শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
পবিত্র জুমার দিনে বিশেষ ১০টি আমল

পবিত্র জুমার দিনে বিশেষ ১০টি আমল

ইসলাম ধর্মে জুমার দিনকে 'সাপ্তাহিক ঈদের দিন' হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি পাপমুক্তি, আত্মিক পরিশুদ্ধি এবং মহান আল্লাহর অশেষ রহমত হাসিলের এক বরকতময় দিন। কুরআন ও হাদিসের আলোকে জুমার দিনের বিশেষ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ করণীয় নিচে তুলে ধরা হলো:১. শারীরিক পরিচ্ছন্নতা ও নখ কাটাজুমার প্রস্তুতির প্রথম ধাপই হলো পরিচ্ছন্নতা। গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা ও চুল আঁচড়ে পরিপাটি হওয়া সুন্নতি আমল।২. ভালোভাবে গোসল করাজুমার দিন গোসল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার নামাজে যাওয়ার পূর্বে গোসল করার জোর তাগিদ দিয়েছেন।৩. পরিষ্কার পোশাক, মিসওয়াক ও সুগন্ধি ব্যবহারজুমার দিনে সাধ্যমতো পরিচ্ছন্ন ও উত্তম পোশাক পরিধান করা, মিসওয়াক করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নত।৪. সুরা কাহফ পাঠ করাজুমার দিনে সুরা কাহফ তিলওয়াতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। এ সুরা তিলওয়াতকারীর জন্য এক জুমা থেকে অপর জুমা পর্যন্ত আলোর দ্যুতি ছড়িয়ে দেওয়া হয়।৫. বেশি বেশি দরুদ পাঠ করাজুমার দিনটি দিনগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। এ দিনে নবীজি (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।৬. মসজিদে আগেভাগে যাওয়াসকাল সকাল হেঁটে বা আগেভাগে মসজিদে পৌঁছানোর মাধ্যমে উট, গাভী কিংবা দুম্বা কোরবানির মতো বিশাল সওয়াব অর্জিত হয়।৭. হেঁটে মসজিদে যাওয়াপায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া উত্তম। ঘরে অজু করে হেঁটে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপে সওয়াব লেখা হয় এবং গুনাহ মাফ হয়।৮. মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনাখুতবা চলাকালে সম্পূর্ণ নীরব থাকা আবশ্যক। এ সময় কোনো কথা বলা, এমনকি অন্যকে 'চুপ করো' বলাও অনর্থক কাজ হিসেবে গণ্য হয়, যা জুমার সওয়াব কমিয়ে দেয়।৯. গুরুত্বসহ জুমার নামাজ আদায়জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা আবশ্যক। আজান হলে সব ধরনের কেনাবেচা বা দুনিয়াবি কাজ বন্ধ করে মসজিদের দিকে ধাবিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা (সুরা জুমুআ: ৯)।১০. দোয়া কবুলের সময় সন্ধান করাজুমার দিনে একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, যখন বান্দার যেকোনা ইবাদত ও দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। অধিকাংশ হাদিস অনুযায়ী, এই সময়টি হলো আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

Radio Logo
Bangla FM Live
২৪/৭ লাইভ অডিও সম্প্রচার