মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
কেউ কান্নাকাটি করলে যেভাবে পাশে দাঁড়াবেন

কেউ কান্নাকাটি করলে যেভাবে পাশে দাঁড়াবেন

চোখের সামনে কেউ কান্নায় ভেঙে পড়লে অনেকেই কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন তা বুঝে উঠতে পারেন না। তবে সান্ত্বনা দেওয়ার সময় ‘কেঁদো না’ বা ‘সব ঠিক হয়ে যাবে’ বলার চেয়ে তার আবেগকে মূল্যায়ন করা বেশি কার্যকর। আবেগের স্বীকৃতি দিন: "তোমার খারাপ লাগা বা কান্না আসাটা খুব স্বাভাবিক।" পাশে থাকার আশ্বাস দিন: "আমি এখানেই আছি, তোমার কান্না থামানোর বা তড়িঘড়ি করার দরকার নেই।""তুমি চাইলে কথা বলতে পারো, আমি শুনছি। আর না বলতে চাইলেও সমস্যা নেই।"অনেক সময় কোনো কথা না বলে শুধু নীরব উপস্থিতি বা পাশে বসে থাকাটাই সবচেয়ে বড় সহায়তা হয়।যদি ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠতা থাকে, তবে কাঁধে হালকা হাত রাখা বা জড়িয়ে ধরা সান্ত্বনা দিতে পারে। তবে অনুমতি না নিয়ে বা অপরিচিত কারও ক্ষেত্রে স্পর্শ না করাই ভালো। এক গ্লাস পানি বা টিস্যু এগিয়ে দিতে পারেন।"কেঁদো না" বা "শক্ত হও" বলা থেকে বিরত থাকুন, এতে মনে হতে পারে তার কান্না বা অনুভূতি ভুল।নিজের অভিজ্ঞতা এনে আলোচনা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেবেন না  জোর করে তাৎক্ষণিক সমাধান বা উপদেশ দিতে যাবেন না; সেই মুহূর্তে ব্যক্তিটি শুধু অনুভূতি প্রকাশের আশ্রয় চান।

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও কেন ক্লান্তি লাগে?

প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর পরও যদি সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভব হয়, তবে এর পেছনে শুধু ঘুমের অভাব নয়, বরং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা—বিশেষ করে স্থূলতা দায়ী হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত ওজন শরীরের শক্তির মাত্রা, ঘুমের মান এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। অনেকেই পর্যাপ্ত সময় ঘুমালেও ঘুমের মান ভালো না হওয়ায় সারাদিন অবসন্ন বোধ করেন।স্থূলতার কারণে গলার চারপাশে চর্বি জমে শ্বাসনালি সংকুচিত হতে পারে। ফলে ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ দেখা দেয়, যেখানে ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয়। এতে দীর্ঘ সময় ঘুমালেও গভীর ঘুম হয় না এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্তি থেকে যায়।অতিরিক্ত ওজনের ফলে শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ (ক্রনিক ইনফ্ল্যামেশন) এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়, যা শরীরের স্বাভাবিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস করে।প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, হোল গ্রেইন বা পূর্ণ শস্য, ফলমূল ও শাকসবজি খাদ্যতালিকায় রাখা এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় পরিহার করা।ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ঘুমের মান বাড়াতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটার মতো মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করা।প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও ওঠার অভ্যাস করা এবং ঘুমানোর আগে মোবাইল বা টিভির স্ক্রিন ব্যবহার কমানো।থাইরয়েড, ডায়াবেটিস বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করতে চিকিৎসকের পরামর্শে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো।দীর্ঘদিনের ক্লান্তিকে অবহেলা করলে উচ্চ রক্তচাপ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং বিষণ্নতার মতো মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্তি না কমলে কিংবা অতিরিক্ত নাক ডাকা, সকালে মাথাব্যথা বা অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও কেন ক্লান্তি লাগে?
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream