রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
দুর্নীতি করেও টিকতে পারেনি, ফেরত দিতে হলো সরকারি ১২ লাখ টাকা

দুর্নীতি করেও টিকতে পারেনি, ফেরত দিতে হলো সরকারি ১২ লাখ টাকা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের আত্মসাৎ করা ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত প্রধান সহকারী কাম-হিসাবরক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) নকিব হোসেন শান্ত এ টাকা জমা করেন। সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরের হিসাব তত্ত্বাবধায়কের অডিটে তাদের আত্মসাতের ঘটনাটি বেরিয়ে আসে। দুই জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দফতরগুলোতে আদান-প্রদান করা চিঠির কপি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের চান্দিনা ভিটির একসনা লিজমানি বাবদ এক লাখ ৯ হাজার ১৩০ ও ভি পি লিজমানির নথি বাবদ ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা আদায় করে কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজেরা আত্মসাৎ করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসককে টাকা উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। লক্ষ্মীপুরের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টবর হাবিবুর রহমান গত ৪ অক্টোবর এক পত্রে রায়পুরের সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ওই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করতে ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেন। রায়পুরের সদ্য বিদায়ী সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা গত ৯ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত প্রধান সহকারী কাম-হিসাবরক্ষক জাহাঙ্গীর আলম (বর্তমানে রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত) ও সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) নকিব হোসেন শান্তকে টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই চিঠিতে সরকারি টাকা যথাসময়ে কোষাগারে জমা না করার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা-২০১৮ এর ৩ ধারা এর উপধারা (ঘ) (ই) মতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সেজন্য জবাব দিতে বলেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্মীপুরের হিসাব তত্ত্বাবধায়ক মনজুরুল আলম গত ৯ সেপ্টেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো পত্রে উল্লেখ করেন, দুটি ডিসিআর বইয়ের মাধ্যমে জাহাঙ্গীর আলম ওই টাকা আদায় করেন। এ টাকা আত্মসাতের সঙ্গে সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) নকিব হোসেন শান্তর যোগসাজশ রয়েছে। নকিব হোসেন অর্থ আদায়ের ও জমার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে মিথ্যা বিবরণী দাখিল করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে আত্মসাতে সহযোগিতা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার গিয়েও জাহাঙ্গীর আলমকে তার কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। বার বার মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) নকিব হোসেন শান্ত বলেন, জাহাঙ্গীর আলমকে বিশ্বাস করে আমি প্রতি মাসের টাকা প্রতি মাসে জমা হয়েছে মর্মে উপজেলা ও জেলা কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেই। আমি কোনও টাকা আত্মসাৎ করিনি। আমি আমার নোটিশের জবাব দিয়েছি। কর্তৃপক্ষ পরবর্তী বিষয়টি দেখবেন। রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, টাকা ইতিমধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জানার জন্য লক্ষ্মীপুর প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসানকে ফোন ও মেসেজ দেওয়া হলেও তারা কোনও উত্তর দেননি।

পিজি হাসপাতালের পরীক্ষায় আয়ের ওপর কমিশন, অডিটে ধরা

বিশেষজ্ঞরা লাভের ওপর কমিশন না নিয়ে আয়ের ওপর কমিশন নিয়েছেন বলে সরকারি অডিটে ধরা পড়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (সাবেক পিজি হাসপাতাল) পরীক্ষা-নিরীক্ষায়। সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এ ব্যাপারে বাড়তি টাকা আদায় করার নির্দেশনা দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এসব কথা জানান কমিটির সভাপতি ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে সংবাদ ব্রিফিং করেন তিনি। প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের আটটি অডিট আপত্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাহের। তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু আপত্তিকে আমরা সেটেল ডাউন করেছি, আর কিছু কিছু আপত্তিকে আরও খতিয়ে দেখার জন্য কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে কমিটি করেছি। তাঁরা সরেজমিনে তদন্ত করবেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দেবেন। তার ভিত্তিতে পরবর্তী করণীয় ঠিক করব। তদন্ত কমিটিতে কমিটির সদস্য ফজলে হুদা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও আছেন।’ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়ে সরকারের নিয়ম হচ্ছে লাভের ওপর ৩০ শতাংশ কমিশন বিশেষজ্ঞরা পাবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম লাভের ওপর না নিয়ে তাঁরা আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ কমিশন নিচ্ছেন।’ উদাহরণ হিসেবে সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি বলেন, ‘১০০ টাকা আয়ে ব্যয় হয়েছে ৯০ টাকা। তাহলে তাঁরা কমিশন পাবেন ১০ টাকার ওপর। কিন্তু তাঁরা ১০ টাকার ওপর না নিয়ে ১০০ টাকার ওপর কমিশন নিয়ে গেছেন। বেশ কয়েক কোটি টাকা এ রকম আছে। আমরা খুব স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছি যে, এই টাকা যেকোনোভাবে আদায় করতে হবে। কারণ এটা স্পষ্ট অনিয়ম। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদায় করবে এবং কত আদায় হচ্ছে প্রতি মাসে কমিটিকে তারা প্রতিবেদন দেবে। একই সঙ্গে বর্তমানে নিয়ম অনুসারে কমিশন নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটার প্রতিবেদন প্রতি মাসে আমাদের কাছে পাঠাবে।’ তাহের বলেন, ‘এ কমিটির প্রধান কাজ হচ্ছে সরকারের বর্তমান এবং অতীতের যত ব্যয় হয়েছে এবং যেগুলোর ওপর অডিট আপত্তি আছে, সেগুলো এ কমিটিতে আলোচনা হবে। ব্যত্যয়গুলোকে আমরা চিহ্নিত করব এবং যদি কোনো দুর্নীতি থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সুপারিশ করতে পারি।’ সরকারি হিসাব সম্পর্কিত কমিটিকে কোয়াসি-জুডিশিয়াল (আধা-বিচার বিভাগীয়) কমিটিও বলা হয় উল্লেখ করে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে (কমিটি) অন দ্য স্পট একটা ডিসিশন (সিদ্ধান্ত) দেওয়ার এখতিয়ার রাখে। আমাদের দেশে ঠিক সেরকম হয়নি। তবে এখন থেকে যে সুপারিশগুলো যাবে যেকোনো মন্ত্রণালয়ের কাছে, সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক। আমরা আশা করি, সেটা পাব। আমরা আশা করি, বাংলাদেশে যে দুর্নীতি চলছে, এই কমিটির মাধ্যমে কিছুটা হলেও দুর্নীতি রোধ করার জন্য চেষ্টা করব।’ অডিটে পুরোনো অনেক অডিট কেস সাবমিট করা হচ্ছে উল্লেখ করে তাহের বলেন, ‘আমরা অনেক অতীতে যেতে চাই না। আমরা ২০২৪-২৫ সালকেই অধিকতর টার্গেট করব। বর্তমান সরকারের সময়ের কিছু বিষয় অডিটে আনব আরও একটু সময় পরে, যেটাকে অডিট করার জন্য আমরা নির্দেশ দিচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অডিট করার জন্য চাচ্ছি। সেই হিসেবে সিএজিকে নির্দেশনা দিয়েছি যে, বড় বড় দুর্নীতি, অনিয়ম যেসব জায়গায় আছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকা দেওয়ার জন্য। সেই তালিকা পেলে আমরা ওই বিষয়গুলো এজেন্ডা বানিয়ে তদন্ত করব।’ প্রথম বৈঠকে বিগত স্বৈরাচার আমলের অডিট নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাহের। তিনি বলেন, ‘এরপর তো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিল, এখন বর্তমান সরকার। এগুলো অডিট হবে, তারপর আমাদের কাছে আসবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তাহের বলেন, ‘এই সরকারেরও এক বছর পর থেকে যে সমস্ত অডিট দেবে, সেগুলো আমরা করব। সুতরাং ইন্টেরিম গভর্নমেন্টও আসবে, অতীতের যারা সরকার পরিচালনা করছে এখনো সেটেল হয়নি অডিট আপত্তি—সবগুলোর ব্যাপারে আমরা অ্যাড্রেস করব। আমরা এ বিষয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস।’ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মাহাবুবুর রহমান, হাফিজ ইব্রাহীম, এসকে আজিজুল বারী, মনজুরুল ইসলাম, ফজলে হুদা, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, রুহুল আমিন।

পিজি হাসপাতালের পরীক্ষায় আয়ের ওপর কমিশন, অডিটে ধরা

আসিফ মাহমুদের আমলের নিয়োগ-পদোন্নতি খতিয়ে দেখছে দুদক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির যাবতীয় তথ্য ও নথি চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই সাথে ৩৮ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথিও চাওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা মো. জাহিদ কালামের সই করা এ-সংক্রান্ত চিঠি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চাওয়া তথ্য ও রেকর্ডপত্র দুদকে পাঠাতে বলা হয়েছে। দুদকের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঁচ ধরনের তথ্য ও নথি চেয়েছে দুদক। এর মধ্যে রয়েছে আসিফ মাহমুদ দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র। এ ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে ও ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিলের স্মারকের ভিত্তিতে বদলিসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চাওয়া হয়েছে। দুদকের চিঠিতে তিনটি স্মারকের ভিত্তিতে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চেয়েছে অনুসন্ধান দল। দুদকের চাওয়া নথির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও সহায়ক রেকর্ডপত্রও পাঠাতে বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়কে। এর আগে, গতকাল বুধবার আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায় দুদক। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদোন্নতি-বদলির ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণ এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দরপত্র ও কেনাকাটায় অনিয়ম। দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নের জন্য ৭৬ লাখ টাকা, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দমতো পদায়নের জন্য আরও প্রায় ২ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের বিশেষ দল কাজ করছে। তবে আসিফ মাহমুদ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

আসিফ মাহমুদের আমলের নিয়োগ-পদোন্নতি খতিয়ে দেখছে দুদক
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream