মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
Topic Ads 1
ঘরহারা ৮ লাখ ফিলিস্তিনির ঠিকানা তাঁবু

ঘরহারা ৮ লাখ ফিলিস্তিনির ঠিকানা তাঁবু

২১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি গাজা উপত্যকাজুড়ে অত্যন্ত করুণ পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন। যাদের মধ্যে বসবাসের অযোগ্য অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন ৮ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ। গাজার সরকারি তথ্য দপ্তর সোমবার (১৭ আগস্ট) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।শীতকাল ঘনিয়ে আসার মুখে এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, ৫ লক্ষাধিক শিশু রয়েছে তাঁবুতে বসবাসকারীদের মধ্যে। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে কদাকার আবহাওয়া প্রতিরোধী তাঁবু,  ক্রেন, অন্তরণ সামগ্রী ও অন্যান্য আশ্রয় সরঞ্জাম অবিলম্বে প্রবেশের সুযোগ দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পরিস্থিতি সংকটের চরম সীমায় পৌঁছেছে।’ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, ধ্বংসস্তূপ অপসারণ এবং সবচেয়ে অসহায় মানুষদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপরও এতে জোর দেওয়া হয়।ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে গাজার বাসিন্দারা খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সেবার চরম সংকটে ভুগছে বলে ত্রাণ সংস্থাগুলো ক্রমাগত সতর্ক করে আসছে।তথ্য দপ্তরের পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এই ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকা পুনর্নির্মাণে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে।সূত্র: আল জাজিরা

ইসরাইল সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্পের জামাতা কুশনার

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে ইসরাইল সফরে যেতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।  বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস কুশনারের সম্ভাব্য সফরের খবর প্রকাশ করে।  ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সপ্তাহে কায়রোতে মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন কুশনার। সূত্রটি রয়টার্সকে জানায়, হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে মতৈক্য রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইসরাইলের  কিছু উদ্বেগ রয়েছে, যেগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ‘যৌক্তিক’ বলে মনে করছে এবং সেগুলো সমাধানে কাজ চলছে। কুশনারের ইসরাইল সফরের মূল লক্ষ্য হবে গাজা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাব করা ২০ দফা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ খুঁজে বের করা। ট্রাম্প ২০২৫ সালের শেষ দিকে গাজার জন্য এই পরিকল্পনা সামনে আনেন। পরে জুলাইয়ের শেষ দিকে তিনি জানান, গাজায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে। আরও পড়ুনআরও পড়ুনলেবানন ও গাজা থেকে সেনা সরাবে না ইসরাইল একই সঙ্গে গাজার নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীল বাহিনী (ইন্টারন্যাশনাল স্টাবলাইজেশন ফোর্স) কাজ করবে। তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছেন।  অন্যদিকে হামাস জানিয়েছে, তারা পরিকল্পনাটিতে সম্মত হয়েছে। তবে এর বাস্তবায়ন নির্ভর করবে ইসরাইল আগে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে কি না তার ওপর। এর মধ্যে সেনা প্রত্যাহার ও হামলা বন্ধ করার বিষয় রয়েছে। যুদ্ধবিরতির পরও হামলা গত অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও তা বারবার লঙ্ঘিত হয়েছে।  গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আরও পড়ুনআরও পড়ুন‘হরমুজ আমাদের নিয়ন্ত্রণে’—ট্রাম্পের দাবির জবাবে যা বলল ইরান অন্যদিকে ইসরাইলের মতে, একই সময়ে হামাসসহ সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় চারজন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। হামাস সাধারণত তাদের যোদ্ধাদের হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করে না। তথ্যসূত্র: আরব নিউজ

ইসরাইল সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্পের জামাতা কুশনার

গাজায় যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনেও নিহত অন্তত ৩০০ শিশু: ইউনিসেফ

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ৩০০ দিনে অন্তত ৩০০ শিশু নিহত হয়েছে। অর্থাৎ, গড়ে প্রতিদিন একজন করে শিশু প্রাণ হারিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।শনিবার (৮ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।ইউনিসেফের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক এদুয়ার বেইগবেদার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যে যুদ্ধবিরতিতে প্রতিদিন গড়ে একজন শিশু মারা যায়, সেটি শিশুদের জন্য ব্যর্থ।’তিনি আরও বলেন, শত শত শিশু আহত হয়েছে, যাদের অনেকের অবস্থা গুরুতর। গাজার শিশুরা এখনও সেই সহিংসতার অবসানের অপেক্ষায় রয়েছে, যার শেষ হওয়ার প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হয়েছিল।ইউনিসেফ জানিয়েছে, গাজার বিভিন্ন এলাকায় শিশুরা এখনও তীব্র অপুষ্টি, নানা রোগ, অনিরাপদ পানি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

 গাজায় যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনেও নিহত অন্তত ৩০০ শিশু: ইউনিসেফ
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream