মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের যেসব দেশ উন্নতি করেছে, তারা শিক্ষা, গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনের পেছনে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। মেধাবী মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি এসব খাতে বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।তিনি  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর)  সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (SUST) অডিটোরিয়ামে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।মন্ত্রী কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে মেধার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের শুধু নিজেদের সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার, বন্ধু ও সমাজের অন্যদেরও সঠিক পথে চলতে উৎসাহিত করতে হবে। মাদক থেকে দূরে থেকে জ্ঞান, শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ঘটছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে তরুণদের নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সিলেটে একটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা শিগগিরই সিলেট সফর করবেন। এর মাধ্যমে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণরা এআইসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। সিলেটেও অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন, যারা মাসে কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করছেন। এই সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে হবে, যাতে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণরা আধুনিক প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের জ্ঞান অর্জন করে নিজেদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারেন।সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক দিদার চৌধুরী। এসময় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াতসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিস্কুট-রুটির দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের নতুন সিদ্ধান্ত

আপাতত বেকারি পণ্যের (বিস্কুট ও রুটি) মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে এই খাতের ব্যবসায়ী নেতারা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সম্প্রতি বেকারি পণ্যের মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে ব্যবসায়ীদের ঘোষণাসহ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনার পর ব্যবসায়ী নেতারা বিস্কুট ও ব্রেডের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখার বিষয়ে সম্মতি দেন। এদিকে বেকারি পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যয়, কাঁচামালের মূল্য, কর ও শুল্কসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় পর্যালোচনায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সভায় সরকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করে জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে যৌক্তিক মূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সভায় সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা এবং বেকারি পণ্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে রুটির দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি। সংগঠনটি জানায় রুটি, বিস্কুটসহ বিভিন্ন বেকারি পণ্যের দাম এবং ওজন সমন্বয় করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, হাতে তৈরি বেকারি বিস্কুটের দাম কেজিতে গড়ে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে সাধারণ মানের যেসব বিস্কুট ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো, তা বর্তমানে ১৫০ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, বনরুটি ও অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ওজনেও পরিবর্তন এনে সমন্বয় করা হয়েছে। আগে যেসব বনরুটি ও মাফিন কেকের ওজন ৪০ গ্রাম ছিল, সেগুলোর দাম একই রেখে ওজন কমিয়ে ৩৫ গ্রাম করা হয়েছে। আবার ১০ বা ১২ টাকা দামের প্রতি পিছ বনরুটির দাম বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়েছে। অবশ্য এ ক্ষেত্রে বনরুটির আকার সামান্য বড় করা হয়েছে। এর আগে দাম বাড়ানোর দাবিতে গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বেকারি কারখানাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। দুদিন বন্ধ থাকার পর নতুন নির্ধারিত মূল্যে ১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বাজারে বেকারি পণ্য সরবরাহ করে বেকারিগুলো।

বিস্কুট-রুটির দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের নতুন সিদ্ধান্ত
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream