শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মিয়াজ মেহরাব


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মিয়াজ মেহরাব

এনসিপির (ময়মনসিংহ বিভাগের) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মুক্তাগাছার মিয়াজ মেহরাব   নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ও আন্দোলনের অগ্রসৈনিক মিয়াজ মেহরাব তালুকদার। ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার এই কৃতি সন্তান এর আগে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।  

 ময়মনসিংহ বিভাগের নবগঠিত এই কমিটিতে মিয়াজ মেহরাব তালুকদারের সাথে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তানহা শান্তা।   আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রেক্ষাপট:ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথের লড়াইয়ে শুরু থেকেই সোচ্চার ছিলেন মিয়াজ মেহরাব তালুকদার। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের এক দফা দাবি অর্জনের আন্দোলন পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। মুক্তাগাছার ঐতিহ্যবাহী রাম কিশোর (আর কে) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করা মিয়াজ মেহরাব মুক্তাগাছার দরিচারআনি বাজারের স্থায়ী বাসিন্দা। ছাত্র-জনতার বিপ্লবে জীবন দিয়ে এই আন্দোলনকে সফলতা এনে দেন মুক্তাগাছার সন্তান শহীদ মো. সামিদ হোসেন, আর রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে সেখানে সমন্বয় ও নেতৃত্বের হাল ধরেছিলেন মিয়াজ মেহরাব।তিনি আন্দোলনকারী অ্যাক্টিভিস্ট সংগঠন ‘পিপলস অ্যাক্টিভিস্ট কোয়ালিশন’ (প্যাক)-এর প্রধান সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

২০১৩ সাল থেকেই তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদের থাবা থেকে দেশকে মুক্ত করার রাজনৈতিক বয়ান তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।নতুন প্ল্যাটফর্ম ও এনসিপির পথচলা:শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম থেকে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটি এবং পরবর্তীতে 'জাতীয় নাগরিক কমিটি' গঠন করা হয়। বাংলাদেশের গত তিন দশকের দ্বি-দলীয় রাজনীতির সংকট কাটিয়ে নতুন সংবিধান তৈরি, রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যেই মূলত এই নাগরিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম 'জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)' হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তৃণমূল পর্যায় থেকে সংস্কারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যেই ৬৪ জেলা ও বিভিন্ন মহানগরে কাজ শুরু করেছে সংগঠনটি। 

  এনসিপির পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সদস্যসচিব পদে দায়িত্ব পালন করবেন আখতার হোসেন। এ ছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।   

দায়িত্ব পাওয়ার পর মিয়াজ মেহরাব তালুকদার বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত এই দ্বিতীয় স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখতে ও একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তুলতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ময়মনসিংহ বিভাগে এনসিপির রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে এবং তরুণ ও ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। 

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মিয়াজ মেহরাব

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

এনসিপির (ময়মনসিংহ বিভাগের) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মুক্তাগাছার মিয়াজ মেহরাব   নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ও আন্দোলনের অগ্রসৈনিক মিয়াজ মেহরাব তালুকদার। ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার এই কৃতি সন্তান এর আগে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।  

 ময়মনসিংহ বিভাগের নবগঠিত এই কমিটিতে মিয়াজ মেহরাব তালুকদারের সাথে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তানহা শান্তা।   আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রেক্ষাপট:ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথের লড়াইয়ে শুরু থেকেই সোচ্চার ছিলেন মিয়াজ মেহরাব তালুকদার। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের এক দফা দাবি অর্জনের আন্দোলন পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। মুক্তাগাছার ঐতিহ্যবাহী রাম কিশোর (আর কে) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করা মিয়াজ মেহরাব মুক্তাগাছার দরিচারআনি বাজারের স্থায়ী বাসিন্দা। ছাত্র-জনতার বিপ্লবে জীবন দিয়ে এই আন্দোলনকে সফলতা এনে দেন মুক্তাগাছার সন্তান শহীদ মো. সামিদ হোসেন, আর রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে সেখানে সমন্বয় ও নেতৃত্বের হাল ধরেছিলেন মিয়াজ মেহরাব।তিনি আন্দোলনকারী অ্যাক্টিভিস্ট সংগঠন ‘পিপলস অ্যাক্টিভিস্ট কোয়ালিশন’ (প্যাক)-এর প্রধান সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

২০১৩ সাল থেকেই তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদের থাবা থেকে দেশকে মুক্ত করার রাজনৈতিক বয়ান তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।নতুন প্ল্যাটফর্ম ও এনসিপির পথচলা:শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম থেকে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটি এবং পরবর্তীতে 'জাতীয় নাগরিক কমিটি' গঠন করা হয়। বাংলাদেশের গত তিন দশকের দ্বি-দলীয় রাজনীতির সংকট কাটিয়ে নতুন সংবিধান তৈরি, রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যেই মূলত এই নাগরিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম 'জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)' হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তৃণমূল পর্যায় থেকে সংস্কারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যেই ৬৪ জেলা ও বিভিন্ন মহানগরে কাজ শুরু করেছে সংগঠনটি। 

  এনসিপির পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সদস্যসচিব পদে দায়িত্ব পালন করবেন আখতার হোসেন। এ ছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।   

দায়িত্ব পাওয়ার পর মিয়াজ মেহরাব তালুকদার বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত এই দ্বিতীয় স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখতে ও একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তুলতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ময়মনসিংহ বিভাগে এনসিপির রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে এবং তরুণ ও ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। 


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream