সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
প্রেস কনফারেন্সের ঘর এখন ইতিহাসের পাঠশালা: ফারুকী

প্রেস কনফারেন্সের ঘর এখন ইতিহাসের পাঠশালা: ফারুকী

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও  নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, একসময় যে ঘরে হতো নানা ‘প্রেস কনফারেন্স’, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সেই ঘরই এখন পরিণত হয়েছে ইতিহাসের পাঠ নেওয়ার জায়গায়। বর্তমানে সেখানে চলছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও ভিড় করছেন জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে। জাদুঘরের দুই সময়ের দুটি ছবি একই কক্ষের স্যোশাল মিডিয়ায় সোমবার (২৪ আগস্ট)  শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিগুলোর মাধ্যমে কক্ষটির অতীত ও বর্তমানের পরিবর্তন তুলে ধরেছেন তিনি। ফারুকী লেখেন, ‘এক সময় এই ঘরে প্রেস কনফারেন্স নামে সেই অদ্ভুত জিনিসগুলো হইতো। তারপর আসলো ৩৬ জুলাই। আমরা ঘরটা এই রকম পাইলাম। জনতার ক্ষোভের দাগ সর্বত্র।’ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কক্ষটিরও পরিবর্তন হয়েছে। ফারুকীর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এর নাম ‘মুনসুন থিয়েটার’। সেখানে প্রতিদিন চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে গত ১৬ বছরের ইতিহাস। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আর এখন এটার নাম মুনসুন থিয়েটার। এখানে প্রতিদিন চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে ১৬ বছরের ইতিহাস দেখেন দর্শনার্থীরা। অনেকগুলা শো হয়।’ শুধু বড়দের নয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও নজর কেড়েছে ফারুকীর। সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত একটি প্রদর্শনীর ছবি পোস্ট করে তিনি জানান, নির্ধারিত শনিবারের বাইরেও স্কুলশিক্ষার্থীরা জাদুঘর দেখতে আসছে। ফারুকী লিখেছেন, ‘ছবিতে অনেক স্কুল ছাত্রদের দেখা যাচ্ছে। তার মানে স্কুল ছাত্রদের জন্য নির্ধারিত শনিবারের বাইরেও তারা যাচ্ছে। ভেরি ইন্সপায়ারিং।’ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তার তত্ত্বাবধানেই শুরু হয়েছিল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের কাজ।

রায় ঘোষণার অপেক্ষায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল যেকোনো দিন।সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন সম্পন্ন করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এদিন প্রথমে আইন নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে মানুষ মারার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়। এ মামলায় দাখিল করা বিভিন্ন অডিও-ভিডিওতে এসবের প্রমাণ উঠে এসেছে। এছাড়া আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। প্রসিকিউশনের এসব কথার জবাব দেন ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী এম হাসান ইমাম।জনগণের জানমাল রক্ষায় শুট অ্যাট সাইটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে আমার তিনজন মক্কেল কোনো কমান্ডিং পজিশনে ছিলেন না। কমান্ড রেসপনসেবলিটিতে একজনকেই আমি দায়ী করি। অতএব আমার মক্কেলরা কাউকে মারেননি বা মারার নির্দেশও দেননি।এরপর ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ও যুবলীগ সভাপতি-সম্পাদকের পক্ষে যুক্তি খণ্ডন করেন ইশরাত জাহান। এই আইনজীবীর দাবি, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে তার চার মক্কেল তথা সাদ্দাম, ইনান, পরশ ও নিখিলের নাম আসেনি। নেতৃত্ব দিয়েছেন অন্যরা। এছাড়া অধীনস্ত নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।এ সময় কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শুরু থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা চলছিল। ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না। তিনি বলেন, বারবার নারীদের আহত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এ মামলায় কোনো নারী সাক্ষী আনা হয়নি। সাক্ষ্যপ্রমাণেও এমন কিছু দেখাতে পারেনি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা সন্দেহ রয়েছে। নিজের চার মক্কেলের খালাস চেয়ে ইশরাত বলেন, শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে আন্দোলন ঘিরে কিছু কথা উচ্চারণ করেছেন আমার মক্কেলরা। একইসঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। এছাড়া প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত কোনো ভিডিওতেই তাদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল না। এককথায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রমাণ দেখাতে পারেনি প্রসিকিউশন। এজন্য আমি চারজনেরই খালাস প্রার্থনা করছি।আসামিপক্ষের যুক্তি শেষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের ব্যাখ্যা দিয়ে এ মামলার আসামিদের অপরাধ তুলে ধরেন। আন্দোলন দমনে নেমে একজন লোক মারা গেলেও আসামিরা অপরাধী বলে গণ্য হবেন বলে আইনি যুক্তি দেখান তিনি। এর আগে, ১২ আগস্ট সাত আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করে প্রসিকিউশন। এ মামলায় সব আসামির অপরাধ গুরুতর বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই প্রমাণ করতে পেরেছে প্রসিকিউশন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করার জন্য তারা দায়ী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। কোনো অনুকম্পা না দেখিয়ে সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চান তারা।গত ৪ আগস্ট এ মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রথম দিন মামলার সামগ্রিক পটভূমি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর টানা পাঁচ কার্যদিবসে সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও যুক্তি উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত। 

রায় ঘোষণার অপেক্ষায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতা

হারুনের ওপর কেন বিরক্ত ছিলেন হাসিনা?

জুলাই ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের খাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সাবেক ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের ওপর বিরক্ত হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। অডিও কল রেকর্ডে এ তথ্যের প্রমাণ পাওয়া যায়।রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-কে এ তথ্য জানান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন। ওই রেকর্ডে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নিজের বদলি ঠেকানোর অনুরোধ করে হারুন বলেছিলেন, ‘স্যার, এটা (তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা) যদি অহন স্যার না করেন, তাহলে কিন্তু অর্ডার এহন করে দিবে স্যার। আমি নাই স্যার। ডিবিতে নাই স্যার। অর্ডার করে দিবে।’অবশ্য ওই ঘটনার পর ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই হারুনকে ডিবি থেকে বদলি করে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) দায়িত্ব দেওয়া হয়।জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় তৃতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার। এ সময় তিনি গণ-অভ্যুত্থানে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে অন্যদের ফোনে কথা বলার কথোপকথন তুলে ধরেন। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই ওবায়দুল কাদের ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মধ্যে ফোনে একটি কথোপকথন হয়। সেখানে কাদের বলেন, ‘হারুনকে কি সরায়ে দিচ্ছেন?’ জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘উনি (শেখ হাসিনা) তো খুব অ্যাডামেন্ট (অনমনীয়)। আমরা সরাই নাই। উনি বলছিলেন অন্য খানে দিতে। আমি ডিএমপিতেই রেখে দিছি। মানে ড্রেসটা পরিবর্তন করে দিচ্ছি।’

হারুনের ওপর কেন বিরক্ত ছিলেন হাসিনা?

হত্যা মামলার আসামি পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনতাই, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

মাগুরার মহম্মদপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রনেতা আহাদ-সুমন হত্যা মামলার এক আসামিকে পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান মিল্টনের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ধোয়াইল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ছিনিয়ে নেওয়া ওই আসামির নাম উজ্জ্বল আক্তার কাফুর। তিনি সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং একসময় জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজ্জ্বল আক্তার কাফুর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রনেতা আহাদ-সুমন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। বুধবার বিকেলে ধোয়াইল বাজারের একটি ঘরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মীকে নিয়ে তিনি গোপন বৈঠক করছিলেন বলে পুলিশের কাছে খবর আসে।খবর পেয়ে মহম্মদপুর থানার ওসি এম শামীম আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিকেল ৫টার দিকে সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় অন্যরা পালিয়ে গেলেও পুলিশ উজ্জ্বল আক্তার কাফুরকে আটক করে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আটকের পর কাফুরকে পুলিশের গাড়িতে তোলা হলে আরিফুজ্জামান মিল্টনের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। একপর্যায়ে পুলিশের কাজে বাধা ও হামলার ঘটনা ঘটে এবং আটক কাফুরকে পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, এ সময় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক রেজা লেনিন, ছাত্রদল নেতা আবু আম্মান ইউসুফ এবং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মশিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।ঘটনার বিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান মিল্টনের বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেছেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘটনাটি ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। এ দাবির স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।মহম্মদপুর থানার ওসি এম শামীম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, একই গোষ্ঠীর কয়েকজনের বিরুদ্ধে এর আগেও পুলিশের কাজে বাধা, সড়কে আগুন জ্বালিয়ে পুলিশের গাড়ি থেকে আকাশ নামে এক যুবককে ছিনিয়ে নেওয়া এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের ওপর হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

হত্যা মামলার আসামি পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনতাই, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream