মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
প্রেসিডেন্ট হতে তুরস্কের সঙ্গে চুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছেন সাদ্দাম হাফতার

প্রেসিডেন্ট হতে তুরস্কের সঙ্গে চুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছেন সাদ্দাম হাফতার

লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ার লক্ষ্য পূরণে তুরস্কের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে করা একটি বিতর্কিত চুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছেন দেশটির পূর্বাঞ্চলের সামরিক নেতা খলিফা হাফতারের ছেলে সাদ্দাম হাফতার।প্রায় সাত বছর ধরে ত্রিপোলিভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের সঙ্গে তুরস্কের করা এই চুক্তির বিরোধিতা করে আসছিল পূর্ব লিবিয়া। কিন্তু গত সপ্তাহে মাত্র এক অধিবেশনেই পূর্বাঞ্চলীয় আইনসভা চুক্তিটি অনুমোদন করে।বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু তুরস্কের কূটনৈতিক সাফল্য নয়, বরং সাদ্দাম হাফতারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ সহজ করার একটি কৌশলও হতে পারে।গত ২০ অক্টোবর বেনগাজিভিত্তিক লিবিয়ার প্রতিনিধি পরিষদ সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত চুক্তিটি অনুমোদন করে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গ্রিস, ইসরায়েল ও মিসরও চুক্তিটির সমালোচনা করেছে।চুক্তিটি অনুমোদনের পেছনে সাদ্দাম হাফতারের পরিকল্পিত উদ্যোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁর বাবা খলিফা হাফতার লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। আর সাদ্দামের লক্ষ্য দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়া। বর্তমানে লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ত্রিপোলি ও পূর্বাঞ্চলের বেনগাজির মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি সমঝোতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরব ও আফ্রিকাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাসাদ বুলোস এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সাদ্দাম হাফতারকে লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে তার প্রয়োজন তুরস্কের সমর্থন। পশ্চিম লিবিয়ায় আঙ্কারার উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। ফলে দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যেকোনও সমঝোতায় তুরস্কের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্র চুক্তির অনুমোদন তাই সাদ্দামের পক্ষ থেকে আঙ্কারার সমর্থন আদায়ের একটি পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষমতার পথ পরিষ্কার করতে আইনসভার নেতৃত্বে পরিবর্তন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে সাদ্দামের প্রথম বড় পদক্ষেপ ছিল কার্যত একটি অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার পালাবদল। সমুদ্র চুক্তির অনুমোদনের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার আগিলা সালেহকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি টানা ১২ বছর এ পদে ছিলেন। সালেহ ছিলেন পূর্ব লিবিয়ায় মিসরের প্রধান রাজনৈতিক মিত্র এবং তুরস্কের সঙ্গে সমঝোতা অনুমোদনের অন্যতম দৃঢ় বিরোধী। তাকে সরিয়ে দেওয়ার ফলে একদিকে কায়রোর প্রভাব কমেছে, অন্যদিকে চুক্তি অনুমোদনের পথও সহজ হয়েছে। তবে সালেহকে সরানোর তাৎপর্য শুধু মিসরের প্রভাব খর্ব করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্পিকার হিসেবে এবং নামমাত্র সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি লিবিয়ার আনুষ্ঠানিক ক্ষমতাকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন। খলিফা হাফতারের সামরিক কর্তৃত্বও যে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত, সালেহ তার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ছিলেন। এছাড়া ওবেইদাত গোত্রের মধ্যে তার শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে। লিবিয়ার গোত্রভিত্তিক রাজনীতিতে এ ধরনের প্রভাব ক্ষমতা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে সালেহ এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন, যিনি ক্ষমতার পালাবদলকে জটিল করে তুলতে পারতেন, এমনকি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও নিতে পারতেন। তাকে সরিয়ে দেওয়ায় সাদ্দামের সামনে বাধা কমেছে। একই সঙ্গে খলিফা হাফতারের বয়সজনিত কারণে সম্ভাব্য ক্ষমতা হস্তান্তরের পথও সহজ হতে পারে। সালেহর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আল-সালহিন আবদুলনবি। তিনিও ওবেইদি গোত্রের সদস্য এবং প্রতিনিধি পরিষদের লিবিয়া-তুরস্ক মৈত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে তার নিয়োগ একদিকে গোত্রভিত্তিক প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা কমাতে পারে, অন্যদিকে আইনসভা এখন কোন দিকে পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেয়। সাদ্দামের ভাগ্য নির্ধারণে ওয়াশিংটনের ভূমিকা সাদ্দামের এ কৌশল সফল হবে কি না, তা অনেকাংশে নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের ওপর। ট্রাম্প প্রশাসন লিবিয়ায় ক্ষমতা ভাগাভাগির সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী। তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) তদবির এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে ট্রাম্পের সুসম্পর্ক এ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে পারে। সাদ্দাম আশা করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতা গ্রিস ও সাইপ্রাসের আপত্তি এবং আঙ্কারার ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে ইসরায়েলের অস্বস্তি কাটিয়ে উঠতে পারবে। এতে ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমঝোতাকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। ইসরায়েলের বিরোধিতার বিষয়টিকে সাদ্দাম অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও কাজে লাগাতে পারেন। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তিনি নিজেকে জাতীয় স্বার্থের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরতে পারবেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলের সঙ্গে তার কোনও গোপন যোগাযোগ রয়েছে- এমন ধারণা দূর করারও সুযোগ পাবেন। ইউরোপের প্রভাব কমছে, সুবিধাজনক অবস্থানে আমিরাত লিবিয়া নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বেনগাজি সফরে গিয়ে ইইউর অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ও সদস্যদেশের তিন মন্ত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু ইউরোপের রাজধানীগুলো এর জবাবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার বদলে অনেকটা নতিস্বীকারের পথ বেছে নেয়। এর এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে গ্রিসে সফর করেন সাদ্দাম। সেখানে বিকল্প কোনও সমুদ্রসীমা সমঝোতায় সম্মত হওয়ার প্রতিশ্রুতি না দিয়েই তিনি আলোচনা এড়িয়ে যান। বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইইউর অতিরিক্ত মনোযোগ লিবিয়াবিষয়ক নীতিকে সংকীর্ণ করে ফেলেছে। লিবিয়ার পূর্ব উপকূল থেকে ক্রিট দ্বীপের দিকে যাত্রা করা অভিবাসীবাহী নৌযানের সংখ্যা কমানোই ইউরোপের প্রধান উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ যে জলসীমা নিয়ে বিরোধ চলছে, সেই জলসীমা পাহারা দেওয়ার জন্যও সাদ্দামের ওপর নির্ভর করতে চাইছে ইউরোপ। ফলে সমুদ্রসীমার মানচিত্র বদলে দেওয়ার উদ্যোগের জন্য তাকে কার্যকরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা ইইউর পক্ষে কঠিন হতে পারে। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সাদ্দামের সাফল্য চায়। খলিফা হাফতারের ছেলেদের মধ্যে সাদ্দামই আমিরাতের প্রতি সবচেয়ে বিশ্বস্ত বলে বিবেচিত। তাকে লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষে দেখতে পারলে হাফতার পরিবারকে ঘিরে আবুধাবির এক দশকের বিনিয়োগ সফল হবে। অতীতে গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত থাকলেও তুরস্কের পক্ষে সমুদ্রসীমা নির্ধারণে সম্মতি দেওয়া আমিরাতের কাছে গ্রহণযোগ্য মূল্য হতে পারে। তবে আঙ্কারার সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা ভবিষ্যতে সাদ্দামের নিজস্ব রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে সীমিত করতে পারে। মিসরের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা সাদ্দামের পরিকল্পনায় সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা এখনও মিসর। সমুদ্র চুক্তির বিরোধিতা করে কায়রো যে বিবৃতি দিয়েছে, তাতে মূলত মিসরের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলের ওপর চুক্তিটির সম্ভাব্য প্রভাবের কথা বলা হয়েছে। বক্তব্যটি প্রায় পুরোপুরি আইনি যুক্তিতে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, মিসর এখনও রাজনৈতিকভাবে নিজের বিকল্পগুলো খোলা রাখতে চাইছে। সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্কের সঙ্গে মিসরের সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সুদান ও লোহিত সাগর নিয়ে দুই দেশ এখন অনেক ক্ষেত্রে একই অবস্থানে রয়েছে। ইসরায়েলের সম্প্রসারণবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে অভিন্ন উদ্বেগও তাদের ঘনিষ্ঠ করেছে। বাণিজ্যিক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবের মাধ্যমে সাদ্দাম মিসরের বিরোধিতা কিছুটা কমানোর চেষ্টা করতে পারেন। তবে কায়রো চাইলে আঙ্কারার সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে হাফতার পরিবারের অন্য কাউকে সামনে আনতে পারে। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে রয়েছেন সাদ্দামের ভাই খালেদ হাফতার। তিনি লিবিয়ান আরব আর্মড ফোর্সেসের চিফ অব স্টাফ এবং কায়রোর সঙ্গে তার সম্পর্ক সাদ্দামের চেয়ে ঘনিষ্ঠ। চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের প্রকাশ্য সমালোচনাও করেছিলেন তিনি। মিসর যদি খালেদকে সমর্থন দেয়, তাহলে সাদ্দামের দর-কষাকষির ক্ষমতা অনেকটাই কমে যেতে পারে। কারণ, তুরস্কের সমর্থন আদায়ের জন্য তিনি ইতোমধ্যে তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার—সমুদ্র চুক্তির অনুমোদন-ব্যবহার করে ফেলেছেন। সুদান সংঘাতও হয়ে উঠতে পারে বড় বাধা সাদ্দামের হাতে এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বিকল্প রয়েছে। সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) প্রতি সমর্থন বন্ধ করলে তিনি তুরস্ক ও মিসরের সমর্থন পেতে পারেন। কারণ, উভয় দেশই সুদানের সেনাবাহিনীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। কিন্তু এ পদক্ষেপ নিলে তাকে এমন একটি সম্পর্কের ঝুঁকি নিতে হবে, যা হারানোর সামর্থ্য তার নেই। আবুধাবির সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হলে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। ফলে সাদ্দাম এখন দুই বিপরীতমুখী চাপের মধ্যে রয়েছেন। একদিকে আবুধাবি- যার বিরাগভাজন হওয়া তার পক্ষে বিপজ্জনক; অন্যদিকে আঙ্কারা- যারা সমুদ্র চুক্তির অনুমোদনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে নিজেদের প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে। সাদ্দামের হিসাব হলো, ওয়াশিংটন চুক্তিটি বাস্তবায়নের আগপর্যন্ত তিনি দুই পক্ষের সমর্থন ধরে রাখতে পারবেন। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল তার রাজনৈতিক বিচক্ষণতার পাশাপাশি ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা থেকেও উৎসারিত হতে পারে। কারণ, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা না হলে তার ভাইদের কিংবা নতুন ক্ষমতাকাঠামোর বাইরে থাকা গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘাত তৈরি হতে পারে। সেই সংঘাত সহিংস রূপও নিতে পারে। বাবার পরাজয়ের স্মারকই ছেলের ক্ষমতার সিঁড়ি? লিবিয়ার রাজনীতিতে ইতিহাসের এক অদ্ভুত পরিহাস রয়েছে। তুরস্কের সঙ্গে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত যে সমঝোতা এখন সাদ্দামের প্রেসিডেন্ট হওয়ার কৌশলের কেন্দ্রে, সেটিই একসময় তার বাবার সামরিক পরাজয়ের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল। ২০২০ সালে ত্রিপোলির উপকণ্ঠে খলিফা হাফতারের বাহিনীর অগ্রযাত্রা থামাতে তুরস্ক সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল। ওই হস্তক্ষেপের পর হাফতারের বাহিনী ও তার হয়ে লড়াই করা ভাড়াটে যোদ্ধাদের পিছু হটতে হয়। তুরস্কের হস্তক্ষেপের বিনিময়ে ত্রিপোলিভিত্তিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত সমঝোতাটি হয়েছিল। যে ত্রিপোলি দখল করতে গিয়ে বাবা ব্যর্থ হয়েছিলেন, সেই ত্রিপোলিতেই এখন ছেলেকে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছে দিতে পারে একই সমঝোতা। অর্থাৎ, হাফতার পরিবারের সবচেয়ে বড় সামরিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়ের স্মারকই তাদের ক্ষমতার উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর। ট্রাম্প প্রশাসন সমঝোতাটি এগিয়ে নিলে সাদ্দামের জন্য প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ খুলতে পারে। আর যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে গেলে তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার অবসানও ঘটতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream