শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
হাসিনাসহ ৩০ পলাতক আসামির জন্য আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

হাসিনাসহ ৩০ পলাতক আসামির জন্য আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বেনজির আহমেদসহ পলাতক ৩০ আসামির জন্য শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আগামী ৭ অক্টোবর এ মামলায় অভিযোগ গঠনের পরবর্তী শুনানি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। এদিকে এ মামলায় আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর জামিন আবেদন করলেও পরে তা নাকচ করেন আদালত। এর আগে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় হাসানুল হক ইনু, দিপু মনি, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, শামসুল হক টুকু, জিয়াউল আহসান, ফারজানা রুপাসহ ১১ জনকে হাজির করা হয় ট্রাইব্যুনালে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হয় এ বিষয়ে শুনানি। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জন আসামি। এর আগে এ মামলায় পলাতক আসামিদের হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে কেউই ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেনি। চলতি বছরের ২৭ জুলাই মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামীর মহাসমাবেশে হত্যাকাণ্ডের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এতে অভিযোগে বলা হয়েছে ২০১৩ সালের ৫ মে আসামিদের যোগসাজশে রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বন্ধ হেফাজতে ইসলামকে নির্মূল করতে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।

স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ঢাকার কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামী দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েলকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন হারুন, মোরশেদা, সুমাইয়া ও রাজুকে খালাস প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ হোসেন জর্জ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দুলাল হোসেনকে রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে আসামি দুলালের সঙ্গে বিয়ে হয় ভুক্তভোগী শারমিনের। তাঁদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দুলাল বিয়ের পর থেকে দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে শারমিনকে মারধর করতেন। ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকেও তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। শারমিনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাঁকে মিটফোর্ড হাসপাতালে, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের ভর্তি করা হয়। তাঁর শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলাটি করেন শারমিনের মা মোসা. মোমেলা। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক এ কে এম সাইদুজ্জামান ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত শেষে  পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন আদালতে। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে এ দণ্ড দেন আদালত।

স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের সহযোগিতা চাইলেন রুনির ভাই

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে আবেদন করেছেন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান। আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আবেদনটি জমা দেন তিনি। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, পিবিআই মামলাটির তদন্ত করছে। ট্রাইব্যুনালের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে যদি সাগর-রুনি হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায় তবে অবশ্যই তা পিবিআইকে দিয়ে সহযোগিতা করা হবে। তবে ট্রাইব্যুনালের আইনে তদন্ত সংস্থা বা প্রসিকিউশন এই মামলা তদন্ত করতে পারে না। অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সাগর রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাবেক একজন সেনা কর্মকর্তা ও একজন নাট্যকর্মীর কথোপকথন পেয়েছেন বলেও জানান তিনি। জুলাই আগস্টের ঘটনায় চট্টগ্রামের একটি মামলায় সাক্ষীদের ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এসব করে ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি। পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। চার দিন পর তদন্তভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন র‍্যাবের তদন্তেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরে হাইকোর্ট মামলাটির তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে দিয়ে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। টাস্কফোর্সকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। এরপর ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। পিবিআইয়ের প্রধানকে ওই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ থাকলেও পিবিআই তা দাখিল করতে পারেনি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করে দিয়েছেন। এ পর্যন্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯ বার পিছিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় টাস্কফোর্সকে বেশ কয়েক দফায় সময় দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট এই টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন।

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের সহযোগিতা চাইলেন রুনির ভাই

ওসমান হাদি হত্যার আসামী ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়ার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান অভিযোগসংশ্লিষ্ট ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়ার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। ফয়সাল করিম মাসুদ বর্তমানে ভারতে একটি কারাগারে আটক রয়েছেন। আবেদনে বলা হয়, ফয়সাল করিম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে সে দেশটির কারাগারে আটক রয়েছেন। 

ওসমান হাদি হত্যার আসামী ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রংপুরে চার হত্যা: আসামির শার্ট নিয়ে রহস্য

রংপুরে মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনের একজনের পরনের শার্ট নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা। মরদেহ উদ্ধারের দিন ঘটনাস্থলে এক ব্যক্তির গায়ে যে ধরনের শার্ট দেখা যায়, গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনের একজনের শরীরেও একই ধরণের শার্ট দেখা গেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একই পোশাক বা ডিজাইনের শার্ট আলাদা একাধিক ব্যক্তির থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়।তদন্ত ও মরদেহ উদ্ধারের দায়িত্বে থাকা প্রধান কর্মকর্তাদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে ইন্টারনেটে যে গুঞ্জন ওঠে, সেটিকে "একান্তই কাকতালীয়" বলে অভিহিত করেছে পুলিশ। ধর্ম বা জাতির ভিত্তিতে কোনো কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়নি বলে স্পষ্ট করা হয়।অভিযুক্তরা নেশা করার জন্য পাশে অনেক ফাঁকা স্থান থাকা সত্ত্বেও কেন নিহত গণপতির বাড়ির ছাদকেই বেছে নিয়েছিল, সংবাদ সম্মেলনে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে পুলিশ কমিশনার জানান, প্রাথমিক তদন্তের গতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তেই সব স্পষ্ট হবে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে সীমান্ত নামে এক ব্যক্তির বাসায় বসে তা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ হলে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে আসেন। তবে পুলিশের এই বক্তব্য ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে। ইয়াবা সেবনের জন্য পাশের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের পুরো ফাঁকা জায়গা ও ছাদ থাকার পরও তারা কেন গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে গেলেন; সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনারের কাছে এমন প্রশ্ন করা হয়। জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, অল্প সময়ে মামলার তদন্তে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে পুলিশের ইতিবাচক কাজের প্রশংসা এবং নেতিবাচক কাজের সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। তদন্তে আস্থা রাখার কথাও বলেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল ৫টার দিকে গ্রেপ্তার দুই যুবককে আদালতে হাজির করা হয়। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।  তবে গ্রেপ্তার দুই যুবকের স্বীকারোক্তি, ঘটনাস্থল ও হত্যাকাণ্ডের সময়কার গতিবিধি নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর তদন্তে কতটা পরিষ্কার হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

রংপুরে চার হত্যা: আসামির শার্ট নিয়ে রহস্য
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream