শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
এপিএসের পর এবার দায়িত্ব হারালেন খাদ্যমন্ত্রীর পিও

এপিএসের পর এবার দায়িত্ব হারালেন খাদ্যমন্ত্রীর পিও

এবার খাদ্যমন্ত্রীকে না জানিয়ে সরকারি সফরসূচি তৈরি ও টাঙ্গাইলের নাগরপুর খাদ্যগুদাম পরিদর্শনের ঘটনায় মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মো. রফিকুল ইসলাম দায়িত্ব হারিয়েছেন। এর আগে মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. আবদুল আওয়ালকেও (বুলবুল) একই অভিযোগে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। মূলত মন্ত্রীর অনুমোদনহীন ওই বিতর্কিত সফরসূচিতে স্বাক্ষর করার কারণেই পিও রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হলো। শনিবার (১৭ অক্টোবর) জারি করা এক অফিস আদেশে রফিকুল ইসলামকে মন্ত্রীর দপ্তরের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ক্ষেমালিকা চাকমা রফিকুল ইসলামকে দপ্তরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কী কারণে তাকে সরানো হয়েছে, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর এপিএস আবদুল আওয়ালের টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্যগুদাম পরিদর্শনের জন্য একটি সরকারি সফরসূচি জারি করা হয়। মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরে জারি করা ওই সূচি অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর পরিদর্শনে যান আবদুল আওয়াল। সফরসূচিতে ঢাকার মোহাম্মদপুরে এপিএসের নিজ বাসা থেকে যাত্রা শুরু এবং পরিদর্শন শেষে আবার বাসায় ফেরার কথা উল্লেখ করা হয়। সফরে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়। একই সঙ্গে সরকারি গাড়ির জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের পরিচালককেও অনুলিপি দেওয়া হয়েছিল। ওই সফরে আবদুল আওয়ালের সঙ্গে কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাও ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে মন্ত্রণালয় সূত্রের দাবি, এ সফরের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম কিছুই জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এর পরই এপিএস আবদুল আওয়ালকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সফরসূচি তৈরিতে পিও রফিকুল ইসলামের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়। পরে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সর্বশেষ শনিবার তাকেও মন্ত্রীর দপ্তরের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো।

সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টনের বেশি

সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বাড়ানোর পাশাপাশি সংরক্ষণ সক্ষমতা ও নিরাপদ মজুতের সীমাও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি সরকার। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ টন। ছয় মাসের ব্যবধানে ৯ সেপ্টেম্বর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ টনে। অর্থাৎ এ সময়ে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ টন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টনের বেশিখাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। মোট মজুতের মধ্যে চাল ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ টন, গম ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ টন এবং ধান ৩৪ হাজার ৭০ টন। ফ্লোটিং মজুতসহ সরকারি খাদ্যশস্যের মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ টনে। এর মধ্যে ফ্লোটিং মজুত হিসেবে গম রয়েছে ৬৮ হাজার ৭২৩ টন। বাড়ছে খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতাওশুধু খাদ্য মজুত নয়, সরকারি খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগে দেশে খাদ্য মজুতের ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ২৪ লাখ টন। বিএনপির বিশেষ উদ্যোগে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই দেশের সরকারি খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ২৭ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন বলেন, ‘আগে আমাদের খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা প্রায় ২৪ লাখ টন ছিল। বর্তমানে তা বেড়ে ২৭ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে।’ আগামী পাঁচ বছরে সরকারি খাদ্যশস্যের সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর অন্যতম। নিরাপদ খাদ্য মজুতের সীমাও বাড়লখাদ্য মজুতের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য মজুতের সীমাও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে দেশে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন খাদ্য মজুত থাকলেই তা নিরাপদ সীমা হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার এই লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ১৬ লাখ টন নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমান মজুতের পরিমাণ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার টনের চেয়ে প্রায় ১০ লাখ টনের বেশি। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বর্তমানে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এক বছরে বেড়েছে সোয়া দুই লাখ টনের বেশিখাদ্যশস্যের মজুত বৃদ্ধির চিত্র অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের পরিসংখ্যানের সঙ্গেও তুলনা করা যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তির সময়, ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট দেশে চাল ও গম মিলিয়ে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২১ লাখ ৩১ হাজার টন। সে সময় সরকারি মজুতের মধ্যে চাল ছিল ১৯ লাখ ৫৪ হাজার টন এবং গম ছিল এক লাখ ৭৭ হাজার টন। সেই তুলনায় বর্তমানে সরকারি খাদ্যশস্যের মোট মজুত বেড়েছে দুই লাখ ২৮ হাজার ১৫৪ টন। আর আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের সময়ের একই সময়ের তুলনামূলক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৩০ টন। অর্থাৎ ২০২৪ সালের তুলনায় বর্তমান সরকারি মজুত বেড়েছে প্রায় ছয় লাখ ৭৫ হাজার টন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বোরো সংগ্রহে ১৬ লাখ ৮৩ হাজার টন খাদ্যশস্যএদিকে চলতি বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো সংগ্রহে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে মোট ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ধান সংগ্রহ হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৪০ টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ এক হাজার ৫৬৮ টন এবং আতপ চাল এক লাখ পাঁচ হাজার ৩১৩ টন। এছাড়া গম সংগ্রহ করা হয়েছে ৫২৩ টন। খাদ্যশস্যের ঘাটতি মোকাবিলা ও মজুত পরিস্থিতি শক্তিশালী রাখতে আমদানি কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মোট আট লাখ ২৭ হাজার ৭০০ টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৮৬০ টন এবং বেসরকারি পর্যায়ে সাত লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে। ‘খাদ্য নিয়ে সরকারের কোনো দুশ্চিন্তা নেই’খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার উৎপাদন, সংগ্রহ, আমদানি ও মজুত- সব ক্ষেত্রে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে নিয়মিতভাবে মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ শাখার যুগ্ম-সচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, চলতি মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান সফল ও সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে বর্তমানে চাল ও গমের পর্যাপ্ত ও নিরাপদ মজুত রয়েছে। এ মজুত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। আমনে ভালো ফলনের আশাখাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (বাসস)কে বলেন, জাতীয় চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাদ্যশস্যের মজুত ও সংরক্ষণ সক্ষমতা সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, দেশে এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমন চাষে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে সরকার আশাবাদী। ফলে, বোরো মৌসুমের মতো আমন সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার চাইতে বেশি অর্জিত হবে বলে সরকার আশা করছে। মাহবুবুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে গমের মূল্য পর্যায়ক্রমিকভাবে বাড়ছে, ফলে আমদানি ব্যয় বাড়তে পারে। তবে গমের বিপরীতে বিকল্প হিসেবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে সরকার চাল দেওয়ার মতো বিকল্প পরিকল্পনা ভেবে রেখেছে। ‘ফলে সরকারের এখন যে অবস্থা, তাতে কোনোভাবেই সংকট বা সমস্যার সম্ভাবনা নেই’- বলেন তিনি। খাদ্য নিয়ে সরকারের কোনো দুশ্চিন্তা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কৃষকের কাছ থেকে ধান-চাল সংগ্রহে গুরুত্বখাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, দেশের বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। তিনি বলেন, সরকারি খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্যের মজুত নিশ্চিত করার পাশাপাশি সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ সারা দেশে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান ও চালের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন। জামাল হোসেন বলেন, ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মতো সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সচল রাখতে খাদ্যগুদাম থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশে নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন হিসেবে বিবেচিত হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার নিরাপদ খাদ্য মজুতের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ লাখ টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে সরকারি গুদামগুলোর সামগ্রিক খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করার লক্ষ্যে কার্যক্রম চলছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো জানিয়েছে, দেশের বাজারে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত, মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টনের বেশি

লেবুপাতা দিয়ে রুই মাছের মজাদার রেসিপি

আমরা মাছে ভাতে বাঙালি। আমাদের প্রতিদিন খাদ্যের তালিকায় মাছ থাকেই। তারমধ্যে অন্যতম রুই মাছ। এবার একটু ভিন্ন স্বাদে রেঁধে দেখুন। জিভে জল আনা রেসিপি লেবু পাতা দিয়ে রুইমাছ।  যা লাগবে রান্না করতে...রুই মাছ ৬ টুকরা, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, আদা ও রসুনবাটা এক চা-চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া এক চা-চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, লেবুপাতা চার-পাঁচটি, কাঁচা মরিচ ফালি পাঁচ-ছয়টি, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল চার টেবিল চামচ। কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম হলে পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে নিন। তারপর পানি দিন অল্প করে। আদা-রসুনবাটা, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া আর লবণ দিয়ে কষিয়ে নিন। তারপর কাঁচা মাছ দিয়ে কড়াই ঢেকে দিয়ে ৫-৬ মিনিট রান্না করুন। তারপর কাঁচা মরিচ ফালি, জিরাগুঁড়া, ধনেপাতাকুচি দিয়ে হালকাভাবে নেড়ে দিন। সব শেষে লেবুপাতা ছিঁড়ে দিন। সুগন্ধি বের হলে লবণ দেখে নামিয়ে নিলে তৈরি হয়ে যাবে লেবুপাতা দিয়ে রুই মাছের রসা।

লেবুপাতা দিয়ে রুই মাছের মজাদার রেসিপি
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream