জামালপুরে নিরাপত্তা চেয়ে এসপিকে চিঠি দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি
লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে সার্বিক নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সমিতির আওতাধীন এলাকায় চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে, যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিতে পারে বলে চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।বুধবার (১২ আগস্ট) জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো: সাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।চিঠিতে জানানো হয়, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় বর্তমানে বিদ্যুতের গড় চাহিদা প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় মাত্র ৫৫% থেকে ৬০% বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদার তুলনায় প্রতিদিন ঘাটতি ৯০ থেকে ৯৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ।এর কারণে গ্রাহকদের দিনে ও রাতে গড়ে ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের আওতায় থাকতে হচ্ছে। উপজেলাগুলোতে লোডশেডিং এর মাত্রা আরো বেশি। উপজেলায় ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকেনা। তীব্র গরম এবং মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের ফলে সাধারণ জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও জনরোষ তৈরি হচ্ছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে গ্রাহকরা তাদের চরম ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন।এ পরিস্থিতিতে সমিতির কার্যালয় ও বিভিন্ন স্থাপনার নিরাপত্তা এবং জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। চিঠিতে সমিতির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়।চিঠির অনুলিপি জামালপুর জেলা প্রশাসক, র্যাব এবং বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সাহিদুল ইসলাম জানান, চাহিদার মাত্র ৪০-৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ পাচ্ছি। তাই বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিদ্যুৎ অফিসে হামলা হচ্ছে। তাই নিরাপত্তার জন্য আবেদন করেছি।