শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
তদবিরের সুযোগ বন্ধ, মেধাতেই মিলবে চাকরি: রাশেদ খান

তদবিরের সুযোগ বন্ধ, মেধাতেই মিলবে চাকরি: রাশেদ খান

বর্তমান সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন। আর তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ৭ বছর ৫ মাস পর এসে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। সেই নির্বাচনে জিএস পদে আগের ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে। আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি মেধাবী প্রশাসন গঠন এবং কোটাবৈষম্য দূর করা। আজকের বাংলাদেশে চাকরিতে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না।’ ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হয়েও দীর্ঘ প্রায় সাড়ে সাত বছর পর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার’ কথা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অন্যায় করে কেউ যে পার পায় না, সেটা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরা আজ টের পাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করে ন্যায়বিচারের নজির স্থাপন করেছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, সেটা বজায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। কোনো মহল যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, বলে বুঝাতে পারবো না: ঢাবি শিক্ষক মোনামি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি ছাত্রদল ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।  সোমবার বিকালে দেওয়া ওই পোস্টে ঢাবি শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি উল্লেখ করেন, তিনি তার ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার একটি ছবি ও পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। কিন্তু তার সেই ছবি শেয়ার করে যে ধরনের অমার্জিত পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি পোস্টে লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ভালো ভাবার কোনো কারণ তিনি দেখেন না। তার মতে, তথাকথিত সুশীল সমাজের একাংশ বিশেষ রাজনৈতিক দল ও নির্দিষ্ট শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সহানুভূতিশীল হলেও অন্য শিক্ষকদের বেলায় উদাসীন থাকে। এছাড়া নিজের ওপর ‘জামায়াত ট্যাগ’ দেওয়ার প্রবণতা নিয়েও তিনি হতাশা ব্যক্ত করেন। পোস্টটিতে ডাকসুর পর থেকে ছাত্রদল ও বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীর আচরণ নীরব দর্শকের মতো সহ্য করে যাওয়ার কথা জানান এই শিক্ষক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের উদ্ধত আচরণ করে ব্যক্তিগত জীবনে কেউ খুব বেশি দূর এগোতে পারে না। পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার মানসিকতাই এমন আচরণের জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি। ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা মন্তব্য করেন। তার সেই কমেন্টের জবাবে শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক ছাত্র নেত্রীকে সহায়তা করার একটি পুরোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বামের এক বড় নেত্রীর অনেক বড় একটা সাহায্য করেছিলাম। সকল দরজা যখন তার জন্য বন্ধ, তখন প্রক্টর অফিসে এসে কেঁদেছিলো, ব্যবস্থা না করলে ওর পড়ালেখা হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। আমি ওর জন্য কত দৌড় ঝাপ দিলাম। অবশেষে ওকে সাহায্য করতে পারলাম। ওকে বল্লামও, সবকিছুর পাশাপাশি এবার পড়াশোনাটা শেষ করো কিন্তু। আমাকে জড়িয়ে ধরলো। সেই সেম মেয়ে কিছুদিন পর রাজুতে দাঁড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভাষণ দিলো। আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, আমি বলে বুঝাতে পারবো না।   

আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, বলে বুঝাতে পারবো না: ঢাবি শিক্ষক মোনামি
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream