বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
সেপ্টেম্বরেই মন্ত্রীসভায় ৯ম পে স্কেল, লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীর ভাগ্য বদলের বড় বার্তা!

সেপ্টেম্বরেই মন্ত্রীসভায় ৯ম পে স্কেল, লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীর ভাগ্য বদলের বড় বার্তা!

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এখন একেবারে চূড়ান্ত ধাপে। যাবতীয় জটিলতা দ্রুত নিস্পত্তি করে আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই বহুল কাঙ্ক্ষিত এই গেজেট জারি করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় তোলার জোর প্রস্তুতি চলছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী অক্টোবর মাস থেকেই সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী হাতে বেতন পেতে পারেন। তবে নতুন এই পে স্কেলের কার্যকারিতা ধরা হবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকেই। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বকেয়া অর্থ পরবর্তীতে পুনর্নির্ধারণ করে সমন্বয় করা হবে।অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলেই প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পেশ করা হবে এবং চলতি বছরের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সচিব কমিটির চূড়ান্ত বৈঠক শেষে অর্থ বিভাগ প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় পাঠাবে। সেখানে অনুমোদন এবং আইন মন্ত্রণালয়ের আইনি ভেটিং সম্পন্ন হলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।দেশের সার্বিক আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে এবার পে স্কেল বাস্তবায়নে কিছু কৌশলগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি মিলেছে। এর প্রথম ধাপে শুধু নতুন মূল বেতন কার্যকর করা হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা যোগ হবে। এছাড়া জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় রাখতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি তাদের কাজ শেষ করেছে। গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত বার্তা ছড়িয়ে পড়ায় এখন সারা দেশের সরকারি কর্মজীবীদের চোখ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে।

আগে স্থিতিশীলতা, এরপর অর্থনীতিতে গতি: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। তিনি বলেন, প্রথমে অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে; এরপর ধীরে ধীরে গতি ফিরবে। বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির নতুন পর্যায়ে যাবে। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে আজ সোমবার এ কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি। শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পভিত্তিক গবেষণা ও উদ্ভাবন উৎসাহিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আওতাধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের’ আওতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষকদের যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটা দেশের প্রথম সরকারি উদ্যোগ। দক্ষতা উন্নয়ন ও শিল্প প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবন কর্মসূচির অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী কর্মসূচি পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব মো. খাইরুজ্জামান মজুমদার। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি, তা পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি হচ্ছে। আমরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি। অর্থনীতিতে যেসব সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ শিথিল, নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সুফল ধীরে ধীরে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়াতে সারাদেশে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো দিকে যাবে ‘ এর আগে স্বাগত বক্তব্যে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, শিল্পের উদ্ভাবনী সমাধানের জন্য মোট ১২৩টি প্রকল্প জমে পড়েছিল। সেখান থেকে ১২টি বাছাই করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এক বছর তাঁদের গবেষণা করে সমাধানের পথ দেখাবেন। ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ শিল্প গবেষণা, উন্নয়ন ও উদ্ভাবন উদ্যোগটি বাস্তবমুখী ও শিল্পবান্ধব সমাধান তৈরির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সক্ষমতা সুসংহত করা এবং দক্ষ জনশক্তির ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিংফেং ঝাং। তিনি কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি ও শক্তিশালী অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। সভায় বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য ১২ জনকে অর্থ ও পুরস্কার দেওয়া হয়। শিল্পের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তাঁরা এই অর্থ কাজে লাগাবেন।

আগে স্থিতিশীলতা, এরপর অর্থনীতিতে গতি: অর্থমন্ত্রী
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream