শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ইবিতে দুই বিভাগের সংঘর্ষের ঘটনায় আইসিটি বিভাগের সংবাদ সম্মেলন

ইবিতে দুই বিভাগের সংঘর্ষের ঘটনায় আইসিটি বিভাগের সংবাদ সম্মেলন

ইবি প্রতিনিধি :ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ডাবল ডেকার বাসে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলা ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৬ টায় বিভাগের করিডোরে এ সংবাদ সম্মেলন করে তারা। এসময় বিভাগটির অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, মঙ্গলবার দুই বিভাগের সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় মীমাংসার উদ্দেশ্যে দুই বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রক্টর অফিসে আলোচনায় বসেন প্রক্টরসহ বিভাগের শিক্ষকরা। সেখানে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মীমাংসা শেষে তারা কোলাকুলিও করেন। মীমাংসা শেষে আইসিটি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম অনুষদ ভবন থেকে বের হয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর আইসিটি বিভাগের বাকি শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বের হওয়ার সময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আচমকা হামলা করেন। এসময় বিভাগের শিক্ষক শরীফুল ইসালম ও আবু সাইদকে আঘাত করা হয়। পরে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হলে গাছের ডালপালা ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নেয়। এতে করে রুদ্ধ হয়ে পরে পুরো ক্যাম্পাস। দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর বিচারের আশ্বাস পেয়ে প্রধান ফটক ছেড়ে যায় তারা। এর আগে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলী’তে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুষ্টিয়ায় ফেরার পথে শহরের জেলখানা মোড়ে বাস থেকে নামার সময় এ ঘটনা ঘটে। আরও জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে ‘গোধূলী’ বাসটি ছেড়ে যায়। বাসে আইসিটি বিভাগের কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষার্থী উচ্চস্বরে কথা বলছিলেন বলে অভিযোগ করেন বাংলা বিভাগের একজন জুনিয়র শিক্ষার্থী। পরে জেলখানা মোড়ে বাস থেকে নামার সময় বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। ঘটনায় জড়িত জুনিয়র শিক্ষার্থীরা হলেন বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় ও বাপ্পি হোসেন। অপরদিকে আইসিটি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আবু সাঈদ ও শামিমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী এতে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় বাংলা বিভাগের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারা হলেন– ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আব্দুর রউফ এবং একই শিক্ষাবর্ষের মোশারফ হোসেন। এছাড়া, অধিকতর তদন্তপূর্বক ঘটনার কারণ উদঘাটন, দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ ও শাস্তির ধরন নির্ধারণসহ সুপারিশ পেশ করার জন্য খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট ড. এ এস এম আয়নুল হক আকন্দকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, তারা আমাদের উপর অতর্কিতভাবে পরিকল্পিত হামলা করেছে। এতে করে আমাদের শিক্ষকরাসহ অনেকেই আহত হন। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। তারা দাবি জানিয়ে আরও বলেন, যাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যাদেরকে এখনো চিহ্নিত করা হয়নি, তাদের সবাইকে সুষ্ঠু বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর যদি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তাহলে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে সাথে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি পালন করবে। দাবি আদায় নাহলে আমরা আমরণ অনশন ধর্মঘট পালন করব।"

ইবিতে হিট প্রজেক্টে নিম্ন মানের তার ব্যবহারের অভিযোগ, বাল্ব টেস্ট নিয়ে গড়িমসি

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ইউজিসির আওতায় হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পে নিম্নমানের বৈদ্যুতিক তার ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত ইউপিএসের সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য ‘বাল্ব টেস্ট’ দীর্ঘদিনেও না করায় গড়িমসির অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিম্নমানের তার ব্যবহারের কারণে ক্যাম্পাসের দুটি হলে শর্ট সার্কিটের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় রাউটারের পাওয়ার সংযোগে প্রায় ১.৫ বর্গমিলিমিটার (১.৫ mm²) আকারের দুই কোরের ফ্লেক্সিবল তার ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের তার ব্যবহারে অতিরিক্ত লোড পড়লে শর্ট সার্কিটসহ অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিম্নমানের তার ব্যবহারের অভিযোগের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হল ও শহীদ জিয়াউর রহমান হলে শর্ট সার্কিটের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। এদিকে র‍্যাকের পাওয়ার কেবলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সাইজের তার ব্যবহার করা হলেও নির্ধারিত ভোল্টেজ রেটিং অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ৪৫০/৭৫০ ভোল্ট রেটিংয়ের তার ব্যবহারের কথা থাকলেও সেখানে ৩০০/৫০০ ভোল্ট রেটিংয়ের তার ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত ইউপিএস ও ব্যাটারির সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য ‘বাল্ব টেস্ট’ নিয়েও দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ উঠেছে। বাল্ব টেস্টের মাধ্যমে ইউপিএস বা ব্যাটারি নির্দিষ্ট লোডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ধরে রাখতে পারছে কি না, তা যাচাই করা যায়। এ বিষয়ে অপটিমালের পক্ষ থেকে প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা আবু সায়েদ বলেন, “নির্দেশনা অনুযায়ীই আমরা দিয়েছি। স্পেসিফিকেশনে ৪৫০/৭৫০ ভোল্টেজ রেটিং থাকার কথা বলা আছে। তবে সেখানে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্ট্রাকশনের কথাও বলা আছে। ইঞ্জিনিয়ার যেটা অ্যাপ্রুভ করবেন, সেটাই দিতে হবে। আমরা কনসালট্যান্টের অনুমোদন নিয়েই সবকিছু পাঠিয়েছি।দেশে যে স্ট্যান্ডার্ডে তৈরি হয়, সেটাই দেওয়া হয়েছে।” রাউটারের পাওয়ার কেবলের মান ও শর্ট সার্কিটের অভিযোগের বিষয়ে আবু সায়েদ বলেন, “রাউটারের পাওয়ার ক্যাবলের ব্যাপারে টেন্ডারে কোনো কিছু বলা নেই। শুধু র‍্যাকের পাওয়ারের বিষয়টি সঠিকভাবে বলা আছে। তারপরও যেখানে যে রাউটার চলবে, তার প্রয়োজন অনুযায়ী সবকিছু ঠিকঠাক দেওয়া হয়েছে।” শর্ট সার্কিটের ঘটনায় অতিরিক্ত লোডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “যেখানে শর্ট সার্কিট হয়েছে, সেখানে একটি সুইচ থেকে তিনটি ফ্যান চালানো হয়েছে এবং রাইস কুকারও চালানো হয়েছে। এটা কি রাউটারের জন্য দেওয়া হয়েছিল? রাউটারের কোনো ভোল্টেজ বা অ্যাম্পিয়ার নিয়ে সেখানে কিছু বলা নেই। একটি অ্যাডাপ্টার চালানোর জন্য যতটুকু লোডের প্রয়োজন, ততটুকু ক্যাবল দিলেই চলবে-এভাবেই বলা আছে।” বাল্ব টেস্ট নিয়ে কুষ্টিয়া ব্রাঞ্চের তানভীর আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আলোচনা ও ফরমালিটিজের অংশ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আমরা আশা করছি এই সপ্তাহের মধ্যেই বাল্ব টেস্ট হয়ে যাবে।’ প্রসঙ্গত, ‎বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণায় সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এই প্রকল্প গ্রহণ করে। এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও রূপান্তর সাধন। বিশেষ করে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রমকে আরও বেশি উৎসাহিত ও গতিশীল করা হচ্ছে এ প্রকল্পের মাধ্যমে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের কাজ গত বছরের জুলাই মাস থেকে শুরু হয়েছে। হিট প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার অনুদান এবং বিশ্বব্যাংক ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ইউজিসি। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। মোট ব্যয়ের মধ্যে ২ হাজার ৩৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকার এবং ১ হাজার ৯৮৩ কোটি ১১ লাখ টাকা বিশ্বব্যাংক বহন করবে।

ইবিতে হিট প্রজেক্টে নিম্ন মানের তার ব্যবহারের অভিযোগ, বাল্ব টেস্ট নিয়ে গড়িমসি

ইবিতে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের নিচতলায় এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ এমতেয়াজ আলী, প্রক্টর ড. মোঃ শাহিনুজ্জামান সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। ক্যাম্পে ডার্মাটোলজি, মেডিসিন ও গাইনি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা পরিমাপ, সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি রক্তদান কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়।উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যৌথ সহযোগিতায় এ আয়োজন নিঃসন্দেহে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সুদৃঢ় মেলবন্ধন তৈরি করবে। তিনি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্তিমা, তারুণ্য ও গ্রিন ভয়েসসহ সহযোগী সংগঠনগুলোকে ধন্যবাদ জানান।তিনি বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসাপ্রত্যাশী ও অসহায় মানুষের সেবায় রক্ত সহায়তা করবে এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অঙ্গাঙ্গি সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী চিকিৎসাসেবার প্রয়োজন হলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।উপাচার্য আরও বলেন, এ ধরনের ক্যাম্প একদিনের কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি টিম গঠন করা হবে এবং কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের আইডি কার্ড প্রদান করবে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাসেবা গ্রহণে সহযোগিতা পাবে।তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানবসেবায় এগিয়ে আসতে হবে। দেশ ও জাতির প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা যাতে নিজেদের মেধা ও মননের সমন্বয় ঘটাতে পারে, এ ধরনের কার্যক্রম সেই সুযোগ তৈরি করবে।আয়োজকেরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আগ্রহী ব্যক্তিদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন। মেডিসিন ক্লাব কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের আয়োজনে এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সহায়তায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।

ইবিতে  ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বেগম জিয়া দেশের জন্য পুরো জীবনটাই উৎসর্গ করেছেন: ইবি উপাচার্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া তার পুরো জীবনটা বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন।’ শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ জোহর ইবির কেন্দ্রীয় মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজিত বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এমন মন্তব্য করেন।উপাচার্য বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দ্বারা বেগম জিয়া নিপীড়িত, নির্যাতিত ও নিগৃহীত হয়েছিলেন। আমরা আজকের এই দিনে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করব।’তিনি আরও বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া বিশ্বের নিগৃহীত ও নিপীড়িত মানুষের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা। আমরা মন খুলে এই মহান ব্যক্তির জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করব- আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।’দোয়া মাহফিলে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পাশাপাশি ইবির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেন প্রজ্ঞা, দক্ষতা ও সাহসের সঙ্গে দেশ পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্যও মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়।দোয়া মাহফিলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী ছাড়াও ইবি জিয়া পরিষদ, গ্রিন ফোরাম, ইউট্যাব ও সাদা দলের শিক্ষক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া ইবি কর্মকর্তা সমিতি, জিয়া পরিষদ কর্মকর্তা ইউনিট, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম, কর্মচারী সমিতিসমূহের নেতৃবৃন্দ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ইবি শাখার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আশরাফ উদ্দীন খান।

বেগম জিয়া দেশের জন্য পুরো জীবনটাই উৎসর্গ করেছেন: ইবি উপাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ গোপন কর্মকাণ্ডের তদন্তে কমিটি গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৪৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিতে বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। কমিটিকে আগামী ১২ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়।বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি 'এশিয়া পোস্ট' পত্রিকায় প্রকাশিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রতিবেদন সম্পর্কে তদন্তপূর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনকে আহ্বায়ক এবং অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক মো: ইসরাফুল হককে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ড. মোস্তাফিজুর রহমান, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ড. রফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যানেল আইনজীবী ড. সাজ্জাত হোসেন প্রমূখ।এছাড়া কমিটির কার্যপরিধিতে 'এশিয়া পোস্ট' এ প্রকাশিত ইবির শিক্ষকগণ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও হুমকি প্রদানে লিপ্ত ছিলেন কিনা তা অনুসন্ধানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, ‘আগামী রবিবার থেকে কাজ শুরু করবো। নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করবো।’প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যম এশিয়া পোস্টে "শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা" শিরোনামে প্রতিবদেন প্রকাশিত হয়। এতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ শিক্ষকের নাম প্রকাশ করা হয়। জানা যায়, দেশব্যাপী গোপন তৎপরতা ও নৈরাজ্যে প্রধান ভূমিকা পালনের আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান।

ইবির ৪৪ শিক্ষকের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ গোপন কর্মকাণ্ডের তদন্তে কমিটি গঠন
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream