শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক চান পুতিন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক চান পুতিন

ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন। এ বৈঠক আগামী মাসে চীনে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। তবে বৈঠকে এখনো সম্মতি দেননি ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবিত বৈঠকটি আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনের ফাঁকে হতে পারে। তবে এ বৈঠকের প্রস্তাব নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের বাদ দিয়ে যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করার সম্ভাবনা উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ, এ যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ইউক্রেন ও ইউরোপের নেতারা আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ নাও পেতে পারেন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আলোচনা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি কী হবে কিংবা আদৌ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সমঝোতা হয়নি বলে জানান তিনি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৯ অক্টোবর ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের সময় পুতিন এ বৈঠকের প্রস্তাব দেন। সংবাদমাধ্যমটি রাশিয়ার সাবেক এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। ওই ফোনালাপে রুশ ডিজেল জ্বালানি কেনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তা বিক্রির সুযোগ করে দেওয়ার বিষয়েও একটি সমঝোতা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এদিকে গত মাসে ট্রাম্প স্বাক্ষরিত একটি দ্বিদলীয় বিলের আওতায় রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের যে পরিকল্পনা ছিল, তা বাস্তবায়নও স্থগিত রেখেছে ওয়াশিংটন। এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অনেকে, যাদের মধ্যে ট্রাম্পের নিজ দলের মিত্ররাও রয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, জ্বালানির দাম কমানোর কার্যকর বিকল্প খুব বেশি না থাকায় ট্রাম্প এ সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন। তথ্যসূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

পুতিনের জন্মদিনে ইউক্রেনে রুশ হামলায় লণ্ডভণ্ড শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামো

রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় শিশুসহ অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলাকে ইউক্রেনের ওপর অন্যতম ‘জঘন্য হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বুধবারের এ হামলায় শিল্পকারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভের প্রিলুকি শহরে। সেখানে রাশিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনে পাঁচতলা একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস করে দেয়। ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা বিভাগ বৃহস্পতিবার সকালে টেলিগ্রামে জানায়, প্রিলুকিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া রাজধানী কিয়েভে একটি অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ে রুশ বিমান হামলায় আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা সেখানে মোট মৃত্যুর সংখ্যা চারে উন্নীত করেছে। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান ভিহভস্কি দেশব্যাপী নিহতের সংখ্যা ২৮ বলে জানিয়েছিলেন। যার মধ্যে প্রিলুকির হামলায় নিহত ২০ জন অন্তর্ভুক্ত ছিল, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু ছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিয়েভের প্রসিকিউটররা জানান, একটি ড্রোন থেকে খসে পড়া ধ্বংসাবশেষ থেকে কিয়েভের উপকণ্ঠে দুই জন নিহত হয়েছেন। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, সারাদেশে হামলায় আহত হয়েছেন ১০০ জন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিনের সঙ্গে হামলার সময় মিলে গেছে। রাতে দেওয়া ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘পুতিন নিজেকে যে জন্মদিনের উপহার দিয়েছেন, তা হলো শিশু ও মানুষ হত্যা’। এর আগে অনলাইনে দেওয়া মন্তব্যে জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, ব্যাপক এই হামলায় রাজধানী কিয়েভ এবং মধ্যাঞ্চলের ওলেক্সান্দ্রিয়া ও ক্রেমেনচুক শহরেও বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, রাতভর ইউক্রেনে মোট ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া। এর মধ্যে অনেকগুলোই ছিল উচ্চগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এ ছাড়া ছোড়া হয়েছে কয়েক ডজন শাহেদ হামলাকারী ড্রোন। জেলেনস্কি বলেন, রুশরা বেদনাদায়ক ও প্রদর্শনমূলকভাবে আঘাত হানতে চেয়েছিল। এটি ছিল অন্যতম এক জঘন্য হামলা।

পুতিনের জন্মদিনে ইউক্রেনে রুশ হামলায় লণ্ডভণ্ড শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামো

রুশ তেল স্থাপনায় হামলা নিয়ে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের বার্তা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারগুলোতে আক্রমণ বন্ধ করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে অনুরোধ করেছেন। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ড সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেরার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, রাশিয়ার জ্বালানি উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক সরবরাহে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ট্রাম্প বলেন, ‘ইউক্রেন ও রাশিয়াকে নিয়ে আমার মূল সমস্যা হলো বিশ্ববাজারের সিংহভাগ ডিজেল আসে রাশিয়া থেকে, আর সেই রাশিয়ার প্ল্যান্টগুলোতেই হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে ডিজেল প্ল্যান্ট ও শোধনাগারগুলোতে হামলা না করার জন্য অনুরোধ করেছি।’ রাশিয়া থেকে ডিজেল বাজারে আনা কঠিন হয়ে পড়ায় এর মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করেন, এই পরিস্থিতি সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং এটি এখনই বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

রুশ তেল স্থাপনায় হামলা নিয়ে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের বার্তা

পুতিনের বর্জ্য নিয়ে অদ্ভুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ব্যবহৃত বর্জ্য বা মল-মূত্র ভারত সফর শেষে সিলগালা করা ব্রিফকেসে সংগ্রহ করে মস্কোতে নিয়ে যাওয়া হবে। কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা যাতে তার শারীরিক অবস্থা বা স্বাস্থ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করতে না পারে, সেজন্যই এমন অদ্ভুত ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। পুতিনের বডিগার্ডরা এই বর্জ্য সংগ্রহ করে সিলগালা ব্রিফকেসে করে বিমানে তুলে দেন। ২০১৭ সালে ফ্রান্স, ২০১৯ সালে সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আলাস্কা সফরের সময়ও পুতিনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল। বিসিবি-র প্রাক্তন সাংবাদিক ফরিদা রুস্তমোভা জানান, ১৯৯৯ সালে নেতৃত্ব শুরুর পর থেকেই পুতিন এই নিয়ম মেনে চলছেন এবং বিদেশ সফরে বহনযোগ্য বিশেষ টয়লেট ব্যবহার করেন। রাশিয়ার ফেডারেটর প্রোটেক্টিভ সার্ভিস (এফএসও) পুতিনের বিদেশ সফরের এই চরম গোপনীয় ও সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালনা করে। তার দৃশ্যমান নিরাপত্তারক্ষীদের পেছনে রয়েছে এক অদৃশ্য নিরাপত্তার জাল, যার মধ্যে এলিট প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিসের (এসবিপি) বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যরা কাজ করেন। এই রক্ষীদের বয়স ৩৫ বছরের কম, উচ্চতা ১৮০ সেন্টিমিটারের বেশি এবং তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হয়। পুতিনের খাবারে বিষপ্রয়োগ এড়াতে তার প্রতিটি খাবার তৈরির আগে উপাদান ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এরপর রাঁধুনিদের তৈরি সেই খাবার পুতিনকে পরিবেশনের আগে নিরাপত্তারক্ষীরা নিজেরা খেয়ে পরীক্ষা করেন। পুতিন সাধারণত ফাস্টফুড এবং রাতে অতিরিক্ত মাংস এড়িয়ে চলেন এবং সরকারি অনুষ্ঠানে আদা বা গোলাপের চা পান করেন।  বিদেশ সফরে পুতিন গ্রেনেড-প্রতিরোধী ও জরুরি অক্সিজেন সমৃদ্ধ ‘রাসায়নিক বুলেটপ্রুফ’ আউরাস সেনাট লিমুজিন গাড়ি ও ‘ডুমসডে প্লেনে’ ভ্রমণ করেন। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত ‘ইলিউশিন আইএল-৯৬-৩০০পিইউ’ বিমানে সুরক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থা, জিম, মেডিকেল সেন্টার এবং পারমাণবিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার মতো আধুনিক সরঞ্জাম রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

পুতিনের বর্জ্য নিয়ে অদ্ভুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পুতিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে কিয়েভের পথে মার্কিন দূতরা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চার বছরের বেশি সময় ধরে চলছে। এই যুদ্ধের অবসান নিয়ে বৈঠক করতে  জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে রাশিয়ায় গেছেন। ক্রেমলিনে স্থানীয় সময় শনিবার তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্কিন দুই দূতের রোববার প্রথমবারের মতো কিয়েভ সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এএফপির প্রতিবেদনে জানা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এরই অংশ হিসেবে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশ তিন দিনের জন্য একে অপরের রাজধানীতে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তাঁর জামাতা কুশনার ও ব্যবসায়িক সহযোগী উইটকফ ‘যুদ্ধ সমাপ্তির একটি প্রস্তাব’ নিয়ে মস্কো গেছেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে ক্রেমলিনের একটি বিশাল হলে মার্কিন দূতদের পুতিন বলেন, ‘প্রিয় সহকর্মীরা, মস্কোতে আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছি। পরিস্থিতি অবশ্যই সহজ নয়।’ পুতিন আরও বলেন, ‘তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করার আগে আমি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে আমার শুভকামনা ও কৃতজ্ঞতার কথা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করতে চাই।’ এমন এক সময়ে এ আলোচনা শুরু হলো, যখন দীর্ঘদিন ধরে চলা এই যুদ্ধে চলতি গ্রীষ্মে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু ও হামলার ঘটনা বেড়েছে। পুতিন বারবার বলেছেন, পূর্ব ইউক্রেনের বাকি অংশ দখলের পরিকল্পনা মস্কোর রয়েছে। ২০২২ সালে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন কোটি মানুষ। স্থানীয় সময় শনিবার ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় কিয়েভের উপকণ্ঠসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। এ দিকে ক্রেমলিন জানিয়েছে, শনিবার মধ্যরাত থেকে তারা কিয়েভে হামলা চালাবে না। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও সর্বাধিনায়ক আজ শনিবার মধ্যরাত থেকে তিন দিনের জন্য কিয়েভে হামলা না চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’ অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও বলেছেন, তিনি ‘এখন থেকে’ সোমবার পর্যন্ত মস্কোয় হামলা বন্ধ রাখবেন। জেলেনস্কি এর আগে মার্কিন দূতদের সফরের সময় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। পরে তিনি বলেন, তিনি মার্কিন দূতদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কিয়েভও মস্কোয় হামলা চালাবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলেনস্কি বলেন, ‘এখন থেকে শনিবারের শেষ পর্যন্ত এবং রোববার ও সোমবার ইউক্রেন মস্কোয় হামলা থেকে বিরত থাকতে প্রস্তুত।’ জেলেনস্কি আরও জানান, তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁদের রোববার কিয়েভে পৌঁছানোর আশা করছেন। উইটকফ ও কুশনারের এটি হবে কিয়েভে প্রথম সফর। বিমানযোগে কিয়েভে যাওয়া অত্যন্ত অস্বাভাবিক ঘটনা হবে। কারণ, যুদ্ধের কারণে ২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। সফররত রাষ্ট্রনেতা ও কর্মকর্তারা সাধারণত ট্রেনে করে সেখানে যাতায়াত করেন। ইউক্রেনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, রোববার কিয়েভে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ওই দুই মার্কিন দূতের।

পুতিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে কিয়েভের পথে মার্কিন দূতরা
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream