জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর বক্তব্যকালে বহু দেশের ওয়াকআউট: তীব্র প্রতিবাদের মুখে ফাঁকা সাধারণ পরিষদ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ চলাকালে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেছে। নেতানিয়াহু বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঞ্চে ওঠার সাথে সাথেই গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি দল একযোগে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ (ওয়াকআউট) করেন।মুহূর্তের মধ্যেই জাতিসংঘের বিশাল অধিবেশন কক্ষের অধিকাংশ আসন খালি হয়ে যায়। ওয়াকআউটে অংশ নেওয়া এবং বয়কটে শামিল হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান, সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, স্পেন, আয়ারল্যান্ডসহ এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার বহু রাষ্ট্র। প্রতিনিধিদের হল ত্যাগের সময় নেতানিয়াহু তাদের কটাক্ষ করে "ভণ্ড মানবাধিকার কর্মী" বলে অভিহিত করেন। ওয়াকআউটের পাশাপাশি জাতিসংঘের ভবনের বাইরে নিউইয়র্কের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ ফিলিস্তিনের সমর্থনে এবং নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।ওয়াকআউট করা ও অনুপস্থিত থাকা উল্লেখযোগ্য দেশসমূহ: এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য: ইরান, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, ফিলিস্তিন, তুরস্ক (তুর্কিয়ে), ওমান, কাতার, সৌদি আরব, উজবেকিস্তান, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, মায়ানমার, কিরগিজস্থান, তুর্কমেনিস্তান। আফ্রিকা: মিসর, সেনেগাল, সুদান, টিউনিসিয়া, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, অ্যাঙ্গোলা, কমোরোস, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, সোমালিয়া, আলজেরিয়া, ইরিথ্রিয়া, চাদ, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, মাদাগাস্কার, নাইজার, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, উগান্ডা, লেসোথো, নিরক্ষীয় গিনি, মোজাম্বিক, নামিবিয়া, কেনিয়া। ইউরোপ: স্পেন, আয়ারল্যান্ড, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, উত্তর মেসিডোনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা।লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল: ভেনিজুয়েলা, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, চিলি, নিকারাগুয়া, পেরু, বলিভিয়া, কিউবা, গায়ানা, পানামা, অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা, বার্বাডোস, ডোমিনিকা, সেন্ট লুসিয়া, দ্য বাহামাস। ওশেনিয়া: টুভালু, টোঙ্গা।