রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
বরিশালে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার চালু

বরিশালে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার চালু

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন বরিশালে একটি নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে। উদ্ভাবন ও ডিজিটাল-ফার্স্ট সেবার মাধ্যমে আরো মানসম্মত গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে গ্রামীণফোন যে সংকল্পবদ্ধ, এই উদ্যোগ তারই প্রতিফলন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, সার্কেল বিজনেস হেড (খুলনা) মো. আহসান হাবিব, হেড অব কাস্টমার সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স আবদুল্লা আল মাহমুদ এবং গ্রামীণফোন সেন্টার পার্টনার (বরিশাল) কাজী সাফায়াত হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, সেন্টার এজেন্ট, গ্রাহক এবং স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।নদী, কৃষি ও পেয়ারা বাগানের ঐতিহ্যবাহী নদীমাতৃক বরিশালের সমৃদ্ধ ও নিজস্ব পরিচিতির অনুপ্রেরণায় নতুন এই সেন্টারটি সাজানো হয়েছে। এটি স্থাপন করা হয়েছে বগুড়া রোডে; ফলে বরিশাল সদর ও এর আশপাশের এলাকার গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও অংশীদাররা সহজেই এখান থেকে সেবা নিতে পারবেন ।পরিবেশবান্ধব সামগ্রীর বহুল ব্যবহার নিশ্চিত করে নতুন উদ্বোধন হওয়া এই সেন্টারটিতে রয়েছে আধুনিক ডিজাইন ও অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধার সমন্বয়। সেন্টারটিতে আসা গ্রাহকরা গ্রামীণফোনের সব ধরণের টেলিযোগাযোগ সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন ও অত্যাধুনিক পণ্যসহ সব কিছু এক ছাদের নিচেই পেয়ে যাবেন। গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, "গ্রাহক অভিজ্ঞতা শুধু আমরা কোথায় সেবা দিচ্ছি তা নয়; এটা হচ্ছে আমরা তাদের জীবনকে আরও কতটা সহজ, মানসম্মত ও সংযুক্ত করতে পারলাম সে বিষয়টি। দিনদিন মানুষের জীবন যত অনলাইন নির্ভর হচ্ছে, সাথে সাথে আমাদের দায়িত্বও তত বাড়ছে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে গ্রাহকদের জন্য শক্তিশালী ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা যাতে তারা আরো আত্মবিশ্বাসের সাথে এবং নিরাপদে ডিজিটাল দুনিয়ায় বিচরণ করতে পারেন। বরিশালের নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারটি এই ভাবনারই বাস্তব প্রতিফলন; যেখানে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল পরিবেশে একই সাথে পণ্য, সেবা এবং ডিজিটাল ও সিকিউরিটি সল্যুশন পেয়ে যাবেন গ্রাহকরা। বরিশালের মানুষের কাছে এই সেবা পৌঁছে দিতে পেরে এবং প্রতিনিয়ত আরো সংযুক্ত, স্মার্ট ও নিরাপদ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পদক্ষেপ নিতে পেরে আমরা গর্বিত।"নতুন এই গ্রামীণফোন সেন্টারটি সবার জন্য সহজলভ্য, আধুনিক ও টেকসই সেবা ও অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি সেবা প্রদানের পাশাপাশি স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগ বজায় রাখার প্রতি কোম্পানির অঙ্গীকারকেও তুলে ধরে।

লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় স্থানীয়দের অর্থায়নে নির্মিত একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান। লাল ফিতা কেটে, ঢোল-বাদ্য বাজিয়ে ও মিষ্টি বিতরণের মধ্য দিয়ে সাঁকো উদ্বোধনের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার্থে নিজেদের অর্থায়নে প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। বাঁশের পাশাপাশি এতে সুপারিগাছও ব্যবহার করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে সাঁকো উদ্বোধন উপলক্ষে স্থানীয়রা ফুল ও বেলুন দিয়ে আশপাশের এলাকা সাজান। পরে লাল ফিতা কেটে উদ্বোধনের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় ঢোল-বাদ্যের। অনুষ্ঠানে বয়াতিদের গান পরিবেশনেরও ব্যবস্থা ছিল। শেষে উপস্থিত নারী-পুরুষদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।সাঁকো উদ্বোধনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে ‘উন্নয়নের নামে লোকদেখানো প্রদর্শনী’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশ্ন তুলেছেন, একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো দিয়ে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব।অন্যদিকে, অনেকেই নিজেদের অর্থায়নে এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের চলাচলের দুর্ভোগ থেকে সাময়িক স্বস্তি দিতে স্থানীয়দের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।ঘটনার বিষয়ে উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন, সাঁকোটি উদ্বোধনের বিষয়ে আগে থেকে কোনো প্রস্তুতির কথা তিনি জানতেন না। চলাচলের সমস্যায় এলাকার নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে থাকায় স্থানীয়রাই বাঁশ ও সুপারিগাছ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করেন।তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হয়ে তাকে ডেকে নিয়ে যান। উপস্থিত প্রায় দেড় থেকে দুইশ মানুষ লাল ফিতা কেটে সাঁকোটি উদ্বোধনের অনুরোধ করলে তিনি তা করেন। এর মধ্যেই স্থানীয়দের উদ্যোগে গান-বাজনা ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। পুরো আয়োজনটি এলাকাবাসীর উৎসাহেই হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

 লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream