সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
নেপালে ধ্বংসস্তূপের নিচে ৯ দিন, জীবিত উদ্ধার ২ জন

নেপালে ধ্বংসস্তূপের নিচে ৯ দিন, জীবিত উদ্ধার ২ জন

উদ্ধারকারীরা শুক্রবার দুইজন জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে নেপালের ত্রিশূলী নদীর একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সুড়ঙ্গ থেকে । এর নয় দিন আগে বরফ, পাথর ও কাদার একটি বিশাল প্রাচীর নদীটির উপত্যকা দিয়ে ধেয়ে গেলে ১ হাজার তিনশ’র বেশি মানুষ মারা যায় ও ৫ হাজার ৬০০-এরও বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়। কর্মকর্তা এবং উদ্বারকারীরা বলছে, ২৬ আগস্টে নদীটির উজান অঞ্চলে হিমবাহের ধ্বসে পড়ার ঘটনায় সুড়ঙ্গটির সাথে যুক্ত ৬টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অন্তত ৯০০ জন আটকা পড়েছে বলে তাদের ধারনা। ত্রিশূলী নদীর উজানে অবস্থিত আপার ত্রিশূলী থ্রিএ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার হওয়া দুই কর্মীই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো থেকে উদ্ধার হওয়া প্রথম দুইব্যক্তি, যাদের রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এতে অন্যান্য জীবিত ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসার মধ্যেও অনুসন্ধানকারী দলগুলো সামান্য আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ওই স্থান থেকে আরও একটি লাশ উদ্ধার করেছে।

ক্ষুধা-ক্লান্তি পেরিয়ে ছেলের খোঁজে ৫০ পেরোনো বাবা

পঞ্চাশোর্ধ্ব তালকা সদা নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিখোঁজ একমাত্র ছেলেকে খুঁজতে ২০০০ নেপালি রুপি (১৬০০ টাকার সমপরিমাণ) ধার করে দিনের পর দিন দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিচ্ছেন। ক্ষুধা, ক্লান্তি, পায়ের ব্যথা আর হতাশা তাঁকে ঘিরে ধরলেও ছেলেকে খুঁজে পাওয়ার আশায় এখনো হাল ছাড়েননি তিনি। তালকা সদা নেপালের তেরাই অঞ্চলের সপ্তরি জেলার বাসিন্দা। ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় গত ২৬ আগস্ট উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ধসে পড়ে ঘরবাড়ি, সেতু, স্কুল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র। সদার একমাত্র ছেলে ১৯ বছর বয়সী বিনোদ ওই বন্যার পর থেকেই নিখোঁজ। আল-জাজিরা বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জানায়, শেষবার বন্যার এক দিন আগে ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছিল সদার। এর প্রায় এক মাস আগে কাজের সন্ধানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া জেলায় গিয়েছিলেন বিনোদ। সেখানে একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন তিনি। সিমেন্ট মেশানোসহ বিভিন্ন ধরনের শ্রমিকের কাজ করতেন বিনোদ। সেখানে তাঁর সঙ্গে কাজ করা আরও চার তরুণ বন্যার পর থেকে নিখোঁজ। চোখ মুছতে মুছতে সদা বলেন, ‘আমার স্ত্রী কীভাবে কাঁদছে, তা বলে বোঝাতে পারব না। আমিও গভীর কষ্টে আছি। কী করব, কিছুই বুঝতে পারছি না।’ ছেলেকে খুঁজতে ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বের হয়েছেন সদা। বিবর্ণ সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট আর বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে শরীরে জড়ানো কমলা রঙের পলিথিন—এই নিয়েই চলছে তাঁর দীর্ঘ যাত্রা। কাঁধে একটি ধূসর ব্যাগ। পকেটে থাকা নোংরা রুমালে গুঁজে রাখা ২ হাজার নেপালি রুপিরও কম অর্থই এখন তাঁদের সম্বল। এই সামান্য অর্থও ধার করা। প্রতি ১০০ রুপি ধার নেওয়ার বিপরীতে ২০ রুপি সুদ দিতে হবে সদাকে। সেই অর্থের কিছুটা খরচ হয়েছে সপ্তরি থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার বাসভাড়ায়। প্রায় ২৯২ কিলোমিটারের পথ পাড়ি দিতে পাহাড়ি ভূখণ্ডের কারণে সময় লাগে প্রায় ৯ ঘণ্টা। কাঠমান্ডু পৌঁছে তাঁরা একের পর এক হাসপাতালে ছেলেকে খুঁজেছেন। বন্যাকবলিত উত্তরাঞ্চল থেকে উদ্ধার করা আহত ও মৃতদের অনেককেই রাজধানীতে নেওয়া হয়েছিল। মর্গের বাইরে থাকা মৃতদের ছবিগুলোও দেখেছেন তাঁরা। কিন্তু বিনোদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এরপর কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের নুয়াকোটের দিকে হাঁটা শুরু করেন দুই ভাই। ছেলের কর্মস্থলের কাছাকাছি পৌঁছানোর আশায় ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেঁটে তারা ত্রিশুলি শহরে পৌঁছান। বন্যার ধ্বংসাবশেষ, কাদা ও পলিতে শহরের বাজারও প্রায় ঢেকে গেছে। সদা জানান, আগের রাতে একটি লজে থাকার জন্য ১ হাজার ৫০০ নেপালি রুপি দিতে হয়েছে। বিনিময়ে পেয়েছেন সামান্য ভাত, যা তাদের ক্ষুধাও মেটাতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘আর এক রাত থাকতে হলে আমার বাকি সব টাকা শেষ হয়ে যাবে। তখন বাড়ি ফেরার মতোও কিছু থাকবে না।’ সদার অভিযোগ, মরদেহ রাখা মর্গ কিংবা উদ্ধারকাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে যেতে চাইলেও তাঁদের বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, তেরাই অঞ্চলের মাধেশি এবং প্রান্তিক মুসাহার সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়ায় তাঁরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। সদা বলেন, ‘আমরা গরিব। তারা আমাদের মাধেশি ও বিহারি হিসেবে দেখে। আমরা নেপালি ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারি না। তাই আমাদের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পাঠিয়ে দিচ্ছে।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে আরও বলেন, ‘ছেলের যদি মৃতও হয়, তবু তাকে দেখার অধিকার আমাদের আছে।’ নেপালি কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগের ব্যাপকতার মধ্যেও উদ্ধার ও সহায়তার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। এদিকে কিছুক্ষণ পরপরই নিখোঁজ ছেলের ফোন নম্বরে কল করছেন সদা। কিন্তু এটি বারবার বন্ধই শোনাচ্ছে। কখনো অলৌকিক আশার কথা ভাবছেন তিনি—তরুণ ছেলে হয়তো কোথাও হেঁটে বা দৌড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছে। আবার পরক্ষণেই ভেঙে পড়ছেন। তিনি বলেন, ‘সে যদি বেঁচে থাকত, কোথাও থেকে হলেও ফোন করত।’ তবু থামছেন না সদা। ছেলের কর্মস্থল জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের দিকে আবারও যাত্রা শুরু করেছেন তিনি ও তাঁর ভাই। শেষ পর্যন্ত সাহায্য না পেলে ক্ষোভে পুলিশ স্টেশন পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন।

ক্ষুধা-ক্লান্তি পেরিয়ে ছেলের খোঁজে ৫০ পেরোনো বাবা

নেপালে হিমবাহ ধসের পর আজকালের মধ্যেই ‘দ্বিতীয়-তৃতীয় ঢেউ’র আশঙ্কা

কাঠমান্ডু থেকে সরাসরি উত্তরে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ২৪ হাজার ফুট (২৩ হাজার ৭৭০ ফুট)  বা ৭ হাজার ২৪৫ মিটার উঁচু লাংটাং লিরুং পর্বতের রয়েছে এক ভয়াবহ ইতিহাস। গতকাল বুধবার এখানেই হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে। আর এতে এখন পর্যন্ত ২৭০ জনের প্রাণ হারানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন আজকালের মধ্যেই এমন ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার বা পানি ও কাদার স্রোতে ‘দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউ’ আসার আশঙ্কা আছে। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে নেপালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে লাংটাং লিরুংয়ের দক্ষিণ ঢালে একটি বিশাল তুষারধস বা অ্যাভালাঞ্চ সৃষ্টি হয়। সেই তুষারধস নিচের হিমবাহে গিয়ে পড়ে এবং লাংটাং গ্রামকে বরফ ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা দেয়। ওই ঘটনায় অন্তত ৩০০ মানুষ নিহত হন। এবার বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে চীনের সীমান্তের কাছে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। ঠিক একই সময়ে লাংটাং লিরুংয়ের উত্তর ঢালে ঘটে যায় বিশাল একটি তুষারধস। লাংটাং লিরুং পর্বতটি পুরোপুরি নেপালের ভূখণ্ডে অবস্থিত। তুষারধসের কারণে নেমে আসা বিপুল ধ্বংসস্তূপ চীনের সঙ্গে নেপালের সীমান্ত চিহ্নিতকারী এবং বর্ষার পানিতে ফুলে ওঠা লেন্দে খোলার গতিপথ আটকে দেয়। এর ফলে সেখানে একটি হ্রদের মতো জলাধার তৈরি হয়। কিছুক্ষণ পর সেই জমে থাকা পানি হঠাৎ বেরিয়ে গিয়ে কাদা ও বিশাল পাথরের দেয়ালের মতো স্রোত তৈরি করে। সেই স্রোত ত্রিশূলী নদী দিয়ে নেপালের ভেতরে দ্রুত নেমে যায়। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করা বিশেষজ্ঞদের অন্তত প্রাথমিক ধারণা এমনই। প্ল্যানেট ল্যাবসের তোলা স্যাটেলাইট ছবি দেখে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তবে এই বিপর্যয়ের মূল কারণ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো মতভেদ রয়েছে। ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি উত্তর ঢালের ধস ঘটিয়েছে কি না, নাকি ধসটি এতটাই বিশাল ছিল যে সেটিই ভূকম্পনের মতো একটি কম্পন সৃষ্টি করেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। যদি ভূমিকম্পই তুষারধসের কারণ হয়ে থাকে, তাহলে এটি এমন একটি পর্বতকে নড়িয়ে দিয়েছে যার বরফ ও তুষার আগে থেকেই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছিল। এর সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক করে তুলেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ষা মৌসুমের শেষ দিকে। ফলে পাহাড়ের ঢালে প্রচুর তুষার ও পানি ছিল। একই সঙ্গে হিমবাহ পিছিয়ে যাওয়ার ফলে পড়ে থাকা পাথর, মাটি ও অন্যান্য উপাদানে তৈরি মোরেইনগুলো আগে পারমাফ্রস্ট বা স্থায়ীভাবে জমে থাকা মাটির বরফের কারণে শক্তভাবে বাঁধা থাকত। কিন্তু এখন সেগুলো গলে যাওয়া বরফ ও পানিতে অনেক বেশি ভেজা ও দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই নির্দিষ্ট বিপর্যয় নেপালের ভেতরের একটি হিমবাহ থেকেই শুরু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু এর প্রভাব আরও বড় একটি দীর্ঘমেয়াদি বিপদের দিকে ইঙ্গিত করছে। তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপত্তি হওয়া হিমবাহের হ্রদ ভেঙে আকস্মিক বন্যা, পারমাফ্রস্ট গলে যাওয়া এবং মোরেইন ধসে পড়ার মতো ঘটনা ভবিষ্যতে সীমান্ত পেরিয়ে বড় ধরনের দুর্যোগ সৃষ্টি করতে পারে। ভূমিকম্পকে কারণ হিসেবে না ধরলেও হিমালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের কয়েকটি ভয়াবহ ‘হিমালয়ান সুনামি’ দেখা গেছে। এসব ঘটনায় হিমবাহ, বরফ, পানি, ভূমিধস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব একসঙ্গে কাজ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২১ সালের চামোলি, ২০২১ সালের মেলামচি, ২০২৩ সালের সিকিম, ২০২৪ সালের থামে, ২০২৫ সালের ভোতে কোসি এবং এখন ২০২৬ সালের এই ঘটনা। এসব ঘটনার প্রায় সবকটিই বর্ষা মৌসুমে ঘটেছে। গত বছর ৮ জুলাইয়ের বন্যাতেও ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। নিচের মানচিত্রে ওই বন্যার অবস্থান দেখানো হয়েছে। ওই ঘটনায় ১৮ জন নিহত হন। নেপাল-চীন সীমান্তে বাণিজ্য ও পর্যটনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত চেকপয়েন্টটি পানির তোড়ে ভেসে যায়। নেপালের বেশ কয়েকটি মহাসড়ক, জলবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনও ধ্বংস হয়ে যায়। এসব অবকাঠামোর মেরামতের কাজ তখন মাত্র শুরু হয়েছিল। এদিকে, নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক বসন্ত রাজ অধিকারী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছেন, আজ বৃহহস্পতিবার অথবা আগামীকাল শুক্রবার ওই এলাকায় ‘দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউ’ আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। চীনে থাকা সহকর্মীদের সঙ্গে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ করছেন এবং তারাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। অধিকারীর ভাষায়, সেখানে এখন খুব বেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। তবে নতুন করে ভূমিধস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, তারা হিমালয়ের বিভিন্ন ধরনের পাহাড়ি দুর্যোগের ঝুঁকি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁর মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এখানে বাস্তবেই ঘটছে এবং তার প্রভাব সরাসরি দেখা যাচ্ছে। তবে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করেও ঠিক কোন দিনে এমন একটি বিপর্যয় ঘটবে, তা আগে থেকে জানা সম্ভব হয়নি। অধিকারীর কথায়, ‘আমরা পর্যবেক্ষণ করছি, কিন্তু আমরা জানতাম না যে নির্দিষ্ট কোনো একটি দিনেই এমন ঘটনা ঘটবে।’ তথ্যসূত্র: নেপালি টাইমস ও বিবিসি

নেপালে হিমবাহ ধসের পর আজকালের মধ্যেই ‘দ্বিতীয়-তৃতীয় ঢেউ’র আশঙ্কা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream