বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
দিলারা জামানের নামে ভুয়া ফটোকার্ড, যা বললেন তিনি

দিলারা জামানের নামে ভুয়া ফটোকার্ড, যা বললেন তিনি

দেশের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দিলারা জামান দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজধানীর উত্তরায় নিজের কেনা ফ্ল্যাটে বাস করছেন। কিন্তু দিলারা জামানের নামে একটি বক্তব্যের ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার সকাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে অভিনেত্রী বিষয়টি শুনে বিস্মিত ও বিরক্ত হয়েছেন। কারণ, প্রচারিত বক্তব্যের সঙ্গে তার বর্তমান জীবনের কোনো মিল নেই। ফলে বিভ্রান্তি দূর করতে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন তিনি। শুক্রবার বিকেলে সমকালকে দিলারা জামান বলেন, ‘বাবার দেওয়া জমিতে ধারদেনা করে বাড়ি করেছিলাম। দেনা শোধ করতে বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলাম, কিন্তু ভাড়ার টাকা পাইনি। একপর্যায়ে ভাড়াটে বাড়ি দখল করে নেয়। এখন ছোট্ট পাখির মতো বাসায় ভাড়া থাকি।’ এই বক্তব্যটি যে পুরোনো ঘটনার অংশ, তা পরে পরিষ্কার করেন অভিনেত্রী। একই সঙ্গে ভিডিও থেকে ফটোকার্ড তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় বিরক্তিও প্রকাশ করেন তিনি। দিলারা জামান বলেন, ‘মানুষের মাথা কি নষ্ট হয়ে গেছে! একটু ভেবেচিন্তে, কথা বলে লিখলে তো ভালো হয়। ভালো কাজে যদি মস্তিষ্ক কাজে না লাগে, তাহলে কেমন লাগে! কী আর বলব।’ তাহলে কি তার বাড়ি দখলের ঘটনা একেবারেই ঘটেনি? দিলারা জামানের ভাষ্য, ঘটনা ঘটেছিল, তবে সেটি বর্তমান সময়ের নয়। প্রায় ২২ থেকে ২৩ বছর আগের ঘটনা। অভিনেত্রী জানান, ২০০৩-০৪ সালের দিকে তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় থাকতেন। সেখানে ছিল তার পৈতৃক বাড়ি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সেই বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। একপর্যায়ে বাড়িটি দখলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। সে সময় বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর সেই দখলের পরিস্থিতি আর এগোয়নি। পরবর্তীতে শ্যামলীর সেই বাড়িটি আর তার কাছে থাকেনি। দিলারা জামান জানান, বাড়িটি পরে বিক্রি করে দেন তিনি। ২০০৮ সালে পরিবার নিয়ে উত্তরায় চলে আসেন। সেখানে ১ হাজার ৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনে বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে ওই ফ্ল্যাটেই রয়েছেন তিনি। বর্তমানে অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটছে দিলারা জামানের। দেশের বাইরে থাকা দুই মেয়ের কাছে মাঝেমধ্যে গিয়ে কিছুদিন থাকেন। তবে আগের মতো নিয়মিত বিদেশে যাওয়া হয় না বলে জানান তিনি। দিলারা জামান বলেন, ‘এখন আর তেমন দেশের বাইরে যাওয়া হয় না। অভিনয় নিয়েই ব্যস্ততা, আর উত্তরার নিজের ফ্ল্যাটেই থাকি।’ প্রায় দুই যুগ আগের একটি ঘটনাকে নতুন করে ছড়িয়ে দেওয়ার কারণ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। তার প্রশ্ন, ‘হঠাৎ করে এই ধরনের আজগুবি তথ্য সামনে কীভাবে এল, নিজেই তো অবাক হয়ে গেলাম!’

রাজ-সাবিলার নতুন রসায়ন ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’

শরিফুল রাজ ও সাবিলা নূর ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমায় প্রথমবার বড় পর্দায় একসঙ্গে কাজ করেন। আবারও এই জুটি প্রেক্ষাগৃহে ফিরছে। প্রথম সিনেমায় দুজন অপরিচিত মানুষের চরিত্রে অভিনয় করেছে। এবার দম্পতির চরিত্রে তাঁরা হাজির হচ্ছেন। ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’ নামের সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ‘উৎসব’ ও ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার নির্মাতা তানিম নূরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বুড়িগঙ্গা টকিজের ব্যানারে। আয়মান হাসিব স্বাধীন ও সুস্ময় সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছেন। কানাভুলা প্যারাডক্স দিয়ে বড় পর্দায় নির্মাতা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে তাঁদের। উৎসব ও বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমার প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন তানিম নূর। এবার কেবল প্রযোজক হিসেবে থাকছেন। এবারও তিনি সিনেমা নির্মাণের জন্য বেছে নিয়েছেন উপন্যাস। কানাভুলা প্যারাডক্স নির্মিত হবে মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর লেখা ‘কানাভুলো প্যারাডক্স’ অবলম্বনে। উপন্যাসে গল্পটি এক নবদম্পতির। তারা হানিমুনে যাবে, কক্সবাজারে। দেশব্যাপী তখন মহামারির প্রকোপ, ঘোষণা করা হয়েছে লকডাউন। এর মাঝেই হানিমুনে যায় তারা। হোটেল বন্ধ, তাই ভাড়া নিল এক প্রবাসী ভদ্রলোকের বানানো বিশাল বাংলো। সঙ্গেই লাগোয়া সৈকত। জায়গাটা যেমন নির্জন, তেমন রহস্যময়। চাঁদনি রাতে জনশূন্য সৈকতে হাত ধরাধরি করে জোছনার আলোয় ভিজতে ভিজতে যখন কপোত-কপোতী দুজন নিজেদের ভেতর ভীষণ ডুবেছিল, ঘুণাক্ষরেও টের পায় না যে তারা একা নয় ওখানে। তাদের সঙ্গে আছে একটি অসংজ্ঞায়িত অস্তিত্ব কানাভুলা। এরপর ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। সেই গল্পই পর্দায় তুলে ধরবেন নির্মাতা, তবে সিনেমার প্রয়োজনে থাকবে কিছু সংযোজন-পরিমার্জন। নতুন এই সিনেমা নিয়ে প্রযোজক তানিম নূর বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলের প্রচলিত এক ভূতের নাম কানাভুলা। শোনা যায় এই ভূতে ধরলে মানুষ পথ হারিয়ে ফেলে। কী করছে, কোথায় যাচ্ছে কিছু বলতে পারে না। প্রচলিত সেই গল্প নিয়ে এই সিনেমা। এখানে অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার পাশাপাশি ভীষণ রোমান্টিক গল্পও দেখা যাবে।’ পরিচালক সুস্ময় সরকার বলেন, ‘আমি আর স্বাধীন ভাই দীর্ঘদিন ধরে বুড়িগঙ্গা টকিজের স্ক্রিপ্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করছি। পাশাপাশি নিজেদের নির্মাণ নিয়ে ভাবছিলাম। কানাভুলো উপন্যাসটি পড়ে মনে হলো এটি হতে পারে আমাদের প্রথম সিনেমা। এখানে অতিপ্রাকৃতিক বিষয় আছে, রোমান্টিক গল্প আছে আর টাইম ট্রাভেলের ঘটনাও আছে—যা আমাদের দুজনের খুব পছন্দ।’ অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা দুই নির্মাতাকে নিয়ে তানিম নূর বলেন, ‘স্বাধীন ও সুস্ময় দুজনই খুব মেধাবী। ছয় বছরের বেশি সময় ধরে আমার সঙ্গে কাজ করছে। তারা যখন এই গল্প নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করল, আমি রাজি হয়ে গেলাম। কারণ আমাদের সিনেমায় প্রচলিত গল্পের বাইরের একটি গল্প এটি। আমার বিশ্বাস, দর্শকের খুব ভালো লাগবে। এ ছাড়া উপন্যাসটি যিনি লিখেছেন, তিনিও মেধাবী তরুণ। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দেশের এই মেধাবী তরুণদের সুযোগ দিলে তারা ভালো কিছু করবে।’ নির্মাতারা জানালেন, এখন চলছে সিনেমার প্রি-প্রোডাকশনের কাজ। আগামী বছরের জানুয়ারিতে শুরু হবে শুটিং। ২০২৭ সালের কোরবানির ঈদে প্রেক্ষাগৃহে কানাভুলা প্যারাডক্স মুক্তির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

রাজ-সাবিলার নতুন রসায়ন ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream