মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
পরিবারের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিষ্কার রাখতে হবে: এমপি খোকন

পরিবারের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিষ্কার রাখতে হবে: এমপি খোকন

মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেছেন,​ আমাদের নিজ পরিবারের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান মনে করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এগুলোকে যেন আমরা সবসময় বাসযোগ্য ও ব্যবহারোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারি, সে বিষয়ে সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইল।​ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে কালকিনি পৌরসভার আয়োজনে ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ​এমপি খোকন তালুকদার আরও বলেন, আপনারা যেখানেই সেবা নিতে যাবেন,সেই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের বাড়ি ও ঘর বলে মনে করবেন,এটিই আপনাদের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ। যেভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে এবং তাদের পাশে থাকতে চান,তাতে তাঁর সদিচ্ছার কোনো কমতি নেই। তাঁর কর্মী হিসেবে আমরাও আপনাদের পাশে থাকতে বদ্ধপরিকর। তবে এর জন্য আপনাদের সচেতন হতে হবে এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। ​এ সময় কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন সরদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম হাওলাদার,সদস্য সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, যুবদল নেতা শামীম মোল্লা ও মামুন সিকদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিডি-প্রতিদিন/এমএল

ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী। দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নেন। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ), অস্ত্রোপচারকক্ষসহ (অপারেশন থিয়েটার) বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন তিনি। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় দেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী যান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে। সেখানে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বছরের এ সময়ে, বিশেষ করে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রতিবছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হন, অনেকের মৃত্যুও হয়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করতে হলে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। এই কাজে আমি তোমাদের সাহায্য চাই।’ তিনি আরও বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ যদি নিজেদের আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নেয়, তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ পরিবেশ রক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা একটি বিশাল শহর। এখানে দুই থেকে আড়াই কোটির বেশি মানুষের বসবাস। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত কাজ করলেও তাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই শুধু সিটি করপোরেশন বা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘তোমরা স্কাউট, গার্ল গাইড কিংবা রেড ক্রিসেন্টের সদস্য হও বা না হও, তোমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই নিজের বাসা, স্কুল, পাড়া ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব তোমাদেরও নিতে হবে।’ যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতা বন্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ নির্ধারিত স্থানের বাইরে ময়লা ফেললে তাকে সচেতন করতে হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী জানান, নগরীর বিভিন্ন স্থানে ময়লা ফেলার জন্য ডাস্টবিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক জায়গা থেকে এসব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে লাগানো গাছের চারাও চুরি হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নাগরিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জন্মদিনে একটি করে গাছ রোপনের পরামর্শ পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের জন্মদিনে অন্তত একটি করে গাছ রোপনের পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তোমার জন্মদিনে, ভাইবোনের জন্মদিনে কিংবা নানা-নানির জন্মদিনে একটি করে গাছ রোপনের চেষ্টা করবে। সেটা তোমার বাসায় হতে পারে, স্কুলে হতে পারে কিংবা গ্রামের বাড়িতে হতে পারে। গাছগুলো যখন বড় হবে, তোমরাও তখন বড় হবে।’ রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও সবুজের ঘাটতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, একসময় ঢাকায় অনেক বেশি গাছপালা ও খোলা জায়গা ছিল। এখন সেখানে বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। গাছপালা কমে যাওয়ায় শহরে গরমের অনুভূতিও বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গাছ যত বাড়বে, আমরা তত বুক ভরে শ্বাস নিতে পারব। গাছের পাতার ঝিরঝির শব্দ আমার খুব ভালো লাগে। আমরা সবাই মিলে গাছ লাগালে শহরের তাপমাত্রাও কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব।’ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন—এই তিনটি ক্ষেত্রে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চান, নিজেদের স্কুল, বাসা, পাড়া ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে তাঁদের সহযোগিতা পাওয়া যাবে কি না। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পান তিনি।          

ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

শুধু সরকার নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে: প্রধানমন্ত্রী

শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশের সব নাগরিককে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মকে বিশেষ করে নিজেদের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  শনিবার সকালে রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। ডেঙ্গু পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবার মান এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে এদিন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবনে আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী। দিনের শুরুতে তিনি রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এছাড়া হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ), অস্ত্রোপচারকক্ষসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালের পরিবেশ এবং পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় বেঁধে দেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ, প্রতিরোধের উপায় এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বছরের এ সময়ে, বিশেষ করে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রতি বছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হন এবং অনেকের মৃত্যু হয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্রতিরোধ। আর প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হলে নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করতে হলে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। এই কাজে আমি তোমাদের সাহায্য চাই। তিনি বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ যদি নিজেদের আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব গ্রহণ করে, তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ জন্য শিক্ষার্থীদের নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা একটি বিশাল শহর। এখানে দুই থেকে আড়াই কোটির বেশি মানুষের বসবাস। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত কাজ করলেও তাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে শুধু সিটি করপোরেশন কিংবা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিককে নিজের দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতা বন্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ নির্ধারিত স্থানের বাইরে ময়লা ফেললে তাকে সচেতন করতে হবে। নাগরিকেরা সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।

শুধু সরকার নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজ নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  আজ বুধবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন। তারেক রহমান বলেন, ‘আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আমি আপনাদের সামনে একটু আলাপ করতে চাই, একই সাথে আপনাদের সহযোগিতা দরকার এই সমস্যাটির কিছুটা হলেও সমাধান করার জন্য। আমরা একসাথে হয়েই ১৯৭১ সালে এই দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। আমরা সকলে একসাথে ১৯৯০-এর সেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকেও সফল করেছিলাম। আবার সকলস্তরের মানুষ একত্রিত হয়ে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকেও সফল করেছিলাম। আমরা যদি এতগুলো কাজ পারি, তাহলে কেন আমরা দেশের অন্য যে সকল সমস্যা আছে, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে আমরা কন্ট্রিবিউট করি, একটু একটু করে যদি আমরা অংশগ্রহণ করি, কেন পারব না?’ তিনি বলেন, ‘আজকের যে বিষয়টি নিয়ে আমি আপনাদের সামনে আলাপ করতে চাই সেটি হচ্ছে ডেঙ্গু। আমরা পত্রিকার পাতা খুললেই প্রায় দেখি যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ মারা গিয়েছেন, বিভিন্ন মানুষ অসুস্থ হয়ে গিয়েছেন। যার আপনজনটি হারিয়ে গিয়েছে সেই কষ্টটা বুঝে। কিন্তু আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে এগিয়ে আসি, তাহলে অনেক মানুষকে আমরা সাহায্য করতে পারব, এই আপনজন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করতে।’ বিডি প্রতিদিন/জেডএ   

ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই, ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সারাদেশে একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৯৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৯৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১৮ জন, ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ৪৬৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৮৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৯১ জন, খুলনা বিভাগে ২৩০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৮৪ জন, রংপুর বিভাগে ৭১ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৩ জন রয়েছেন।চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ তিন হাজার ৩৯৬ জন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ৯৭ হাজার ২৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন দুই হাজার ৯৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সারাদেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩১৬ জনের।

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই, ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৭, আক্রান্ত লাখের বেশি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর এ নিয়ে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৭ জনে। নতুন করে একই সময়ে ২ হাজার ১৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে এ বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৩০৭ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ। মাসভিত্তিক হিসাবে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে কেউ মারা যাননি। মে মাসে একজন এবং জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। এরপর জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। ওই মাসে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। আর চলতি অক্টোবরের ১২ দিনেই মারা গেছেন ৬২ জন। এর মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু হয় ৬ অক্টোবর। রোগী ভর্তির হিসাবেও সেপ্টেম্বর ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ মাসগুলোর একটি। ওই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি অক্টোবরের প্রথম ১২ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১ হাজার ৮২২ জন। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল—জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে ২ হাজার ৯০৭, জুলাইয়ে ৯ হাজার ২০৬ এবং আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯৫ হাজার ৩৩১ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৭, আক্রান্ত লাখের বেশি

ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৬১

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৬১ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৯ জনে। এর মধ্যে শুধু আগস্ট মাসেই মারা গেছেন ৪৩ জন। সেপ্টেম্বরে গত ১২ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের। এ ছাড়া জুলাইয়ে ৩৬, জুনে ১৩, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বুলেটিনে জানানো হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৫৬১ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৮৩৭ জনে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৩৯৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৬২৭ জন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৭৫, বরিশালে ২০২, চট্টগ্রামে ১৮১, রাজশাহীতে ১০৪, ময়মনসিংহে ৯৩, রংপুরে ৭৩ এবং সিলেটে ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৬১
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream