বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি ট্যাক্সি ও ট্রাক ড্রাইভারসহ দক্ষ শ্রমিকদের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে এক ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং মুসলিম ভ্রাতৃত্বের গভীর বন্ধন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের এই ঐতিহাসিক কূটনৈতিক ভিত্তি যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী নেতৃত্বে সুসংহত হয়েছিল, তা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। বৈঠকে সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকের ধারাবাহিক আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, জনগণের সাথে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার আরও প্রসারিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশেষ করে আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ট্যাক্সি ড্রাইভার ও ট্রাক ড্রাইভারের পেশায় কাজের সুযোগ সৃষ্টি এবং অধিক সংখ্যক দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বের সাথে কথা বলেন উভয় প্রতিনিধি। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাংলাদেশে ইউএই’র বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদার এবং কৌশলগত অবকাঠামো ও শিল্প খাতে নতুন অংশীদারিত্ব সৃষ্টির সুযোগ নিয়ে বিশদ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও গতিশীল করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

মার্কিন কর্মসংস্থানে প্রবৃদ্ধি, স্বস্তিতে রিপাবলিকানরা

আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সরকারি তথ্যে এ কথা জানানো হয়েছে। প্রত্যাশার চেয়ে ভালো এই ফল আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে স্বস্তি দিয়েছে। আগস্টে ১ লাখ ৬২ হাজার নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত থেকে ৪ দশমিক ১ শতাংশে রয়েছে বলে শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএস ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকস (বিএলএস)। রেস্তোরাঁ ও বার খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে। সরকারি স্কুলগুলোতেও এক মাস আগের সংকোচনের পর কর্মসংস্থান ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে জুন ও জুলাইয়ের কর্মসংস্থানের হিসাবও মোট ৫৫ হাজার বাড়িয়ে সংশোধন করা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। নতুন এই তথ্য ট্রাম্পের জন্য স্বস্তির খবর। আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে তার রিপাবলিকান পার্টি। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির অবস্থা ভোটারদের কাছে নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। তবে এই খবর প্রকাশের পর শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদের হার নির্ধারণী বৈঠকের দিকে এখন সবার নজর। কর্মসংস্থানে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি শ্রমবাজারের সুস্থ অবস্থার ইঙ্গিত দেয়। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার আরেকটি দায়িত্বের দিকে মনোযোগ দিতে পারে। সেটি হলো দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রায় রাখা। তবে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফেড এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। জুলাইয়ে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। আগস্টের তথ্য আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হবে। ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং তার গুরুত্বপূর্ণ শুল্কনীতির কারণে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। মে মাসে মূল্যস্ফীতি তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। এরপর অবশ্য তা কমেছে। ফেডের কয়েকজন নীতিনির্ধারক ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগস্টের তথ্য মূল্যস্ফীতি কমার ধারাবাহিকতা না দেখালে তারা সুদের হার বাড়ানোর পক্ষে থাকতে পারেন। কেপিএমজির প্রধান অর্থনীতিবিদ ডায়ান সোয়ঙ্ক এএফপিকে বলেন, আগস্টের তথ্য ‘আশ্বস্ত করার মতো।’তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এক মাসের তথ্য কোনো প্রবণতা নির্ধারণ করে না।’ তিনি বলেন, ‘এই প্রতিবেদন থেকে বোঝা যাচ্ছে, শ্রমবাজার আবার চাঙ্গা হয়ে উঠছে। শ্রমবাজার এখন আরও শক্তিশালী। ফেডারেল রিজার্ভের জন্য এটি উদ্বেগের বিষয়। কারণ এখন চাহিদার পাশাপাশি সরবরাহজনিত ধাক্কাও রয়েছে।’ তবে শক্তিশালী কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি শ্রমিকদের জন্য স্বস্তির খবর। যারা জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে চেষ্টা করছেন, তাদের জন্যও এটি একটি স্বস্তির খবর। বিএলএস জানায়, আগস্টে রেস্তোরাঁ ও বার খাতে ৫৯ হাজার কর্মসংস্থান বেড়েছে। গত এক বছরে এ খাতে মাসিক গড় কর্মসংস্থান বৃদ্ধির তুলনায় এটি অনেক বেশি। ওই সময়ে গড় বৃদ্ধি ছিল ১২ হাজার। স্থানীয় সরকার পরিচালিত শিক্ষা খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৪২ হাজার। এর বেশিরভাগই সরকারি স্কুল। গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে আগের মাসে যে কর্মসংস্থান কমেছিল, এর বড় অংশই এতে পুষিয়ে গেছে। জানুয়ারি থেকে এ খাতে সামগ্রিক কর্মসংস্থানে নিট পরিবর্তন খুবই সামান্য। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে স্বাস্থ্যসেবা খাত। আগস্টে এ খাতে ১৩ হাজার কর্মসংস্থান বেড়েছে।

মার্কিন কর্মসংস্থানে প্রবৃদ্ধি, স্বস্তিতে রিপাবলিকানরা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream