মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বিশ্ব শান্তির অভাব

জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বিশ্ব শান্তির অভাব

বাংলাদেশ সহ ১৯৩ টি দেশ জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ, জীবন হানি ও ক্ষয়ক্ষতির কথা বিবেচনা করে ১৯৪৫ সালে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পৃথিবীতে আর কোন যুদ্ধ, জীবন হানি এবং সম্পদ নষ্ট হবে না এটাই ছিল জাতিসংঘের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। জাতিসংঘের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, কোন দেশ অন্যায় ভাবে অন্য কোন দেশের উপর আধিপত্য বিস্তার করবেনা। প্রভু নয় ,সব দেশ হবে একে অপরের বন্ধু।যে মহৎ উদ্দেশ্য ও ব্রত নিয়ে জাতিসংঘ তৈরি হয়েছিল তার সম্মান মর্যাদা জাতিসংঘ রাখতে পারেনি। ক্রমাগত যুদ্ধ, রক্তাক্ত জনপদ, ক্রন্দন, স্বজন হারা শোকার্ত মানুষের আর্তনাদ, বারুদের গন্ধ, পৃথিবীকে অশান্ত ও অভিশপ্ত করে তুলেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, ইরাক- ইরান, ভারত- পাকিস্তান, রাশিয়া- ইউক্রেন, লিবিয়া, ইরাক, ভেনেজুয়েলা, ও গ্রীনল্যান্ডে মার্কিন আগ্রাসন, ফিলিস্তিন- ইজরাইল ,আমেরিকা- ইরান সহ বিভিন্ন যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষের মহামূল্যবান প্রাণহানি ঘটেছে ,সম্পদ ও বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। জাতিসংঘ কী কোন যুদ্ধ ও রক্তপাত বন্ধ করতে পেরেছে?মিয়ানমারের জান্তা সরকার হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশে তারা শরণার্থী হিসেবে  আশ্রয় পেয়েছে । মানবিক কারণে বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস সরকারের আমন্ত্রণে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। মায়ানমার সরকারের মানবতা বিবর্জিত কাজ স্বচক্ষে অবলোকন করেও জাতিসংঘের মহাসচিব মহোদয় কোন সমাধান দিতে পারেন নি। স্বয়ং জাতিসংঘ মহাসচিব যখন অসহায় তখন পৃথিবীতে শান্তির বার্তা শোনাবে কে? জাতিসংঘে বিশ্ব নেতারা তাদের নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে বক্তব্য প্রদান করেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অনেক কথার মধ্যে ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী মানুষের স্বাধীনতার কথা বলেছেন। তিনি শান্তিময় পৃথিবী গড়ার জন্য জাতিসংঘকে গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। খাদ্যাভাবে এবং ইসরাইলের অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের আঘাতে ছোট ছোট শিশুরাও প্রাণ হারিয়েছে ।অথচ এই সুন্দর পৃথিবী  নয়ন ভরে উপভোগ করার, দেখার অধিকার তাদের ছিল। পাষাণ হৃদয়ের অধিকারী সাইকো ট্রাম্প এবং কসাই নেতানিয়াহু আক্রমণ করে বিশ্বকে দু ভাগে বিভক্ত করেছে। ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট এর বক্তব্যের সময় সাতটি মুসলিম দেশ বাদে অন্যান্য মুসলিম  দেশ সহ ৭৫টি দেশ ওয়াক আউট করেছে।  ফিলিস্তিনে জেনোসাইড এর নায়ক আমেরিকা ও ইসরাইলের যেখানে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার হওয়ার কথা, জাতিসংঘে যাদের ধিক্কার জানাবার কথা, তারাই জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছেন। তখন আমেরিকার রাস্তায় লক্ষ লক্ষ জনগণ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। এ লজ্জা কার? নিশ্চয়ই জাতিসংঘের।আমেরিকা ও ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্য কে অশান্ত করে তুলেছে। ১১৬৮১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কয়েকটি মুসলিম দেশের সহায়তায় ফিলিস্তিন ও ইরান আক্রমণ করেছে। ইরান হলো মুসলিম বিশ্বের এমন একটি দেশ যারা আমেরিকার রক্তচক্ষু ও পারমাণবিক অস্ত্রের ভয় না করে আল্লাহর সাহায্যের উপর বলীয়ান হয়ে সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। জাতিসংঘের মঞ্চে ইরানি প্রেসিডেন্ট আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে বীরের মত বুক টানটান করে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে কথা বলেছে। তারাই প্রকৃত বীরের জাতি। বিশ্ব সন্ত্রাসের নায়ক আমেরিকা বিভিন্ন দেশের মানুষের সুখ শান্তি হরণ করে এই সুন্দর পৃথিবীকে অশান্ত করে তুলেছে। আমেরিকা যদি জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রক হয় তাহলে   বিভিন্ন দেশের মধ্যে অশান্তি ,যুদ্ধ বন্ধ করা তো দূরের কথা বিশ্বে অশান্তির প্রভাব দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাবে।আজ যদি ও আই সি শক্তিশালী হত তাহলে মক্কা চুক্তির প্রয়োজন হতো না। ভারতে মুসলিম নিধন ও মসজিদ ভাঙার কাজ মোদি সরকার করতে সাহস পেতেন না। একসময় হিন্দুস্তানে মোগল সম্রাটেরা শাসন করেছেন। তখন তো কোন হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা-হাঙ্গামা হয়নি। জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে মুসলিম দেশগুলোর কেউ এর প্রতিবাদ করেননি। সম্প্রতি  সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের বিরুদ্ধে কিছুটা হলেও অবস্থান নিয়েছেন। আমেরিকা মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করে ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আস্তানা তৈরি  এবং তা পাকাপোক্ত করতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েফ এরদোয়ান জাতিসংঘের মঞ্চে যে বলিষ্ঠ ভাষায় কথা বলেছেন তা প্রশংসার দাবিদার। দুঃখজনক হলেও সত্য যে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান ছাড়াই জাতিসংঘের ৮১ তম অধিবেশন শেষ হয়েছে। অধিবেশনে একে অপরের প্রতি দোষারোপ ও হুমকি প্রদান করে সুন্দর এই পৃথিবীকে আরো অশান্তিময় করে তুলেছে।এই সংস্থাকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হলে বিভিন্ন দেশের বিদ্যমান সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করে সমস্যার সমাধান করতে পারলে জাতিসংঘ সকল দেশের কাছে গ্রহণযোগ্যতা  পাবে। পরাশক্তি নয় ছোট দেশের কথা বা পরামর্শ যদি যৌক্তিক হয় সেটাই জাতিসংঘে পাশ হবে। তাহলে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ,আনুগত্য বোধ দৃঢ় হবে ।ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে ।কোন পরাশক্তি প্রভাব খাটাতে পারবে না । ভেটো ক্ষমতা রোহিত করে সবার অংশগ্রহণ ও মতামতের ভিত্তিতে এই সংস্থা পরিচালিত হবে। তাহলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে বক্তৃতা প্রদান করবেন। জাতিসংঘের প্রতি বিভিন্ন দেশের সম্মান মর্যাদা আনুগত্যবোধ প্রকাশ পাবে। আর এর ব্যত্যয় হলে বিদ্যমান অশান্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে। চলমান পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অবস্থা অবলোকন করে বোঝা যায়, জাতিসংঘ বড় অসহায় 'জোর যার মুল্লুক তার'। এই যদি হয়, তাহলে এই অশান্ত পৃথিবীকে শান্ত করবে কে?মোঃ আব্দুর রাজ্জাক লেখক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকঅধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ,সমাজকর্ম বিভাগ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, ঢাকা

জাতিসংঘের ভাষণে এআইকে নতুন নামে পরিচয় করালেন ট্রাম্প

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বা এআইকে নতুন নামে অভিহিত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ নামে এআইকে উল্লেখ করেন।ভাষণে ট্রাম্প বলেন, এআইকে নকল কিছু মনে হয় ‘আর্টিফিশিয়াল’ শব্দটি ব্যবহার করলে। তার ভাষায়, এটি নকল নয়, বরং অসাধারণ। তবে এ প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্ক থাকার কথাও বলেন তিনি।এরপর ট্রাম্প বলেন, “সুপার ইন্টেলিজেন্সের নতুন জগতে স্বাগতম।”এর আগে ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, এআই উন্নয়নের প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রকে শীর্ষ অবস্থানে থাকতে হবে। গত সপ্তাহেও তিনি বলেন, “এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ যার হাতে, সে-ই জিতবে।”এআই খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ বা নতুন বিধিনিষেধ আরোপের ঘোর বিরোধী ট্রাম্প। এ কারণে জাতিসংঘে জড়ো হওয়া অনেকের অবস্থানের সঙ্গে এ বিষয়ে তার মতপার্থক্য রয়েছে।

জাতিসংঘের ভাষণে এআইকে নতুন নামে পরিচয় করালেন ট্রাম্প

অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ এখন পৃথিবীর মানচিত্রে সব রাষ্ট্রপ্রধান ও সকল মানুষের নিকট আলোচিত এবং পরিচিত একটি নাম। দেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ২১শে সেপ্টেম্বর বিশেষ বিমানযোগে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে দেশবাসীর দোয়া নিয়ে যাত্রা করে সেখানে ইতোমধ্যে ভালোভাবে পৌঁছে অবস্থান করছেন। তিনি দেশ পরিচালনায় দক্ষতার ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। তার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বের গুণাবলী দিয়ে অল্প দিনে মানুষের হৃদয় জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। পৃথিবীর অধিকাংশ রাষ্ট্র প্রধানদের নিকট তার ব্যক্তিগত গুণাবলীর উৎকর্ষতা ও আলোর দ্যুতি ছড়িয়ে পড়েছে। তাইতো তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি মুগ্ধ। যার প্রমাণ জাতিসংঘের ৮১ তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের জয় লাভ। এ জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদা চির ভাস্বর হয়ে থাকবে। যার অংশীদার বাংলাদেশের প্রতিটি জনগণ।জাতিসংঘের ৮১ তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সম্মানিত সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর মোহাম্মদ খলিলুর রহমানের জয়লাভের মধ্য দিয়ে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদা অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। পরাশক্তি দেশগুলো যেমন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীন ও রাশিয়ার বৈরিতা বা মতবিরোধ থাকলেও আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র চীন ও রাশিয়ার সমর্থনে বাংলাদেশ এ গৌরব উজ্জ্বল  সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব হুমায়ুন রশিদ এ সম্মান লাভে সমর্থ হয়েছিলেন ।সুদীর্ঘ প্রায় চার দশক পর ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে।এমন একজন ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে আলোকিত করেছেন তিনি শুধু বাংলাদেশের নন সারা পৃথিবীর সম্পদ। তিনি হলেন ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। আন্তর্জাতিকভাবে তিনি পৃথিবীর সকল দেশ ও মানুষের নিকট বরণীয় ও সমাদৃত একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তার অনুপ্রেরণা একটু পরামর্শ, সুপারিশ বহির্বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে সম্মানজনক পর্যায়ে পৌঁছিয়ে দিতে পারে। তার প্রতি   প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের অগাধ বিশ্বাস, আস্থা , শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মাদার অফ ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়ার সাথে নোবেল জয়ী ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস এর সম্পর্ক ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার। এজন্য প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গুলোতে  ডঃ মোঃ ইউনুস সব সময় আমন্ত্রিত হয়ে থাকেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হওয়ার  পিছনে ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস এর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।জাতিসংঘের ৮১ তম অধিবেশনে জনাব তারেক রহমান ২৪ শে সেপ্টেম্বর ২০২৬  বিশ্বমঞ্চে বক্তৃতা প্রদান করবেন  । এটা যেমন গৌরবের তেমনি  সম্মানের। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান  ২৭শে আগস্ট ১৯৮০ সালে জাতিসংঘে তার প্রদত্ত ভাষণে বৈশ্বিক সমতার ডাক দিয়েছিলেন। মাদার অফ ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের পহেলা অক্টোবর জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় এ বিরল সম্মানের অধিকারী হবেন তাদের উত্তরসূরী জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য (১৯৮০---২০২৬) জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি তার বক্তৃতায় জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, গণতন্ত্র ,দারিদ্র্য বিমোচন, বৈশ্বিক শান্তি , আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে বাংলাদেশের অবস্থান প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে মতবিনিময় এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের  আমন্ত্রনে নৈশ ভোজে অংশগ্রহণ করবেন।জাতিসংঘে তার অংশগ্রহণ ,প্রদত্ত ভাষণ,  বাংলাদেশের জনগণের জন্য কল্যাণ ও সম্মান বয়ে আনুক । তার সফর হোক সফল ও সার্থক। দেশের জনগণ এটাই প্রত্যাশা করে।মোঃ আব্দুর রাজ্জাক লেখক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান , সমাজকর্ম বিভাগ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, ঢাকা

অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্র সফরটি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়। ফলে ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তৃতা দেওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এমনকি নিউইয়র্ক থেকে সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল তার। সরকারি সূত্রগুলো জানায়, নিউইয়র্কে সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের তালিকাও ছোট। অতীতের সরকারগুলোর তুলনায় ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছ্রসাধনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নিউইয়র্কে অবস্থানের সময় জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠক, বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে পৃথকভাবে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকের মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন, মহামারি প্রতিরোধ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ। পাশাপাশি বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যাসহ একাধিক আলোচনার আয়োজন করছে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে। নিউইয়র্ক থেকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য যেসব দেশের নেতাদের বৈঠক হতে পারে, সে তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেঙ্কোভিচ ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান আল সৌদ। এছাড়াও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব‍্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে।  সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানা গেছে।  

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

হুথিদের সামরিক হামলা নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের কড়া ভাষণ

সৌদি আরবে হুথিদের সামরিক আক্রমণ নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভাষণ দেওয়ার সময় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আসিম ইফতিখার আহমেদ বলেন, ‘ইয়েমেনের অভ্যন্তরে হুথিদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি, সৌদি আরবের ওপর অব্যাহত হামলা এবং লোহিত সাগর উপকূলে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত পুরো পরিস্থিতিকে একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক মোড়ে নিয়ে এসেছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাকিস্তান সৌদি আরবের ওপর হুথি বাহিনীর পরিচালনা করা সমস্ত হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। সেই সঙ্গে অঞ্চলে বিদ্যমান উত্তেজনা প্রশমন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ স্তরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার রাখার বিষয়ে পাকিস্তানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। সূত্র: ডন

হুথিদের সামরিক হামলা নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের কড়া ভাষণ

২০ বছরের মধ্যে প্রথমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরান

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদ বুধবার ভোট দিয়ে ইরানের পারমাণবিক ‘অমান্যতা’র কারণে বিষয়টি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি তেহরানের ওপর চাপ বাড়ানোর একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্রের যোগদানে, ২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের একটি সংঘাত শুরু করার পর থেকে আইএইএ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে প্রবেশাধিকার পায়নি। ওই সংঘাতে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলাও চালানো হয়েছিল। সবশেষ যুদ্ধেও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা হয়েছে। এই যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এবং আইএইএ বারবার সেখানে প্রবেশাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে। প্রস্তাবটির পক্ষে পড়ে ২৩ ভোট আর বিপক্ষে ৩ ভোট। ভোটদানে বিরত থাকে ৮টি দেশ। রাশিয়া, চীন ও নাইজার এর বিপক্ষে ভোট দেয়। এতে আইএইএ’র মহাপরিচালককে ইরানের বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদ এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত এই প্রস্তাবটি ইরানের পারমাণবিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা পালনে ব্যর্থতার কারণে ২০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটিকে নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানোর ঘটনা। এই পদক্ষেপকে মূলত প্রতীকী হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ ইরানের মিত্র চীন ও রাশিয়ার তেহরানের বিরুদ্ধে যেকোনো নিষেধাজ্ঞায় ভেটো দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। ইরান এই প্রস্তাবের নিন্দা করেছে এবং বলেছে, এটি কোনো ফলাফল বয়ে আনবে না। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থায় ইরানের প্রতিনিধি রেজা নাজাফি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ‘এই প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের রাজনৈতিক চাপের অধীনে পাস হয়েছে এবং আমাদের দৃষ্টিতে এর কোনো ভিত্তি নেই। তিনি এএফপিকেও বলেন যে প্রস্তাবটি সম্পূর্ণ বিপরীত ফল বয়ে আনবে।’

২০ বছরের মধ্যে প্রথমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরান

জাতিসংঘে তারেক-ট্রাম্প বৈঠকের সম্ভাবনা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, জাতিসংঘে নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেটে নগরীর একটি হোটেলে আজ শনিবার সকালে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। আমেরিকার কাছ থেকে বোয়িং কেনা প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, বোয়িং কিনতে হবে এটা কেউ চাপিয়ে দিচ্ছে না। চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও কেনা হবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কীভাবে একটি সাইকোপ্যাথিক দুর্নীতি করা যায়, এনার্জি সেক্টর দেখলে বোঝা যাবে। তবে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন জ্বালানি খাতকে। জ্বালানি খাতের সংকট সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। মক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, মক্কা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। অনেক দেশই এখন একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে। তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া দরকার, সেখানে যাওয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ আমলের সিন্ডিকেটের কারণে মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বর্তমান সরকার এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। ধাপে ধাপে শ্রমশক্তি রপ্তানি হবে। এ সময় সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

জাতিসংঘে তারেক-ট্রাম্প বৈঠকের সম্ভাবনা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream