরপর ২৩ অক্টোবর শুক্রবার ও ২৪ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে টানা এই ছুটি নিশ্চিত করতে ১৭ অক্টোবর শনিবারকে কর্মদিবস হিসেবে রাখা হয়েছে। ওই দিন সরকারি অফিস-আদালত নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এদিকে, চলতি বছর ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালিত হবে। অতিরিক্ত এক দিনের ছুটির ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবারের দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

দুর্গাপূজায় ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার ছুটি থাকবে এবং এর পরিবর্তে আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকবে। এছাড়া প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২২ অক্টোবর ছুটি ঘোষণার ফলে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এর মধ্যে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর দুর্গাপূজার ছুটি এবং ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে।পাশাপাশি, আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন সংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে এটি পালন করা হবে।

দুর্গাপূজায় ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি

চেনা চিত্র বদলে ভারত থেকে আসছে ইলিশ

এবার উল্টে গেছে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইলিশ বাণিজ্যের চেনা চিত্র। দীর্ঘদিন ধরে ভারত বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের সবচেয়ে বড় বিদেশি বাজার ছিল। বিশেষ করে দুর্গাপূজার মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা হতো। কিন্তু এবার বাংলাদেশে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে উল্টো ভারত থেকেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে—দেশটির মৎস্য ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে। বাংলাদেশে চলতি বছর ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের পদ্মার ইলিশ বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই সংকটের কারণে কিছু বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রচলিত বাণিজ্যপথের বাইরে গিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছেন। ভারত থেকে আসা ইলিশের বড় অংশ গুজরাট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ভরুচ বন্দর দিয়ে পাঠানো হয়েছে। কিছু চালান পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছবাজার হয়েও গেছে। হাওড়া হোলসেল ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, বাংলাদেশ এবার প্রথমবারের মতো ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে। সাধারণত পশ্চিমবঙ্গ থেকে বোয়াল, রুই, পারসে ও ট্যাংরা মাছ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। গুজরাটের ইলিশে প্রচুর ডিম বা রো থাকায় ভারতের বাজারে এর চাহিদা তুলনামূলক কম। কিন্তু বাংলাদেশে বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটে ডিমভরা ইলিশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। মাকসুদ বলেন, এসব ইলিশের ডিম আলাদাভাবেও বিক্রি করা হচ্ছে। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে অন্য দেশেও পুনরায় রপ্তানি করা হচ্ছে। তবে শুধু গুজরাট নয়, পশ্চিমবঙ্গের ডায়মন্ড হারবার ও কোলাঘাট থেকেও মাঝারি আকারের ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। কিছু চালান এসেছে গুজরাট ও মুম্বাই থেকে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত দুই মাসে অন্তত ৪৫০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। রোববারও প্রায় ১০ টন ইলিশ নিয়ে দুটি চালান এই স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা শুরুতে এসব চালানের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ পাঠানোর খবর প্রকাশ হলে বাংলাদেশে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু রপ্তানিকারক প্রথমে দাবি করেছিলেন, ইলিশ রপ্তানির কোডের অধীনে পাঠানো চালানে সামুদ্রিক মাছ থাকতে পারে। পরে পেট্রাপোলের ল্যান্ড পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও কাস্টমসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে সত্যিই ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। মৎস্য আমদানিকারক সমিতির সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মৎস্য ব্যবসায়ীদের মতে, সীমান্তের দুই পাশেই ইলিশের সংকট এই অস্বাভাবিক বাণিজ্যের অন্যতম কারণ। অনিয়মিত বাতাস ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে মাছ ধরায় ব্যাঘাত ঘটেছে। এতে ইলিশের আহরণ কমার পাশাপাশি জেলেদের লোকসানও হয়েছে। এক ভারতীয় রপ্তানিকারক বলেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা আরব সাগর ও নর্মদা নদীর মোহনা থেকে পাওয়া ইলিশ সংগ্রহ করছেন। এসব মাছ দেখতে ভালো হলেও মিঠাপানির ইলিশের মতো সুস্বাদু নয়। তবে পদ্মার ইলিশের তুলনায় দাম কম হওয়ায় এবং বাজারে ব্যাপক সংকট থাকায় ব্যবসায়ীরা এগুলো আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানির এই পরিবর্তন এবার দুর্গাপূজাকে ঘিরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হবে কি না, সেই প্রশ্নও সামনে এনেছে। গত বছর বাংলাদেশ ভারতকে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছায় মাত্র ১৪৩ দশমিক ৮০ টন। এর আগের দুই বছরেও ভারতে ইলিশ আমদানি ৬০০ টনের নিচে ছিল। মূলত বেশি দামের কারণে আমদানিকারকেরা অনেক চালান নিতে অনিচ্ছুক ছিলেন। এবার কলকাতার মাছ আমদানিকারকেরা বাংলাদেশকে আবার ইলিশ রপ্তানি শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। শহরভিত্তিক একটি সংগঠন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছে। বাংলাদেশি মাছ ব্যবসায়ীরাও একই ধরনের অনুরোধ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে তারেক রহমানের সরকার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ইলিশ উৎপাদনকারী দেশ বাংলাদেশ। সেই দেশের বাজারে ইলিশের ঘাটতি মেটাতে এবার প্রতিবেশী ভারত থেকেই ইলিশ আসছে। বিষয়টিকে তাই শুধু বাণিজ্যের উল্টো স্রোত নয়, দুই দেশের দীর্ঘদিনের ইলিশ-সম্পর্কেরও এক অস্বাভাবিক অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ‘ভারত এখন বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করছে, এটি অবশ্যই গর্বের বিষয়। তবে আমার ইচ্ছা, ইলিশ যেন চিরকাল দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হয়ে থাকে।’

চেনা চিত্র বদলে ভারত থেকে আসছে ইলিশ

পূজার সাজে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধন

দুর্গাপূজা আসছে। পূজা মানেই অনেক অনেক কেনাকাটা। নিজের জন্য, বাড়ির সব নারীরই যেন শাড়ি কেনার ধুম পড়ে। ডিজাইনাররাও এ উপলক্ষে নতুন নতুন থিমভিত্তিক শাড়ির নকশা করতে বসেন। সেই শাড়িগুলো কিন্তু আসতে শুরু করেছে বাজার এবং অনলাইন পেজগুলোতে। সামনে আরও আসবে। ষষ্ঠী থেকে দশমী, বিশেষ করে তুলতে পূজার প্রতিটি দিন বেছে নেওয়া চাই জুতসই উৎসবের শাড়ি। অনলাইন ও অফলাইনভিত্তিক ফ্যাশন উদ্যোগ সরলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিয়ে এসেছে শাড়ির বিশেষ সংগ্রহ। সরলার স্বত্বাধিকারী মানসুরা ইয়াসমিন স্পৃহা বলেন, ‘উৎসভিত্তিক কাজের নকশা করার সময় একটি বা দুটি পরিধেয় থাকে, যা একেবারে থিমভিত্তিক। এবার পূজা উপলক্ষে এমন অনেক কাজ করা হয়েছে। আমি সব সময় চেষ্টা করি স্টোরিটেলিং ধরনের কাজ করার। মোটকথা, শাড়িতে একটা গল্প থাকবে। শাড়িটা একটা গল্প বলবে!’ এর আগে তিনি শাড়িতে ঢাকার গল্প এঁকেছেন। বাংলাদেশের গল্পচিত্র তুলে ধরেছেন। সরলায় ঢাকার গল্প ১ ও ২ এমন সিরিজ আকারে শাড়ি তৈরি হয়েছে। কোনোটা উত্তরা থেকে মতিঝিলের, কোনোটা আবার মতিঝিল থেকে সদরঘাট পর্যন্ত গল্প বলেছে। স্পৃহা এই প্রথম হাজির হয়েছেন শাড়িতে দুর্গাপূজার গল্প নিয়ে। মূলত ঢাকা শহরের পূজার গল্প সাজিয়ে তুলেছেন উজ্জ্বল রঙের শাড়িতে। স্পৃহা জানান, শাড়িতে সরাসরি দেবী প্রতিমা রাখা না হলেও পূজামণ্ডপ, মণ্ডপের গেট, জনসমাগম, পূজার মেলা ও পূজার আনন্দ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। কমলা, লাল ও অন্যান্য উজ্জ্বল রঙের এই শাড়ি দুর্গাপূজায় আনা সরলার মূল থিমেটিক শাড়ি। এ ছাড়া পূজার জন্য বিশেষভাবে লাল-সাদা থিমে দুটি শাড়ির নকশা করেছেন তিনি। যাঁরা শৈল্পিক শাড়ি ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য ফোক আর্ট ও মডার্ন আর্ট—এ দুটি ধরন মিলিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন স্পৃহা। পূজার জন্য কেউ চাইলে ওয়ার্লি আর্টের শাড়ি নিতে পারেন, আবার যাঁরা অবয়ব বা প্রাণীর মোটিফ পছন্দ করেন না, তাঁরা ফ্লোরাল মোটিফ ও প্যাটার্নওয়ার্কের শাড়িও নিতে পারবেন। এখন কলমকারি খুব পছন্দ করেন নারীরা। সরলায় রয়েছে কলমকারি ইন্সপায়ার শাড়িও। পূজার বিশেষ শাড়ি সম্পর্কে স্পৃহা বলেন, ‘দেবী ও নারীকে আমি রানির মতোই অপরূপ ও শক্তিশালী হিসেবে উপলব্ধি করি। পূজায় তাই একটা রানির থিমে শাড়ির নকশা করেছি, যেখানে তাসের রানি ও দেবী মিলেমিশে একটা চমৎকার অবয়ব তৈরির প্রয়াস ছিল। পপ কালার ব্যবহার করে নকশা করা শাড়িটি যে কেউ চাইলে অষ্টমীতে পরতে পারবেন।’ এ ছাড়া ধূসর ও লাল রঙের কনট্রাস্ট করে এবং কালো-লালের কম্বিনেশনেও শাড়ি এসেছে সরলায়; যেগুলো অঞ্জলি ও রাতের দাওয়াতে পরে যাওয়ার জন্য একেবারেই আদর্শ। এসব শাড়ির দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু। তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়। সরলায় বেশির ভাগ কাজ যেহেতু ডিজিটাল মাধ্য়মে হয়, তাই শাড়ির জন্য মিক্সড ফ্যাব্রিকস বেছে নেন স্পৃহা। বেশির ভাগ সুতি ও সিল্কের মিশ্রণে নিজেদের তাঁতিকে দিয়ে তৈরি করা এই কাপড়ের নাম দিয়েছেন মুন সিল্ক। এসব কাপড় আরামদায়ক। বাড়িতে এবং বাইরেও অনায়াসে পরে থাকা যায় বলে জানান তিনি। সরলাকে নারীরা চিনতে শুরু করেছে মূলত সুন্দর ফিটিংয়ের ব্লাউজের কারণে। স্পৃহা বলেন, ‘আমাদের ব্লাউজের চাহিদা থাকে সারা বছর। পূজার জন্য সরলা থেকেও ব্লাউজ নেওয়া যাবে। আবার চাইলে নিজের পছন্দের কাপড় দিয়ে এখান থেকে কাস্টমাইজ করে ব্লাউজ তৈরি করা যায়।’ কাপড়, নকশা ও ধরনভেদে এসব ব্লাউজের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে পূজার জন্য ব্লাউজের ওপরও ছাড় থাকছে। সরলা ছাড়া হরিতকী, জায়া, খাঁচা, রঙ বাংলাদেশ, বিশ্বরঙ, নহলী, আরাত্রিকাসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস ও ফেসবুক অনলাইন পেজে দুর্গাপূজার জন্য বিশেষ আয়োজন রয়েছে।

পূজার সাজে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধন
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream