সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ম্যানসিটি বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবুধাবির মালিকপক্ষের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

ম্যানসিটি বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবুধাবির মালিকপক্ষের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

ব্রিটিশ রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়মের ঘটনায়। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগে ক্লাবটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাদের মালিকপক্ষের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছিলেন । তার মন্তব্যের পর সিটির আবুধাবিভিত্তিক মালিকপক্ষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধী দল। এই বিতর্কের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অতীতে হওয়া সব বৈঠকের তথ্য প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন বার্নহ্যাম। তিনি জানিয়েছেন, এসব বৈঠকের কোনোটিই সাম্প্রতিক সময়ের নয়। উল্লেখযোগ্য বৈঠক হয়েছিল মাত্র একটি, ২০২১ সালে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে। প্রিমিয়ার লিগের গঠিত স্বাধীন কমিশনের তদন্তে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে ভুয়া চুক্তির মাধ্যমে গোপনে ৮৩ কোটি পাউন্ডের বেশি অর্থ ক্লাবটির ফুটবল কার্যক্রমে ঢোকানো হয়েছে। গত মাসে ঘোষিত রায়ে একটি অভিযোগ ছাড়া বাকি সব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয় সিটি। ব্যতিক্রম ছিল তদন্তে অসহযোগিতার একটি অভিযোগ। তবে এখনো ক্লাবটির শাস্তি ঘোষণা করা হয়নি। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। শুরু থেকেই সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে ক্লাবটি। রায় ঘোষণার পর বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম বলেছিলেন, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সিটির মালিকেরা ক্লাবটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি ‘সত্যিই উদ্বিগ্ন’ হবেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে প্রিমিয়ার লিগের কয়েকটি ক্লাব বিস্মিত হয় বলে বিবিসি স্পোর্টকে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তাদের মধ্যে আপিলের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। এরপর বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বাডেনক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সব বৈঠকের তথ্য প্রকাশের দাবি জানান। এবার সেই দাবি মেনে নিয়েছেন বার্নহ্যাম। ‘দ্য রেস্ট ইজ পলিটিকস’ পডকাস্টে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা আমার বৈঠকগুলোর বিস্তারিত প্রকাশ করতে বলেছেন। আমি আনন্দের সঙ্গেই তা করতে রাজি এবং সেটাই করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে আগের দায়িত্ব পালনের সময় তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে যা কিছু করেছি, সবই পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করব। আসলে আমার বৈঠকগুলোর কোনোটিই সাম্প্রতিক সময়ের নয়। উল্লেখযোগ্য বৈঠক হয়েছিল মাত্র একটি, সেটি ২০২১ সালে।’ ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের শুরুর দিক পর্যন্ত গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন বার্নহ্যাম। তাঁর মেয়র থাকাকালে ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবলে ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছে। একই সময়ে শহরের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিনিয়োগ উৎসাহিত করেছেন তিনি। তবে এই নীতি তাঁর মেয়র হওয়ার আগেই শহরটির নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিল। সিটির মালিকপক্ষের প্রতি নিজের আগের মন্তব্যকে ভুল বলে মনে করেন না বার্নহ্যাম। তাঁর মতে, ফুটবলের আর্থিক অনিয়ম এবং ম্যানচেস্টারে বিদেশি বিনিয়োগ—দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, আমি ভুল কিছু বলেছি। তবে এটুকু বলব, তখন সব বিষয় আমার মাথায় ছিল না। আমার মনোযোগ ছিল লেবার পার্টির সম্মেলনের দিকে। সেই সম্মেলন নিয়েই বিভিন্ন সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিষয় দুটিকে এক করে দেখিনি। প্রশ্নগুলোতেই বরং দুটি বিষয়কে একসঙ্গে আনা হয়েছিল। আমি বলব, এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা। ফুটবলের বিষয় আর বিনিয়োগের বিষয় এক নয়। অনেকে দুটিকে মিলিয়ে ফেলার চেষ্টা করবেন। কিন্তু আমার মতে, সেটা করা উচিত নয়।’ তবে সিটির বিরুদ্ধে স্বাধীন কমিশনের অনুসন্ধানে উঠে আসা অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ফুটবলের বিষয়গুলোয় স্বাধীন কমিশনের অনুসন্ধানে যা উঠে এসেছে, তা গুরুতর। সাক্ষাৎকারেও আমি সেটাই বলেছিলাম।’ ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচারপ্রক্রিয়া প্রিমিয়ার লিগের প্রভাবমুক্ত একটি স্বাধীন ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালে টানা ৪২ দিন শুনানি করে স্বাধীন কমিশন। সেই শুনানির ভিত্তিতেই গত মাসে রায় ঘোষণা করা হয়। কমিশনের প্রতিবেদনে সিটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর ভূমিকা নিয়েও গুরুতর পর্যবেক্ষণ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লাবটির ‘বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তাঁদের কেউ কেউ জেনেশুনে অসত্য ও অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাক্ষ্য দিয়েছেন।’ এখন সিটির আপিলের শুনানি করবে পৃথক একটি স্বাধীন আপিল বোর্ড। এদিকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রথম ম্যাচে গতকাল রোববার অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের মুখোমুখি হয় ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচটিতে ৩-০ গোলে জয় পায় তারা।

আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় নীরব যৌন নিপীড়নের শিকার নারীরা

ব্রিটিশ পুরুষদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থী কয়েকজন নারী। তবে অনেকেই  নিজেদের আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার আশঙ্কায় তাঁরা এসব ঘটনার বিষয়ে পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা ফৌজদারি মামলা করতে ভয় পান। এই অভিযোগ এমন এক সময় এল, যখন দেশটির ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো আশ্রয়প্রার্থীদের বিরুদ্ধেই ইংল্যান্ডের নারী ও কিশোরীদের ধর্ষণের অভিযোগ করছে এবং এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। সম্প্রতি ডোভার ও পোর্টসমাউথে আশ্রয়প্রার্থীদের আগমনের প্রতিবাদে ডানপন্থী আন্দোলনকারী ড্যানি টমোর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভেও আশ্রয়প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো সমন্বিত প্রমাণ নেই। এদিকে আশ্রয়প্রার্থী এক নারীর অভিযোগ—তিনি ধর্মীয় নিপীড়ন ও পারিবারিক সহিংসতা থেকে বাঁচতে যুক্তরাজ্যে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে দুই বছর একটি হোটেলে স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন। তিনি জানান, ওই হোটেলের এক কর্মী তাঁকে নিয়মিত মৌখিক ও শারীরিকভাবে হয়রানি করতেন। একপর্যায়ে তিনি ওই নারীর কক্ষে যাতায়াত শুরু করেন এবং যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। এমনকি হোটেলের তথ্যভান্ডার থেকে তাঁর ফোন নম্বর নিয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল থেকে বারবার যৌন সম্পর্কের জন্য চাপ দিতে থাকেন। অভিযোগ জানানোর পর তাঁকে অন্য হোটেলে সরিয়ে নেওয়া হয়। ইরান থেকে সদ্য যুক্তরাজ্যে যাওয়া আরেক নারী জানান, হিথরোর কাছে স্বরাষ্ট্র অফিসের ব্যবস্থাপনায় থাকা একটি হোটেলে একজন নিরাপত্তাকর্মী তাঁকে ধর্ষণ করেন। তবে ইরানের পুলিশের অভিজ্ঞতার কথা মনে করে যুক্তরাজ্যের পুলিশের কাছে যেতে তিনি ভয় পেয়েছিলেন। একই সঙ্গে আশঙ্কা করেছিলেন, ধর্ষণের অভিযোগ করলে হয়তো তাঁর আশ্রয়ের আবেদনটি বাতিল হয়ে যেতে পারে। অভিযোগ জানানোর পর তাঁকে অন্য হোটেলে সরিয়ে নেওয়া হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা তিনি জানেন না। উগান্ডার এক সমকামী নারী আশ্রয়প্রার্থীও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন। তাঁর আশ্রয়ের আবেদন ছিল যৌন পরিচয় প্রকাশ পেলে নিজ দেশে কারাবন্দী বা মৃত্যুর আশঙ্কার ভিত্তিতে। আইনি সহায়তার জন্য আইনজীবী না পেয়ে তিনি একজন বেসরকারি অভিবাসন আইনজীবীর কাছে যান। কিন্তু পারিশ্রমিক দেওয়ার অর্থ না থাকায় ওই আইনজীবী তাঁকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ‘গার্ডিয়ান’ জানায়, উল্লেখিত তিন নারীই পরবর্তী সময়ে শরণার্থী মর্যাদা পেয়েছেন। তবে আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের ঘটনা বাস্তবের তুলনায় অনেক কম নথিভুক্ত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের হোম অ্যাফেয়ার্স সিলেক্ট কমিটির এক তদন্তে আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতির বিষয়টি উঠে এসেছে। ব্রিটিশ রেড ক্রসও আশ্রয়কেন্দ্রে নারীদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুতর দুর্বলতার কথা জানিয়েছে। রেপ ক্রাইসিস ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসও আশ্রয়প্রার্থী নারী ও মেয়েদের সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা না থাকার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, এই নারীরা যৌন নির্যাতন ও শোষণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনেকেই নিজেদের অধিকার ও আইনি সহায়তার পথ সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য জানেন না। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র অফিস জানিয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে এ ধরনের অভিযোগ মোকাবিলায় নির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এতে অভিযোগকারীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় নীরব যৌন নিপীড়নের শিকার নারীরা

ক্যানসারের তহবিল চুরি করে বিলাসবহুল বিয়ে, ব্রিটিশ-বাংলাদেশির কারাদণ্ড

তামিম চৌধুরী (২৯) নামের এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশিকে ক্যানসার গবেষণার জন্য বরাদ্দকৃত তহবিলের প্রায় ৯২ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় দেড় কোটি টাকারও বেশি) আত্মসাতের দায়ে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন লন্ডনের একটি আদালত। তিনি নিজের বিলাসবহুল বিয়ের খরচ মেটানো ছাড়াও ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধ তহবিল চুরির এই অর্থ দিয়ে করেছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে। রয়্যাল কোর্টস অব জাস্টিসে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নিজের অপরাধ ও অর্থপাচারের অভিযোগ স্বীকার করার পর বিচারক এই রায় দেন। পূর্ব লন্ডনের হ্যাকনির স্টোক নিউইংটন চার্চ স্ট্রিটের বাসিন্দা তামিম দাতব্য প্রতিষ্ঠান ব্রেস্ট ক্যানসার নাও-এর অর্থ বিভাগে কর্মরত ছিলেন।  আদালতের শুনানিতে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ক্যান্সার গবেষণা বিষয়ক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান দ্য রয়্যাল মার্সডেন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট-এর পক্ষ থেকে ব্রেস্ট ক্যানসার নাও-কে প্রশাসনিক অনুদানের ৯১ হাজার ৯৬৬ দশমিক ৭২ পাউন্ড ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। তামিম ২০২৩ সালের ১১ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল প্যাড ব্যবহার করে রয়্যাল মার্সডেনকে পাঠানো এক ই-মেইলে অ্যাকাউন্টের জায়গায় জালিয়াতি করে নিজের স্যানটান্ডার ব্যাংকের বিবরণ দেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট পুরো অর্থটি তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে জমা হয়। তদন্তে আরও জানা যায়, মারাত্মক আর্থিক সংকটে থাকা তামিম পাওনাদারদের তাগাদায় দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তবে ব্যাংকে টাকা ঢোকার পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি প্রায় ৪৯ হাজার ১০০ পাউন্ড খরচ করে ফেলেন। এই অর্থ দিয়ে তিনি দেনা মেটানো, কাতার ভ্রমণের টিকিট, বিলাসবহুল কেনাকাটা, আত্মীয়দের টাকা পাঠানো এবং রাজকীয় বিয়ের আয়োজন ও বিদেশে মধুচন্দ্রিমার খরচ মেটান। হঠাৎ বিশাল অঙ্কের লেনদেনে সন্দেহ হলে স্যানটান্ডার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি স্থগিত করে অবশিষ্ট ৪২ হাজার ৮৬৬ দশমিক ২৫ পাউন্ড জব্দ করে। ব্রেস্ট ক্যানসার নাও-এর অভিযোগের ভিত্তিতে সিটি অব লন্ডন পুলিশের বিশেষায়িত দল তদন্ত শুরু করে এবং ২০২৫ সালের জুনে তামিমকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত কর্মকর্তা ইউসুফ মির্জা জানান, ক্যান্সারের জীবনরক্ষাকারী কাজের অর্থ আত্মসাৎ করে তামিম চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। ব্রেস্ট ক্যানসার নাও জানিয়েছে, ব্যাংকের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে পুরো অর্থই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির কোনও আর্থিক ক্ষতি হয়নি। এ ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতে তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে।

ক্যানসারের তহবিল চুরি করে বিলাসবহুল বিয়ে, ব্রিটিশ-বাংলাদেশির কারাদণ্ড
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream