বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর কোরিয়ার

যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর কোরিয়ার

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) উত্তর কোরিয়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এর একদিন আগে দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়াকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে পাঁচ দিনের যৌথ নৌমহড়া শেষ করে। দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূলের কাছে গত মাসে আন্তর্জাতিক পানিসীমায় অনুষ্ঠিতব্য ‘ফ্রিডম এজ’ নামে পরিচিত এই যৌথ মহড়ার পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছিল পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়া একে দেশটির এবং এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ‘পূর্ব উপকূলের ওয়নসান এলাকা থেকে জাপান সাগরের দিকে ছোড়া একাধিক স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ শনাক্ত করেছে। পূর্ব সাগর নামেও পরিচিত এই জলভাগকে জাপান সাগর বলা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে শনাক্ত করা হয়। এগুলো প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) পথ অতিক্রম করে। জেসিএস জানায়, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ‘ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের প্রাথমিক পর্যায় থেকেই সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ ও তথ্য বিনিময় করে আসছে। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্পর্কে জাপানের সাথেও তথ্য আদান-প্রদান করা হয়েছে’। এর আগে সর্বশেষ ২০ আগস্ট উত্তর কোরিয়া সমুদ্রে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, চলতি বছর উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সাথে তার বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে চলতি মাসের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা দেশটির আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যোগাযোগের কিছু লক্ষণ দেখা যাওয়ায় দুই দেশের শীর্ষ বৈঠক ‘যেকোনো সময়’ হতে পারে বলে মনে হচ্ছে। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে কিমের সাথে তিনবার বৈঠক করেছিলেন। একবার তিনি কিমের সাথে তার সম্পর্ককে ‘প্রেমে পড়েছি’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। ওই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোর লক্ষ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। তবে শেষ পর্যন্ত এর দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। সূত্র : বাসস

মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়া

সিউল এখন নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আচরণে হঠাৎ পরিবর্তনের মুখে থাকায়। দেশের নিরাপত্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা করে হাত গুটিয়ে বসে থাকার সময় শেষ বলে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংসদে দাঁড়িয়ে শাসক দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আগের মতো দয়ালু বড় ভাই নয়। তারা এখন নিজেদের স্বার্থে কঠিন দরকষাকষি করছে। তাই সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে এখন থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এই উদ্বেগের মূল কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত। ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে শিগগির বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন। একই সঙ্গে খরচের অজুহাতে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। তার দাবি, এসব মহড়ায় অনেক টাকা নষ্ট হয় এবং উত্তর কোরিয়াকে অযথা উসকে দেওয়া হয়। সিউলের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে বাধ্য না করে শুধু নতুন অস্ত্র তৈরি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কোনো চুক্তিতে রাজি হয়ে যেতে পারে। এ কারণে ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করে, ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে হঠাৎ কোনো চুক্তি হলেও যেন দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা বিপন্ন না হয়, সে জন্য স্বাধীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া উপায় নেই। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পথ খোঁজারও পরামর্শ দিয়েছে তারা। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে ঢুকল উত্তর কোরিয়ার সেনা, সতর্কতামূলক গুলি

আবারও উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে  উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার কয়েকজন সেনা সামরিক সীমারেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ কোরিয়ার ভূখণ্ডে ঢুকে পড়লে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী তাদের সতর্ক করতে গুলি ছোড়ে। চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের সামরিক সীমারেখা লঙ্ঘনের প্রথম ঘটনা এটিই।রোববার (১৬ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ জানায়, গত সপ্তাহে ডিমিলিটারাইজড জোনের (ডিএমজেড) পূর্বাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে। উত্তর কোরিয়ার একাধিক সেনা সামরিক সীমারেখা অতিক্রম করে দক্ষিণের দিকে ঢুকে পড়েন। এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা সতর্কতামূলক গুলি ছোড়েন। পরে উত্তর কোরিয়ার সেনারা নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরে যান।দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর ধারণা, সীমারেখা অতিক্রমের সময় উত্তর কোরিয়ার সেনারা নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। সতর্কতামূলক গুলির পর তারা ফিরে যাওয়ায় পরিস্থিতি আর উত্তপ্ত হয়নি। এরপর ওই এলাকায় আর কোনো অস্বাভাবিক তৎপরতার খবর পাওয়া যায়নি।ইয়োনহাপ জানিয়েছে, গত বছর উত্তর কোরিয়ার সেনারা ১৭ বার সামরিক সীমারেখা অতিক্রম করেছিলেন। তবে চলতি বছরে এটিই প্রথম এমন ঘটনা।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েক হাজার সেনার অংশগ্রহণে শুরু হতে যাওয়া যৌথ সামরিক মহড়ারও বিরোধিতা করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, এ মহড়ার জবাবে তারা আরও শক্তিশালী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ১১ দিনের এই সামরিক মহড়া প্রতি বছর গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও প্রস্তুতি জোরদার করাই এ মহড়ার প্রধান উদ্দেশ্য।১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত চলা কোরীয় যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি; যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাতের অবসান হয়। ফলে দুই কোরিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে ঢুকল উত্তর কোরিয়ার সেনা, সতর্কতামূলক গুলি
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream