মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
হত্যার হুমকির পর এজেআর কুরিয়ারের স্টোররুমে আগুন দেওয়ার চেষ্টা

হত্যার হুমকির পর এজেআর কুরিয়ারের স্টোররুমে আগুন দেওয়ার চেষ্টা

রাজধানীর হাজারীবাগে এজেআর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের স্টোররুমের পেছনে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। আশপাশের লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলেন। এ সময় আগুন দিতে আসা ব্যক্তিদের ধাওয়া করলে তাঁরা পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে হাজারীবাগ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে। হাজারীবাগ থানা-পুলিশ বলছে, তাঁরা বিষয়টি জেনেছেন। ঘটনা খতিয়ে দেখে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের প্রধান ওয়্যারহাউসে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, ওই ঘটনায় ৭০ থেকে ৮০ জন অংশ নেন। পরে ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক আফসার উদ্দিন চাঁদাবাজি, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার পর গত শুক্রবার আফসার উদ্দিনকে ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ‘লাশ রাস্তায় পড়ে থাকবে’—এমন কথা বলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। প্রাণনাশের আশঙ্কা ও নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে গতকাল শনিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আফসার উদ্দিন। এ ছাড়া শনিবার হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ এলাকায় চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলে আসা ব্যক্তিরা এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের পাঁচটি ট্রাক ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। একের পর এক হামলা, হত্যার হুমকি ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করেন তিনি। আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে পৌঁছান। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমকে সঙ্গে নিয়ে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উদ্যান প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন তিনি। উদ্যানের পাশে স্থাপিত গ্রন্থাগারও পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং রাজধানীর নাগরিক পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ৮৩৪ শহীদের নাম ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মাণ করা হয়েছে ৯০ ফুট উঁচু ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটির গায়ে লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে খোদাই করা হয়েছে ৮৩৪ জন শহীদের নাম। সামনে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক। স্মৃতিস্তম্ভের বাইরের দিকে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য রয়েছে। এতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণআন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। আধুনিকায়ন করা হলো ওসমানী উদ্যান রাজধানীর পুরান ও নতুন ঢাকার সংযোগস্থলে অবস্থিত ২৩ একর আয়তনের ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান আধুনিকায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় উদ্যানটিকে সবুজ, নিরাপদ ও আধুনিক নাগরিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে পুরোনো জলাশয় সংস্কারের পাশাপাশি পাঁচটি নতুন জলাশয় নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যমান গাছপালা সংরক্ষণ করে নতুন বৃক্ষরোপণ ও সবুজ দ্বীপ তৈরি করা হয়েছে। উদ্যানটিতে প্রায় ৩ দশমিক ১ কিলোমিটার হাঁটার পথ, ব্যায়ামাগার, প্যাগোডা, গণশৌচাগার, পার্কিং ও জলাশয়ের ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দুই স্তরে সাজানো উদ্যানটির সড়ক থেকে দুই মিটার উঁচুতে দ্রুত চলাচলের পথ রয়েছে।

‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শাড়ির আড়ালে ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শাড়ির আড়ালে পাচারের সময় ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশসহ অভিজিৎ দাস (৪০) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেলে তাঁর ট্রাভেল ট্রলি তল্লাশি করে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার অভিজিৎ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। তাঁর কাছ থেকে মাদক ছাড়াও একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, ২ হাজার ১৬০ রুপি, ৭০ থাই বাথ, একটি স্মার্টফোন, একটি বোর্ডিং কার্ড ও তিনটি ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের বিমানবন্দর সার্কেলের সহকারী পরিচালক ড. মো. আবু সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান নেয়। বেলা ১টার দিকে ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে আসা অভিজিৎকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে সাক্ষী ও বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তাঁর ট্রাভেল ট্রলি তল্লাশি করা হয়। এ সময় কাপড়ের নিচে সুকৌশলে লুকানো ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিজিৎ জানান, তিনি ভারতের বনগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের একজন কুলি। একটি আন্তর্জাতিক ও ত্রিদেশীয় মাদক চোরাচালান চক্র তাঁকে কলকাতা থেকে ব্যাংককে নিয়ে যায়। পরে ভারতীয় শাড়ির মতো বিভিন্ন পণ্যের আড়ালে মাদক বাংলাদেশে পাচারের কাজে ব্যবহার করে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চক্রটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশে দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করে মাদকের একটি অংশ হস্তান্তরের পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফেরার কথা ছিল অভিজিতের। চক্রটি বাংলাদেশে কুশের নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেছে অধিদপ্তর। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার অভিজিতের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের বিমানবন্দর সার্কেলের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন। তাঁকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শাড়ির আড়ালে ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

চকবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত গুদামের মালামাল না সরালে আবারও আগুন ধরতে পারে: ফায়ার সার্ভিস

পুরান ঢাকার চকবাজারের মনসুর খান প্লাজা মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ১২ থেকে ১৪টি গুদামসহ সাত-আটটি দোকানের মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ১২ থেকে ১৪টি গুদাম থাকা ছয়তলায় আগুন বেশি ছড়ায়। সাততলার কিছু অংশও সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পরও ক্ষতিগ্রস্ত মালামাল সরানো ও পানি দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত গুদামের মালামাল না সরালে আবারও ঘটনাস্থলে আগুন ধরে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে চকবাজারে প্রেস ব্রিফিংয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান এসব তথ্য জানান। ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, মার্কেটের ছাতা, প্রসাধনী, আতর ও আতরের বোতলসহ বিভিন্ন পণ্যে গুদামগুলো পরিপূর্ণ ছিল। এসব পণ্যের নিচে তাপ ও ধোঁয়া থাকায় সেগুলো সরিয়ে পানি দিতে হচ্ছে। মালামাল সরানো না হলে আবার আগুন জ্বলে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন। ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান জানান, গতকাল সোমবার বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে লালবাগ, সদর দপ্তর সিদ্দিকবাজার ও পলাশী থেকে ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওনা হয়। পরে আগুনের ভয়াবহতা বিবেচনায় ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ভোর ৫টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তিনি বলেন, ছয়তলা ও সাততলায় প্রচণ্ড ধোঁয়া ও তাপ ছিল। গুদামগুলো শাটার ও একাধিক তালা দিয়ে বন্ধ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়। প্রচণ্ড তাপ ও ধোঁয়ার মধ্যে তালা কেটে গুদামে প্রবেশ করে আগুন নেভানোর কাজ করতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের। অগ্নিকাণ্ডের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে কাজী নাজমুল জামান বলেন, চকবাজারের সরু সড়ক ও যানজটের কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। এ ছাড়া ভবনের ভেতরে ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় ফায়ার ফাইটারদের প্রচণ্ড তাপের মধ্যে কাজ করতে হয়েছে। আশপাশের পানির রিজার্ভারগুলো বারবার খালি হয়ে যাওয়ায় পানি সরবরাহেও সমস্যা হয়েছে। পরে রিজার্ভার পরিবর্তন করে আগুন নেভানোর কার্যক্রম চালানো হয়। আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের সম্ভাবনা থাকলেও তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, আগুন যেন আশপাশের মার্কেট ও ভবনে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। মার্কেটের স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থা সহযোগিতা করেছে। ওয়াসা কর্তৃপক্ষও পানি সরবরাহ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন আশপাশের মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য আহত হয়েছেন জানিয়ে কাজী নজমুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো নিহত বা অন্য কারও আহত হওয়ার খবর তাঁদের কাছে নেই। গুদামে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, আগুনের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সেগুলো ব্যবহার করে আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি। আগুনের ধরন বিবেচনায় এটি সলিড ফায়ার হওয়ায় পানি ব্যবহার করা হয়েছে। জ্বালানি বা পেট্রোলজাতীয় পদার্থে আগুন লাগলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ফোম ব্যবহার করা হতো।

চকবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত গুদামের মালামাল না সরালে আবারও আগুন ধরতে পারে: ফায়ার সার্ভিস

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩, মামলা ৪০

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা হয়েছে ৪০ টি। আর সবচেয়ে বেশি ৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিরপুর থেকে। আজ শনিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ) মো. আকতার হোসেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ডিএমপির রমনা বিভাগ থেকে ৩৬, লালবাগে ৫৯, ওয়ারীতে ৭৫, মতিঝিলে ৮২, তেজগাঁওয়ে ৭৯, মিরপুরে ৯০, গুলশানে ৪৭, উত্তরায় ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া ডিএমপি গোয়েন্দা বিভাগ ১১ জন ও সিটিটিসি ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানকালে ৭৫ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ১৪৪২ ইয়াবা, ৭ গ্রাম হেরোইন, ২ ক্যান বিয়ার, ১টি কাভার্ডভ্যান, ২টি মোটরসাইকেল, ৯টি মোবাইল, একজন ভিকটিম ও নগদ ২ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত, মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ এদের গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩, মামলা ৪০
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream