রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

ভ্রমণ

হোটেল বন্ধ, ভাড়া দ্বিগুণ—ভারতের কলকাতায় বিপাকে বাংলাদেশি রোগী-পর্যটক

হোটেল বন্ধ, ভাড়া দ্বিগুণ—ভারতের কলকাতায় বিপাকে বাংলাদেশি রোগী-পর্যটক

ভারতে কলকাতায় আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ নয়জনের মৃত্যুর পর। নিরাপত্তা অভিযানে একের পর এক হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন,  বাংলাদেশি পর্যটক ও চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীরা। আগে থেকে হোটেল বুকিং করেও কলকাতায় গিয়ে অনেকেই নির্ধারিত আবাসনে উঠতে পারছেন না। কেউ নতুন হোটেল খুঁজে হয়রানী হচ্ছেন, কেউ বাড়তি ভাড়া গুনছেন, আবার কেউ চিকিৎসা অসমাপ্ত রেখেই দেশে ফিরছেন।বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়,১ থেকে ৩০সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত করেছেন ২২ হাজার ৯৫জন পাসপোর্টযাত্রী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি১০ হাজার ৮৭৫ জন, ভারতীয় ৩ হাজার ৯৫১ জন এবং অন্যান্য দেশের ২৫ জন নাগরিক ছিলেন।কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিট, কলিন স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট ও ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে প্রশাসনের অভিযানে একের পর এক আবাসিক হোটেল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০টি হোটেল রয়েছে।গত ১৯ আগস্ট রাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ নয়জনের মৃত্যু হয়। এরপর কলকাতা প্রশাসন আবাসিক হোটেল ও অতিথিশালাগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই শুরু করে।এ পর্যন্ত ৯১৯টি হোটেল ও অতিথিশালায় অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৪১টিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামো সন্তোষজনক পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অগ্নিনিরাপত্তা বিধি ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনে ঘাটতি থাকায় অধিকাংশ হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।এক হোটেল থেকে আরেক হোটেলে ছুটছেন বাংলাদেশিরা :হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা। অনেকে এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে ঘুরেও থাকার জায়গা পাচ্ছেন না। কোথাও জায়গা মিললেও আগের তুলনায় দিতে হচ্ছে দেড় থেকে দ্বিগুণ ভাড়া।কলকাতায় জায়গা না পেয়ে অনেক বাংলাদেশি শিয়ালদহ, মুকুন্দপুর, আনন্দপুর, বারাসাত, দমদম ও জাকারিয়া স্ট্রিটের মতো দূরের এলাকায় থাকার ব্যবস্থা করছেন।ফেরত আসা কয়েকজন যাত্রী জানান, যেসব হোটেলের দৈনিক ভাড়া আগে প্রায় এক হাজার রুপি ছিল, সেগুলোর কোনো কোনোটি এখন দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার রুপি পর্যন্ত দাবি করছে। ৫০০-৬০০ রুপির হোটেলেও এখন ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ রুপি পর্যন্ত ভাড়া চাওয়া হচ্ছে।চিকিৎসা করাতে এসে বাড়তি খরচের চাপ :কলকাতায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া বাংলাদেশিদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসার খরচ কম রাখার পাশাপাশি আবাসনেও সাশ্রয় করতে চান অনেক রোগী ও তাদের স্বজন। কিন্তু হোটেল সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় তাদের বাজেট বেড়ে যাচ্ছে।অনেকেই চিকিৎসা অসমাপ্ত রেখেই দেশে ফিরছেন। আবার কেউ কেউ হাসপাতালের আশপাশে থাকার জায়গা না পেয়ে দূরবর্তী এলাকায় থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।বাংলাদেশি রোগীদের জন্য কিছু হাসপাতাল নির্দিষ্ট হোটেলের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বললেও সেখানেও পর্যাপ্ত আসন পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।নিরাপদ হোটেল বুকিং নিয়েও সংকট :সম্প্রতি কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে কলকাতাগামী বাংলাদেশিদের আগেভাগে নিরাপদ হোটেল বুক করার পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে অনেক হোটেলই এখন অগ্রিম বুকিং নিচ্ছে না।ফলে ভিসা থাকা সত্ত্বেও থাকার জায়গা নিশ্চিত করতে না পেরে অনেক বাংলাদেশি ভারত সফর স্থগিত করতে বাধ্য হচ্ছেন।‘চিকিৎসা রেখেই দেশে ফিরেছি’ :ভারতফেরত পাসপোর্টযাত্রী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চিকিৎসার জন্য ২০ আগস্ট ভারতে গিয়েছিলেন। কলকাতার বড়বাজার এলাকার একটি হোটেলে ছিলেন। শিখা ইন হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর পুলিশ অভিযান শুরু করলে যে হোটেলে ছিলেন সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়।তিনি বলেন, আরও এক সপ্তাহ কলকাতায় থাকার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু হোটেল সংকট, বাড়তি ভাড়া ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে চিকিৎসা শেষ না করেই দেশে ফিরতে হয়েছে।বরিশালের শ্যামল কুমার রায় স্ত্রীকে চিকিৎসা করাতে কলকাতা যাচ্ছেন। তিনি বলেন, হোটেল বন্ধের খবর শুনে কিছুটা আতঙ্কেই যেতে হচ্ছে। কলকাতায় আত্মীয় থাকলেও তাদের বাসা ছোট হওয়ায় হোটেলেই থাকতে হয়। সেখানে থাকার জায়গা পাওয়া যাবে কি না, সেটিই এখন বড় চিন্তা।পর্যটন ব্যবসায়ও বড় ধাক্কার আশঙ্কা :কলকাতার হোটেল ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশি পর্যটক ও রোগীদের ঘিরে নিউ মার্কেটসহ আশপাশের এলাকায় আবাসিক হোটেল, খাবারের দোকান, পরিবহন, কেনাকাটা ও নানা ধরনের ব্যবসা গড়ে উঠেছে।একটি আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার প্রভাত সরকার বলেন, করোনার পর থেকেই নানা কারণে ব্যবসায় মন্দা চলছে। পর্যটক ভিসা চালু হওয়ায় বাংলাদেশি যাত্রী বাড়তে শুরু করেছিল। এর মধ্যেই হোটেল বন্ধের ঘটনা ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন ধাক্কা।তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। অগ্নিনিরাপত্তা বিধি না মানা হোটেলের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক দিনের হিসাব অনুযায়ী আগের তুলনায় ভারতে গিয়ে দেশে ফেরার যাত্রী কিছুটা বেশি। তবে এর নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তার কাছে তথ্য নেই। দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।#

কাপ্তাই সীতা পাহার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যটকদের অবাধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

রাঙামাটির কাপ্তাই সীতা পাহার  সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটকদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে গেছে বন বিভাগ। বনাঞ্চলের ভেতরে পর্যটকদের অবাধ যাতায়াত ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সম্প্রতি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সতর্কতামূলক বিলবোর্ড স্থাপন করেছে কাপ্তাই রেঞ্জ কর্তৃপক্ষ।​বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শীত মৌসুমসহ বিভিন্ন সময়ে কাপ্তাইয়ের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ট্র্যাকিং বা ঘোরার নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রবেশ করছেন একশ্রেণির পর্যটক। এর ফলে প্রায়শই পর্যটকদের পথ হারিয়ে ফেলার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে।​সর্বশেষ গত ২৯ আগস্ট কাপ্তাইয়ের সীতার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে ট্র্যাকিংয়ের সময় সন্ধ্যার মুখে পথ হারিয়ে পড়েন কয়েকজন পর্যটক। পাহাড়ি ট্রেইলে নামার সময় এক পর্যটক গুরুতর আহতও হন। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও সংবাদকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসে। এ ধরনের ক্রমবর্ধমান দুর্ঘটনা ও বনের স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষার্থেই এই রক্ষণাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।​কাপ্তাই বন রেঞ্জের রামপাহাড় বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিঠু তালুকদার জানান,কাপ্তাই  সীতা পাহার সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের ভ্রমণকালীন ঝুঁকি এড়াতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বনের প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টানানো বিলবোর্ডে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে সাধারণ পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।বন বিভাগের আশা, সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা এই নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে একদিকে যেমন বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে পর্যটকরাও বড় ধরনের বিপদের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

কাপ্তাই সীতা পাহার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পর্যটকদের অবাধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ভ্রমণে সুস্থ থাকতে কী করবেন?

একটুখানি সময় পেলেই ডানা মেলে ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলাদা। তবে দীর্ঘ ভ্রমণে শরীর সুস্থ না থাকলে আনন্দটাই মাটি হয়ে যায়। অনিয়মিত বা অস্বাস্থ্যকর খাওয়ার কারণে পেটের সমস্যা হলে পুরো ট্যুর বানচাল হতে বাধ্য। তাই ভ্রমণে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে খাবারের দিকে দেওয়া চাই বিশেষ নজর।ভ্রমণে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত, ভাজাপোড়া বা গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। ভারি খাবার সহজে হজম হতে চায় না; ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। তাই সাধ্যমতো সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করুন।দীর্ঘ যাত্রায় প্রচুর পানি পান করুন এবং সবসময় নিজের পানির বোতল সাথে রাখুন। অচেনা স্থানের ঝরনা, নদী বা অনিরাপদ উৎসের পানি সরাসরি না খাওয়াই ভালো। সবসময় নিরাপদ ও বোতলজাত পানি পানের চেষ্টা করুন।ভ্রমণে বের হওয়ার সময় ব্যাগে কিছু শুকনো খাবার সাথে নিয়ে নিন। যেমন—চিড়াভাজা, মুড়ি, গুড়, ডালভাজা, চানাচুর, বিস্কুট বা কেক। এগুলো ঝটপট ক্ষুধা মেটাতে এবং আপনাকে স্বাচ্ছন্দ্যে রাখতে সাহায্য করবে।বাস বা ট্রেন জার্নির জন্য পাউরুটির ভেতর পছন্দের সবজি ও মাংসের পুর দিয়ে স্যান্ডউইচ বানিয়ে নিতে পারেন। এছাড়া ডিম সেদ্ধ ও তাৎক্ষণিক এনার্জির জন্য খেজুর সঙ্গে রাখা খুবই স্বাস্থ্যকর।ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার স্থানীয় খাবার বা স্ট্রিট ফুড চেখে দেখা অভিজ্ঞতারই অংশ। তবে অস্বাস্থ্যকর বা নোংরা পরিবেশের খাবার খেয়ে পেট খারাপ যেন না হয়, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন।যাদের নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয়, তারা ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ইনহেলার বা ইনসুলিন হাতের নাগালে আলাদা একটা পাউচে রাখুন। যাতে জরুরি প্রয়োজনে সহজেই তা ব্যবহার করা যায়।

 ভ্রমণে সুস্থ থাকতে কী করবেন?

সাতক্ষীরায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মন জুড়াচ্ছে সুন্দরবন সংলগ্ন আকাশলীনা

সুন্দরবনে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ প্রজনন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বিভিন্ন নদীতে মাছ-কাঁকড়া ও বনজ সম্পদ রক্ষায় প্রতিবছরের মতো এবারও সরকারি ভাবে তিন মাসের জন্য পর্যটক ও সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে বনের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ না থাকলেও সুন্দরবনের কোলঘেঁষা "আকাশলীনা" ইকো ট্যুরিজম সেন্টারে প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। সুন্দরবন বন্ধ থাকায় বনভ্রমণের আক্ষেপ অনেকটাই দূর করছে এই "আকাশনীলা" পর্যটনকেন্দ্র।সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী কলবাড়ি এলাকায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠেছে আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। চুনা ও মালঞ্চ নদীর তীরে অবস্থিত এ পর্যটনকেন্দ্রের ওপারেই বিস্তৃত সুন্দরবন। কেওড়া, গেওয়াসহ বিভিন্ন ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ, নদীর জোয়ার-ভাটা, পাখির কলকাকলি ও সবুজের সমারোহে এখানকার পরিবেশ হয়ে উঠেছে সুন্দরবনঘেঁষা এক অনন্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।পর্যটকদের জন্য আকাশলীনায় রয়েছে হাঁটার ট্রেইল, ওয়াচ টাওয়ার, আব্দুস সামাদ ফিস মিউজিয়াম, পরিবেশবান্ধব ইকো কটেজ ‘বনবিলাস’, বিশ্রামাগার ও ‘বাদাবনের হেঁসেল’ নামে রেস্টুরেন্ট। পাশাপাশি চুনা ও মালঞ্চ নদীতে নৌভ্রমণের ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে সুন্দরবন বন্ধের সময় প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটাতে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন আকাশলীনাকে।পর্যটক ও সিনিয়র সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকায় বনের ভেতরে যেতে না পারার আক্ষেপ থাকে। তবে আকাশলীনায় এসে সেই শূন্যতা অনেকটাই পূরণ হয়। এখানকার গাছপালা, নদী ও প্রাকৃতিক পরিবেশে সুন্দরবনের অনুভূতি পাওয়া যায়। মাঝেমধ্যে হরিণ বা কুমিরও দেখা মেলে বলে জানান তিনি।পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা আমেনা বিলকিস ময়না বলেন, আকাশলীনায় এসে মনে হয়েছে যেন সুন্দরবনেরই একটি অংশে এসেছেন। প্রাকৃতিক পরিবেশ, গাছপালা, থাকার ব্যবস্থা ও নৌভ্রমণের সুবিধা—সব মিলিয়ে পরিবার নিয়ে ঘুরে সময় কাটানোর জন্য জায়গাটি দারুণ।বন্ধুদের সঙ্গে আসা শিক্ষার্থী নুরজাহান বলেন, আগে শুধু আকাশলীনার কথা শুনেছিলেন। এবার এসে জায়গাটির পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। এখান থেকে সুন্দরবন দেখা যায়। সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ থাকলেও আকাশলীনায় এসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।আকাশলীনাকে ঘিরে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়েছে। চুনা ও মালঞ্চ নদীতে নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা মাঝিরা পর্যটকদের নৌভ্রমণ করিয়ে আয় করছেন। পর্যটক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টারের সুপারভাইজার রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, এখানে প্রবেশমূল্য মাত্র ২০ টাকা। প্রতিবছর জুন, জুলাই ও আগস্ট—এই তিন মাস সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ থাকে। এ সময় বনের ভেতরে যেতে না পারা অনেক পর্যটক আকাশলীনায় আসেন। বর্তমানে পর্যটক কিছুটা কম থাকলেও ছুটির দিনগুলোতে ভালো ভিড় হয়। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আকাশলীনাকে আরও আকর্ষণীয় করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সুন্দরবনের কোলঘেঁষা অবস্থান, নদী ও ম্যানগ্রোভের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পর্যটন সুবিধার কারণে ইতোমধ্যে সাতক্ষীরার অন্যতম আকর্ষণীয় ভ্রমণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে আকাশলীনা।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের পাশাপাশি আকাশলীনার মতো পরিবেশবান্ধব পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে টেকসই পর্যটনের বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে এই উদ্যোগ।সুন্দরবনে সরকারি ভাবে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ আগস্ট। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুরোপুরি খোলা থাকবে সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য। তখন সুন্দরবন ভ্রমণের জন্য দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে থাকবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। এছাড়া সুন্দরবনে বিভিন্ন নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরার জন্য জেলেরাও প্রবেশ করবেন সরকারি ভাবে পাস নিয়ে। এজন্য এরই মধ্যে সুন্দরবন প্রবেশের জন্য জেলেরা তাদের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মাছ-কাঁকড়া ধরার জাল, নৌকা ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি প্রস্তুত করেছে তারা। এজন্য জেলে পাড়ায় একপ্রকার স্বস্তির উৎসব চলছে। তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর জেলেরা সরকার নির্ধারিত পাস নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করবে জেলেরা। 

সাতক্ষীরায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মন জুড়াচ্ছে সুন্দরবন সংলগ্ন আকাশলীনা

শাপলার অপরূপ সৌন্দর্যের টানে উজিরপুরের সাতলার বিলে ছুটছেন দর্শনার্থীরা

শরতের নীল আকাশ, মিঠে রোদ আর দিগন্তজোড়া জলরাশির বুকে ফুটে থাকা হাজারো লাল শাপলা। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজের ক্যানভাসে প্রকৃতি নিজ হাতে এঁকেছে লাল রঙের ছবি। ভোরের আলো ফুটতেই বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলার বিল যেন হয়ে ওঠে এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্যপট। লাল শাপলার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা।উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জলাভূমিজুড়ে এখন লাল শাপলার সমারোহ। সাতলা, উত্তর সাতলা, পূর্ব সাতলা, মুড়িবাড়ি, পটিবাড়ি ও আলামদি গ্রামের বিলগুলোতে চোখে পড়ছে শাপলার বিস্তীর্ণ আবরণ। ভোরের সূর্যের আলো পানিতে পড়তেই ফুটে ওঠে শাপলার সৌন্দর্য। নীলাভ জলরাশির ওপর লাল শাপলার সারি দেখে মনে হয়, যেন পানির বুকে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে লাল গালিচা।বরিশাল শহর থেকে সড়কপথে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরের সাতলার এই বিল বর্ষা ও শরৎ মৌসুমে হয়ে ওঠে প্রকৃতির অনন্য এক আয়োজন। ছোট ডিঙি নৌকায় চড়ে বিলের বুক চিরে এগিয়ে যাওয়ার সময় দুই পাশে শাপলার সারি দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। নৌকার বৈঠার ছলাৎছল শব্দ আর পানির ওপর দুলতে থাকা শাপলা মিলিয়ে তৈরি হয় মনোরম এক পরিবেশ।ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে সাতলার শাপলার বিল দেখতে আসা পর্যটক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ছবিতে সাতলার শাপলার বিল দেখেছি। কিন্তু সামনে থেকে এর সৌন্দর্য যে এতটা অসাধারণ, তা এখানে না এলে বুঝতাম না। চারদিকে শুধু শাপলা আর শাপলা। মনে হচ্ছে রূপকথার কোনো রাজ্যে চলে এসেছি।’বরিশাল থেকে আসা দর্শনার্থী তানজিলা আক্তার বলেন, ‘সকালে নৌকায় করে বিলের মধ্যে ঘুরেছি। পানির ওপর লাল শাপলা, চারদিকে সবুজ আর মাথার ওপর নীল আকাশ—সব মিলিয়ে অসাধারণ লাগছে। এমন পরিবেশে এলে শহরের ব্যস্ততা ও ক্লান্তি মুহূর্তেই ভুলে যাওয়া যায়।’আরেক দর্শনার্থী রাকিব হাসান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাতলার শাপলার অনেক ছবি দেখেছি। তাই বন্ধুদের নিয়ে দেখতে এসেছি। বাস্তবে এখানকার সৌন্দর্য আরও বেশি। পর্যটকদের জন্য ভালো ঘাট, বসার জায়গা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলে এখানে আরও বেশি মানুষ আসবেন।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবছর জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বিলে শাপলা ফুটলেও আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এর সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত শাপলা থাকে সতেজ ও প্রস্ফুটিত। এ কারণে সূর্য ওঠার আগেই অনেক দর্শনার্থী বিলের পাড়ে এসে ভিড় করেন।স্থানীয় নৌকার মাঝি আবদুল কাদের বলেন, ‘শাপলা ফুটলে আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। নৌকায় করে তাদের বিল ঘুরিয়ে দেখাই। এই কয়েক মাস আমাদের বাড়তি আয় হয়।সাতলার বিলের শাপলা শুধু পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র নয়, স্থানীয় মানুষের জীবিকার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে। অনেকেই বিল থেকে শাপলা সংগ্রহ করে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করেন। জাতীয় ফুল শাপলা সৌন্দর্যের প্রতীক হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের খাদ্য ও আয়েরও একটি উৎস।স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য, বহু বছর ধরেই সাতলার জলাভূমিতে লাল, নীল ও সাদা শাপলা ফুটে আসছে। তবে লাল শাপলার আধিক্যই সবচেয়ে বেশি। শাপলা ফোটার মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা এখানে ছুটে আসেন।সাতলার শাপলার বিলকে ঘিরে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। দর্শনার্থীদের নৌকায় ওঠানামার জন্য ঘাট, বসার জায়গা, অবকাশযাপনের ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট সংস্কার ও শৌচাগার নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন করা গেলে এই এলাকা আরও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।প্রকৃতির অপরূপ সাজে প্রতি বছরই বর্ষা ও শরৎ মৌসুমে নতুন রূপে ধরা দেয় সাতলার বিল। লাল শাপলার মেলা দেখতে ভোরের আলো ফোটার আগেই সেখানে জড়ো হন প্রকৃতিপ্রেমীরা। নীল আকাশ, সবুজ প্রকৃতি আর লাল শাপলার এই অপূর্ব সমন্বয় যেন প্রকৃতির নিজের হাতে আঁকা এক জীবন্ত ছবি।

শাপলার অপরূপ সৌন্দর্যের টানে উজিরপুরের সাতলার বিলে ছুটছেন দর্শনার্থীরা

বাংলাদেশি পর্যটকদের কলকাতায় যাতায়াত ভবিষ্যতে কতটা নিরাপদ !

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশি পর্যটকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট ভোরে শিখা ইন হোটেলে আগুনে নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।আগুন লাগার সময় হোটেলের ভেতরে অনেকেই ঘুমিয়ে ছিলেন। দ্রুত আগুন ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় কয়েকজন বের হতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যুর কথা জানা গেলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে তদন্ত চলছে।অনেকের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে আগুন লাগার ঘটনাটি নিছক দুর্ঘটনা নাও হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কেউ কেউ আগুনটি ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।তবে এখন পর্যন্ত আগুন ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো হয়েছিল—এমন কোনো নিশ্চিত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তাই তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে আগুন লাগানোর পেছনে কারও হাত ছিল । তদন্তে যদি কোনো ধরনের নাশকতা বা ইচ্ছাকৃত অগ্নিসংযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, তখন ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।অনেকেই এখন সতর্ক করে বলছেন, জরুরি প্রয়োজন না থাকলে আপাতত কলকাতা ভ্রমণ এড়িয়ে চলাই ভালো। বিশেষ করে মির্জা গালিব স্ট্রিট ও নিউমার্কেট এলাকার ঘটনার পর মির্জা গালিব স্ট্রিট ও আশপাশের এলাকায় থাকা বাংলাদেশি পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ের আগেই কলকাতা ছেড়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। আবার অনেকে হোটেল পরিবর্তন করে তুলনামূলক নিরাপদ আবাসনের খোঁজ করছেন বলে স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কলকাতার নিউমার্কেট ও মির্জা গালিব স্ট্রিট দীর্ঘদিনের পরিচিত এলাকা। চিকিৎসা, কেনাকাটা ও পর্যটনের জন্য বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অনেক মানুষ এই এলাকার হোটেলগুলোতে থাকেন। ফলে একটি বড় অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্থানীয় হোটেল ব্যবসা ও পর্যটন খাতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি ওই এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হচ্ছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—হোটেলগুলোতে জরুরি বহির্গমন পথ, অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম, নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন যথাযথভাবে রয়েছে কি না। কারণ পর্যটকদের কাছে কোনো শহরের আকর্ষণের পাশাপাশি থাকার জায়গার নিরাপত্তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বাংলাদেশি পর্যটকদের কলকাতায় যাতায়াত ভবিষ্যতে কতটা প্রভাবিত হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে এই দুর্ঘটনার পর পর্যটকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন ও হোটেল কর্তৃপক্ষকে দৃশ্যমান এবং কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু তদন্ত ঘোষণা বা সাময়িক অভিযান নয়, নিয়মিত অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন এবং নিয়ম ভঙ্গকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়াই পারে পর্যটকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে। একই সঙ্গে কলকাতায় যাওয়া বাংলাদেশি পর্যটকদেরও হোটেল বেছে নেওয়ার আগে জরুরি বহির্গমন পথ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও ভবনের নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশি পর্যটকদের কলকাতায় যাতায়াত ভবিষ্যতে কতটা নিরাপদ !
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream